ট্রেন আর প্লাটফরম এর দুরত্ব যখন কমে এসেছে,
ঠিক তখন রেডিও একটিভ
ধোয়া তুলে আনে এক একটি
অনুপ্রেরণার ভুল চিঠির ভুল তত্ত্ব।
একটি সিনেমা-মাত্রিক জীবনে মৃত্যু
পরে হয়েছে ঠিক ডেথ হবার।
দুটো শব্দ পাশাপাশি, প্রাচ্য আর
পাশ্চাত্যের মিলনে।
অতএব,
স্যার ইউ আর ডেড আফটার গিভিং দ্য সারকাজম!
আমি বিশ্বাস করি,যা দ্যাখি শুনি তা
সত্য নয়।
সব বিভ্রান্তিকর, এক ধরনের দৃশ্য
বিভ্রাট।
আমি জানি অতি উৎসাহ দ্যাখিয়ে
কেউ কেউ উন্নয়নের জোয়ার অথবা
মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মহানুভবতার কথাই
বলবেন।
কিন্তু,
আমি মুক্তিযুদ্ধকে মধ্যবিত্তের
আপোষহীন আবেগের লড়াই হিসেবে
দ্যাখি,যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাষন
অসার!
এড়িয়ে যাচ্ছেন---
ফালতু কথা বলে,নিচে নেমে যাচ্ছেন
এলিভেটর করে!
পারেনও বটে,আপনারা।
তাইতো সুধী,
৩০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েও শহরে পানি জমে,
লজ্জ্বার মাথা খেয়ে এক-একজন কবে
কোন শহর ডুবেছে সেই ফিরিস্তি
দেয়,
তখন আপনি বগল বাজিয়ে সময় নেন।
আর সিথির সিঁদুর মুছে যায়
নিরাপত্তার শিথিলতায়!
আমি বিশ্বাস করি আপনি পারবেন।
ব্যর্থ হলে দায়ভার নেবে বিশেষ মহল!
বিদ্যুৎ উতপাদনের আদ্ধেক ব্যবহার হয়,
তবে লোডশেডিং এর দায় চাপালেন
ভোক্তার উপর!
এই নতুন 'থিওরি অফ হাউ টু লাই' এর জনক আপনাকে ধন্যবাদ!
জায়েজ করলেন ৩০ পয়সা / ৫০ পয়সা বৃদ্ধির পরিসংখ্যানকে!
আচ্ছা শুনেছি দেশে ১৩০০০ নতুন
কোটিপতি তাও আপনার গোত্রের!
ধন্য হলাম,প্রীত হলাম যানযটের কারন খুজে পেয়ে!
তিনটে সিনেমায় মৃত্যু হয় কিন্তু ডেথ
সেটা আলাদা বস্তু!
সময়,মাঝখানের সময় নতুন গল্প দাড় করায়।
আর সেই সময়ে তৈরী হয় সেইভ
প্যাসেজ।
যেখানে আবেগের শ'বে কোলাহলরত
কাক-শকুনে ধর্ষণ করে বিশ্বাসী
ভালোবাসা!
সব শেষে আমিও ধুর্তদের মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে আমার ধর্ষন এর একমাত্র উপভোগ্য দর্শক হই,নিজেই!
সিনেমা হল জুড়ে পবিত্র
বৃহঃপতিবারের নেশাতুর সিটি বাজে
নোংরা বাজেটে।
বাদামের খোসা আর জন্মনিরোধে
আটকে থাকে ''উন্নয়ন নামক স্থির
চলচ্চিত্র"
অথবা
"জোড়া সাকোয় ডুবিয়ে দেয়া নাক"
অতঃপর আমি আবার জানলাম।
দুটো শব্দ পাশাপাশি কিন্তু এক নয়!
"সব কিছুতেই বড্ড বাড়াবাড়ি, শুকিয়ে
যাওয়া শব্দে কে কবে মনে রেখেছে
জলজ অভিমান"
No comments:
Post a Comment