Search This Blog

Sunday, December 25, 2016

দিনপঞ্জী

"পিকিঙপন্থি কম্যুনিষ্টদের বাংলাদেশকে বাঙলাস্তান বলবার পাঁয়তারাটা জানিয়ে দেয় কারা যেনো মা'কে বেঁচে দেয় প্রাইস ট্যাগ ছাড়াই।"



শিথিলতা নামে অভিমান আর অভিযোগের ডাকবাক্সে। জরায়ু থেকে আয়ুপ্রাপ্ত আমার আয়ু মোটে দুইমাস একুশ দিন।
19/06/16




আমার বন্ধু ভুল করে ফেলেছে, ও জানেনা আমার মোবাইলে আজ চার্জ থাকে। মোবাইল বন্ধ থাকার অজুহাতটা রাষ্ট্রীয় মিথ্যাচারে পড়লো।
20/06/16

রিশাদ ভাই প্রতিটা লেখায় চমকে দিচ্ছেন, কুশল ভাই শারীরিক ভাবে একটু অসুস্থ বোধহয়। একটা বিষয় জিতু ভাই এর সাথে কি কনসাল করে নেবো? কিছু যদি মনে করে ফেলেন? নাহ থাক।
21/07/16

দুপুরবেলাতে হঠাৎ এক চিলতে মেঘ,
কেমন জীবনবাবুময় দুপুর?
হঠাৎ বাসের ড্রাইভারকে চমকে দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি...... হা হা হা হা হা  twist....
23/06/16



একটা টি-শার্ট , একটা জিন্স, আর বাচ্চাদের ফ্রক কিনতে হবে।
24/06/16


আমরা কখনও আমাদের স্বপ্নের কাছে, চিন্তার কাছে পৌঁছতে পারিনি। ওরাই বড্ড ভুল সময়ে এসে কড়া নেড়ে গ্যাছে আমার হাট করে খুলে রাখা দরজায়।
25/06/16


God um not ur employee, I just quit!
15/07/16


শুনলাম বন্ধুপত্নী মা হয়েছে! একফোঁটা খারাপ লাগেনি তবে একটু কি দুঃখবোধ নাড়িয়ে যায়নি।
16/07/16


রাকিব ভাই, আমার সাথে না থাকলে আরও ভালো থাকতো। তার কবিতা নিয়ে প্রচুর আলোচনা হতো। হতো গোলটেবিল বৈঠকও। অথবা রাকিব ভাই এর হাত ধরে কবিতার জায়গাটা না চিনে থাকলে , আমিও দুটো বই বের হবার সুবাদে সিনিয়র হয়ে এর কবিতা হয়, এর হয়না । এই এক চামচ এমিফিটামিন, এক চামচ মিথামাইটিন , এক চামচ রাত জাগা, এক চামচ রকমারী, এক চামচ বোদ্ধা, এক চামচ ছন্দ অক্ষর নিয়ে আলোচনা করতাম।
19/06/16


দহনকাল- হরিশঙ্কর জলদাস।
A jokes apart .....
Overnight overwhelmed.....
আমি  ভাইকে দেখাতে চাইনি কিন্তু উনি .........
নাহিদ আর জেবাউল স্বপ্ন দেখতে বাধ্য করছে আজকাল।
20/07/16


বৈরাগিকে বৈরাগ্যে ধরেছে.... ভাউ লিখছে।
21/07/16


“আঁচল খসে পড়া বুকে আমি একটা দুপুর, একটা মন খারাপের দুপুর দেখেছিলাম কেবোল।”
22/07/16


মেয়েটার গাল আর গলায় তিল.... ওহ আজ তেইশ। ফুরফুর উড়ে যায়...... রিকশা চালানোটাও শিখতে হয় বুঝলেন।
23/07/16


বয়স বাড়ছে.. আমি কি এখনও নিজেকে ভালোবাসবো নাহ্।
তবে কি জীবন্মৃত আমার অভ্যন্তরে বইতে থাকা সমুদ্রে পা ভিজিয়ে , সোঁদা গন্ধের বাতাসে কেউ আমাকে জড়াবেনা।                                             
24/07/16


মেয়েটার চশমায় এক আশ্চর্য আদ্রতা, বানান ভুল হলো কি?
25/07/16


আড়াইতলা সিঁড়িঘরে ব্যক্তিগত যে নিঃশ্বাস , ফড়িঙ এর মতন উড়ছিলো সে  রুদ্রের নয় , নয় রণজিৎ, অথবা নবারুনের আক্ষেপ। সে যাবার আগে ঘুমন্ত তোমার চোখে চুমু খেয়ে , কানে কানে বলে যায় “ রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনওই চা খেতে আসেননি।”
17/09/16


একদিন ঘুম থেকে তোমাকে ছিনতাই করে নিয়ে যাবো শুভা। তোমায় আজলা ভরা জোনাকি দেবো, দেবো স্পর্শে সরিয়ে দুঃখ যা যতো আছে, তোমার ঠোঁটের তিল হবে বসবাসযোগ্য মানচিত্র আমার।
শুভা, ও শুভা। যাবে একদিন আমার সাথে প্রজাপতি গুহা।

08/10/16


Friday, December 23, 2016

সোয়েব মাহমুদ এখানে থাকেন না।

এইযে, এই যে শুনুন।
হ্যাঁ আপনাকেই বলছি।
আপনার ভালোর জন্য বলছি।
চলে যান এখান থেকে,
চলে যান ছদ্মবেশী  ভদ্র এই পাড়া থেকে।
যার ঠিকুজি বুকে নিয়ে, চোখে দ্যাখে দ্যাখে খুঁজছেন
এ পাড়ায়,
ঘর, কখনওই বাড়ি ফেরেনি বলে।
শহরের চায়ের কাপে প্রেমিকার ঠোঁট পড়েনি বলে
উনি গুটিয়ে আঙুল , কাগজ থেকে।
শব্দের ওপর থেকে কলম উঠিয়ে
সেইযে অভিমানী দু চোখে তেত্রিশ কোটি চোখের কান্না ধরে
হেঁটে চলে গ্যাছেন একা জাহাজীর মতন।
তাকে আর পাওয়া যায়নি,
হ্যাঁ, না তাকে -  না তার ময়নাতদন্ত পরবর্তী অবয়ব,
কিছুই পাওয়া যায়নি।
তাই বলছি
চলে যান , এপাড়া থেকে।
এখানেই, হ্যাঁ ষোলো’র বইমেলা প্রাঙ্গনে 
ঠিক যেখানে আপনি এখন দাঁড়ানো।
এখান থেকেই তিনি বলেছিলেন-
কবিতা একটা চলমান মিছিল, 
আমি এক কর্মী হবার ইচ্ছেতে ,
ভয়ানক আত্মহত্যাপ্রবণ ইচ্ছেতে শ্লোগান টানি, দেয়ালে সাটাই – 
পত্রিকা অফিস চেনা হয়না আমার, 
তাতে ক্ষতি নেই।
যাওয়া হয়না বোদ্ধা মহলের আশাভরী রাগের বিশুদ্ধ চর্চায়, ( রোল নাম্বার প্রদানের ক্লাশরুম!!)
মাত্রা অক্ষর ছন্দ নিয়ে এত ভাবনা মানিনা আমি।

কেবল জানি কবিতা আমার প্রেমিকা,
নতজানু প্রেমিকার কপাল উঠিয়ে চুমু খাবার কোনও সংবিধান কোথাও কি আছে?
তা জানি না!!

বন্ধণীহীন বক্ষে লিখেছিলেন- ( বিশ্বাস করি যা কিছুই লিখা হয় কোনও না কোনও ভাবে তা একটা ছন্দে পড়বেই।)

উনি বলেছিলেন
“ চেষ্টায় কবিতা লেখার, অপেক্ষা করছি মৃত্যুর।
জানি আমি,
একটা কবিতা লেখার পরই ঘটবে মৃত্যু আমার।
তারপর,
একশত বছর পর কোনও এক পুরানো বইয়ের সংগ্রহশালায় ধুলো পড়া বইটার উপর থেকে আঁচলে মুছে নাম,
কেউ পড়বে,
কেউ পড়বে যতনে আমাকে,
বুকে ধরবে কবিতাকে।“

বাদ দিন, বাদ দিন এসব ফালতু বানান ভুলের অশিক্ষিত রাস্তার বাজারী মানুষের স্বপ্নের আঁকিবুকি।
ছুড়ে ফেলে দিন  ঠিকুজি, ডাষ্টবিনে।
যেভাবে তাকে সেমিনারী কবি’রা কটাক্ষ করেছিলো,
বাতিল করে দিয়েছিলো ভয়ার্ত কুপমুন্ডক বিখ্যাত সমাজ!
বাদ দিন,
তারপর কোক খেয়ে কাটিয়ে শোক,
নোঙরামো ভরা কম্প্রোমাইজকে বলুন সেক্রিফাইস,
অন্তর্বাসকে ঘৃণা করে জানলা আটকে ঝুলিয়ে রাখুন ছদ্মনামের পেন্ডুলাম!
চলে যান,
চলে যান প্লিইজ।
এখান থেকে চলে যান ঈশ্বরের কোলবালিশে।

ভয়ানক ভালোবাসার মুদ্রাদোষের আকাশ ছাড়ুন।
উনি  নেই,
স্রেফ জেনে রাখুন...................... সোয়েব মাহমুদ এখানে থাকেন না।।

Friday, November 11, 2016

অন্ধকার জমাট খুউব

শেষ পর্যন্ত পড়তে পারলে না আমাকে ,
তার আগেই ফুরিয়ে গেলে ,
খোলা ডিকশনারীর মতন আমাকে পড়তে ব্যর্থ,
তোমাকে যেতে  যেতে দেখলাম,
অন্ধকার;  দেয়াশলাই অন্ধকারে  ষ্পষ্টত
চোখের জ্যামিতিক বৃষ্টিপাতে তুমি আবার রঙিন হয়ে উঠেছ।
সেই থেকে
অন্ধকারের মুখোমুখি যে অন্ধকার,
যেখানে রুপকথার মোমবাতি জ্বেলে দিতে তুমি আসোনা,
সেখানে পৃথিবীর শেষ বিপ্লবী, একমাত্র প্রেমিক
আমি কবিতাকে  রক্তঝরা অবস্থায় ছেড়ে দিতে পছন্দ করি ।
                                                                        সোয়েব মাহমুদ,
                                                                   পুলিশ সদর দফতর, ঢাকা।।

Thursday, November 10, 2016

ঠোঁট অনুবাদ

“ বিদ্যুৎচমকের মতন একটা সমুদ্র, বেগুনী রঙের ঠোঁটে ব্যর্থতার অনুবাদে
একটা সমুদ্র, ঘুমপাড়ানী গানে  হেঁটে বেড়ানো মূহুর্তগুলোর মূহুর্ত হয়ে ওঠায়
তোমার  কানের রুপালী পাথরে জেগে ওঠে স্তব্ধতার জীবন!
ভালোবাসার বেঁচে থাকা নিঃশ্বাস, বাজারের ব্যাগে ভেজা বিশ্বাস,
যাবতীয় দলিল ও স্বাক্ষ্যপ্রমাণ তোমার বুকে লিপিবদ্ধ করে ,
অপেক্ষার পরাধীনতায় প্রতিক্ষারত একা
শব্দের চেয়ে একাকীত্ব কি আছে আর?   -

          সোয়েব মাহমুদ।”

Tuesday, March 22, 2016

প্রেমিক - প্রেমিকা নই।


আজ অনেকদিন পর,
আজ অনেকদিন পর বাড়ি ফেরার পথ কিছু শব্দ লিখিয়ে নিলো।
শেষটা কবে তা ভুলেছি; হয়ত।
হয়ত শেষ বাড়ি ফেরাটা,
হয়ত শেষ বাড়ি ফিরে পৌঁছানোর সংবাদ দেয়ার তাগাদাটা,
অনুভূত অস্থিরতার সময়কাল

Thursday, February 25, 2016

হয়তবা

সান্ধ্যকালীন ট্রেনে গোপন যাতায়াতে আমি কান পেতে নেই। কানাগলি জুড়ে শীতকারে গবেষক একদল তরুন আবিস্কার করলো রোদ এসে ছায়া হয়ে যায়। রেললাইনের ব্রীজে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার কিংবা মৃতপ্রায় কলোনিতে ফিসফিসিয়ে জোনাকিপোকা বলে সম্পর্ক অথবা মেঘ বালিকার কথা। আনন্দের আড়ালে মৃতকবির চেহারা দেখার চেষ্টা করি,খুব। হাতমুখ ধুয়ে মায়ের চিঠি খুলি, আমার মুখোশ ফুঁটো হয়ে যাচ্ছে।ফুঁটো দিয়ে বিবেক ঢুকে পড়ে।আমাকে জ্বালায়,খুব জ্বালায়। নতুন মুখোশের প্রয়োজনে আমি জীবিত হতে চাই আবার।
লিখতে চাই নতুন কবিতা।

টেরাকাটা শীত চাদরমুড়িতে বেরিয়ে যাচ্ছে।
বুকের গ্রাম জুড়ে হলুদ উৎসব আজ। ট্রেনের আওয়াজে ভর
করে ভালোবাসা শব্দটা বড় হচ্ছে। আলো দেখা মানচিত্রে
একটা ষ্টেশন একা.. একা.. তাকিয়ে থাকে শহরের দক্ষিণ
প্রান্তের এক ব্যতিক্রম আড়াইতলায়........
দুইঃ
মেয়ে, এবার আসো... খুলে রেখেছি দরজা জানলা।
এবার ছুঁয়ে দাও আমার হৃদয়; তোমার আংগুলে।
এসো এবার
মাথাটাকে একটা বালিশ দেই,
কপালটাকে বিশ্রাম,
দুই'পা কে সিঁড়ি,
অলস ঠোঁটটাকে কর্মব্যস্ত করি,
দেহটাকে ঢাকি চাদরে,
যে ভালোবাসা ঘুরছিলো একাকী অপেক্ষায়;
এসো, এসো তাকে মিছিল শেখাই।

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...