বীষের বরাদ্দ ঝেড়ে ফেলা লাল গোলাপে,নীল রহস্যের মানবী পার্কের ভেতর খেলছে রোদে।অথচ বেগুনী শব্দের অনেকখানি ভেতরে পুড়ে যায় রংধনু। তারপরের দৃশ্য দ্যাখতে বসে থাকতে হবে পরবর্তী ম্যাচ।
এত শান্ত পৃথিবি নয় চারপাশে।অগ্নিস্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠে বুকের ভেতরের শিপ্রানদীর আংগিনায়।
একগ্লাস ভদকা আর চিপে চুপে বের করা লেবুর রস এবং দু টুকরো ত্রিভুজাকার বরফ, ব্যস।ছারখার বুক শান্ত সম্পাদ্য, মিলে যাওয়া।
টিভি পর্দায় ঈশ্বরের রবিবারের ভাষন আর নাকডাকা ভেতো বাংগালির দুপুরের ভাতঘুমে অত্যাচার।এত কিছুর পরেও রোমানা ইয়াসমিন বের হন হলুদ রিক্সার খোঁজে, একটা হলুদ রিক্সা,যার সীটে ঝুলিয়ে এসেছেন ভালোবাসা তাও বছর পনের হবে।
Search This Blog
Saturday, September 5, 2015
বছর পনেরো ষোলো
Labels:
মুক্তগদ্য
"বুক পকেটে একটা মস্ত বসন্তকাল হা করে গিলে ফেলার পর যে বলে- হারিয়ে যাবার সময় আমার পড়নে কি ছিলো তা আমি জানিনা।”
(Everywhere is an walking distance if you want!)
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Featured Post
দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩
দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...
No comments:
Post a Comment