Search This Blog

Monday, July 27, 2015

ডিপ্রেশন এবং ইনজাষ্টিস এর কথকতা

ডিপ্রেশনের একা রাত্তিরে অনিদ্রার
ভারে ডুবে যাওয়া,ইনসোমোনিয়া নামক
খসখসে শব্দটা এক সাংকেতিক সানগ্লাসে
মুড়ে, আমার ঘরে রাত নামিয়ে আনে।
প্রবলভাবে বৈশ্বিক আমি,
মরুভুমির বালুর আস্তরনযুক্ত নিউজপ্রিন্টে
লিখে দিতে থাকি
"কাঠমুন্ডুর শিশুরা ক্ষিদেয় কাগজ ছিড়ে খাচ্ছে"
ঘরের কোনায় অবহেলা শব্দটা আলগোছে আত্মহত্যাপ্রবন।
জাদুর শহর পর্যুদস্ত সাময়িক ৫৭ ধারায়!
কার্যত পাপের পরমায়ু দ্যাখে,
মুহুর্মুহু স্বয়ংক্রিয় তুমিহীনতায়;আমি
হয়ে স্মৃতির রাজ্যে মেঘ।
রাতের পর রাত হ্যালুশিনেশনের ইনজাষ্টিস।
শুধু আমি একা আর পৃথিবীর সব ছবি আশ্চর্য তফাতে,
আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে কতটা আকাশ হয়ে উড়ি -

The essence of being a woman: Planning the trip

The essence of being a woman: Planning the trip: As early as December 2014, I have been thinking on how to celebrate Alec

কোথাও কি কেউ আছো?

কোথাও কি কেউ আছো?
কেউ কি আছো কোথাও?
কেউ কি আছো দরজার ওপাশটায়?
আছো কি কেউ মরচে পড়া কার্ণিশটায়?
কেউ কি আছো?কেউ কি......?

এ প্রশ্নের স্তব্ধতায় শুয়ে থাকে শহর,চুপচাপ।
উপত্যকার খাদে কাঁপতে থাকা,শুকর স্মিত হাসে মনুষত্ত্ব ভুলে!
সবমিলিয়ে নগরী দলছুট দুঃখদের,নিরাপদ আশ্রয় হয়।

আমি জেগে থাকি,
ভালোবাসার পোষ্টকার্ডে অবহেলার নীল স্ট্যাম্প গেঁথে,
একটি দুর্সম্পর্কের মেঘবৃত্তান্ত অসমাপ্ত রেখে!
ব্যাক্তিগত ডাকটিকিটের মতন,আমি থেকে যাই,
আমি থাকি হয়ত এক ক্যামোফ্লেজ হরিনমুখী বৃষ্টি হয়ে।

কবিতার শব্দগুলো আমার,অসারত্ব এর সংক্ষিপ্ততায়।

বাক্যগুলোতে ভর করে ভয়ানক অবসাদগ্রস্ততা।
অজস্র প্রশ্নগুলোতে ক্লান্ত পৃথিবীর ওজোন স্তরে উত্তর একটাই
"কোথাও কেউ নেই।!

অতঃপর.....
বিস্তারিত বিবরন না লিখে খুব সার-সংক্ষেপে
দুই চাঁদের উতসব মুখর কার্নিভালে স্বাগত বক্তব্য পাঠাই।

এড়িয়ে যাই শহরের ভেতরকার গ্রাম!
মাড়িয়ে যাই নিজের স্বপ্নের নিজেকে!
ঠোটে রহস্য মিছিল!
ঘুম পাড়িয়ে দেই জেগে জেগে অবাক
পাথর হয়ে যাওয়া দরজাগুলোকে।
দ্রুত ঘুম পাড়িয়ে দেই খেজুরগাছ,পুকুর পাড়ে।

একপেশে পান্ডুলিপির পৃষ্ঠা উল্টাই,
মৃতের ন্যায় জীবিত হই,
মৃত্যু পরবর্তী পুনরুত্থানের মতন।
কোথাও কেউ নেই উত্তরটাতে আমি জেগে উঠি স্বগর্বে,
বেচে উঠি মহান ঈশ্বর এর মতন।
কোথাও কেউ নেই শহরটায় তে-মাথার এক মারোয়াড়ী
চায়ের দোকানে ভেসে উঠা দুধে সর হয়ে।

হাতড়ে খুজি কাউকে,বস্তুত তোমাকে তোমার ভেতর।
এলোপাথাড়ি খুজি আমাকে তোমার সোঁদা গন্ধের বুকের জমিনে।

এই কোথাও কেউ কি আছো প্রশ্নের
কোথাও কেউ নেই উত্তর নামক
হাহাকার ঘাম হয় কারো নাকে!
আহাজারিতে দৃশ্যমান হই আমি!
আমি থেকে যাই;
তোমার সর্বত্র এই আমি অস্বীকারের ভেতরেই।
‪#‎sM‬!

ভালো থেকো

কাল তোমার নগরে ঈদ,তাই না।আমার বাজেয়াপ্ত হৃদয় নগরে তোমার সাথে দ্যাখা হয়নি বলে ঈদ শোকসভা।আকাশের বুকে দাঁড়িয়ে মেঘের জিপার খুলে দেয়ার খবর আবহাওয়া অধিদপ্তর দিতে ব্যর্থ।
সারা শহর জুড়ে হুইস্কির বৃষ্টী।ছেলেটার ইতিউতি ইতস্তত সুখবোধ পালায়।
মেয়ে জেনে রাখো--
কেবল তোমার সাথে দ্যাখা হয়নি বলে,একটি ছেলে তুলে রাখলো পাঞ্জাবী।তুলে রাখলো আনন্দ বৈয়ামবন্দী করে।
ভালো থেকো....................

অভিনন্দন তোমায়।

অভিনন্দন তোমায়,মেয়ে।
অভিনন্দন।

তোমায় ভালোবেসে আজ আমি জাদুঘরে,
হয়েছি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
গুম হয়ে গিয়েছে সব,অস্তিত্বটুকুও।
অভিনন্দন তোমায়।


এক লু হাওয়া বয়ে যায় আমার রক্তে,
হাত বাড়াই,ভুলেই এক্কেবারে মনের ভুলে
তুমি ভেবে ধরে ফেলি মহান ঈশ্বরের হাত!

শহরের ৩৫ মিঃমিঃ সেলুলয়েডের অমর সাদাকালো
চলচ্চ্বিত্রে এক ও একক
আমি ও আমার শুন্যতার নিষিদ্ধ্ব গল্প,
যা শিশুতোষ উপন্যাস আজ।
অভিনন্দন তোমায়।

আমি কাঁদলে ভিজে যায় শহর,
ভেজে শহরে হারানোর তালিকায় ক্রমবর্ধমান
জানলার কার্ণিশ।
আমি জানিনা
কি এক চুক্তিতেই আমি আর আমার ঈশ্বর?
অভিনন্দন তোমায়।

তাই এ শহরের ভিজে যাওয়া শাড়ির ভাজে
স্মৃতিতে স্মৃতিতে তো্মাকেই ভালোবাসছি আজ।
এই বিভক্ত পৃথিবীতে
জিতে গ্যাছো তুমি,অভিনন্দন তোমায়।
অনন্ত হাহাকার বুকে নিয়ে আকাশে মেঘের মিছিল,
চুপচাপ নগরীতে টুপটাপ রক্তের অশ্রুসজল চোখ।
অভিনন্দন তোমায়,মেয়ে।
অভিনন্দন তোমায়।
অভিনন্দন তোমায়।
তোমার জন্য ............।

‪#‎sM‬!

পর্যালোচনা

   এক -


  
একটা অসভ্য মানচিত্রে দাঁড়িয়ে আমি বলছি ভালোবাসার কথা,
আমি লিখছি হাতে একটা চিঠি অথবা কবিতা।
তারপর ছিড়ে ফেলে উড়িয়ে দিচ্ছি আকাশে,
বেওয়ারিশ জন্ম থেকে গর্ভাবস্থায় মৃত্যু অনেক শ্রেয়............।
আমি কথা দিচ্ছি এবার খুব মন দিয়ে পড়বো পিথাগোরাসের উপপাদ্য।
আর কোনো রাতে জন্মের আগে জন্ম দাও বলে করবোনা আর্তনাদ......।
কথা দিচ্ছি,কথা.........



দুই-



শহরের বুক থেকে একটা গ্রাম চুরি হয়ে যায় ,
একটা সবুজ আগুনে পুড়ে যায় নীল বিষের শরীর
আর
তুমি লাল মেঘ চিড়ে বেরিয়ে আসা কালো রোদ পোহাও অবহেলার
বীজগানিতিক সুত্রে।



তিন-

 যার ফিরে আসার সৎ সাহস আছে সে আসুক ফিরে ,
এ শহরে বাজেয়াপ্ত ভালোবাসাকে ঘরে নিয়ে।
কাউকে দেক মুক্তি,অপেক্ষার।


#sM!

 

মধ্যরাতিও ক্ষুধা

এক পুর্নদৈর্ঘ চলচ্চিত্রে ঠায় দাঁড়িয়ে আমি;অপেক্ষায়।
যদিও জানি ভালোবাসা তোমার কাছে এক শব্দই;মাত্র।
ভালোবাসার আদরের জংশন আজ তথাকথিত কামে জর্জর শুন্য...............
নিঃসঙ্গতার সাইকেলে ঘুরে বেড়াই ভার্মেলিওন রেড,
পাশে শুয়ে থাকে আমার বুকে তেপ্পান্ন ঘরের আত্মীয়
অবহেলার মধ্যরাতিও ক্ষুধা "তুমি।"

"রোদ,বৃষ্টি এবং হয়ত হতে পারত কথকতা"

তোর জন্য যে সমুদ্র আমি ধরেছি আমার চোখে
তা আজ বড্ড মাতাল,
একগুচ্ছ বৃষ্টি ভেসে যায় ভিজিয়ে ইতঃস্তত নগর।

সিড়িঘরের ১১ নাম্বার সিড়িতে দাঁড়িয়ে নেই আমি বেঁচে থাকার মুহুর্ত।
হতচকিত দিয়াশ্লাই জ্বেলে আমি,
আত্মহত্যাপ্রবন অঞ্চলে ব্যক্তিগত কবিতার ছেড়াখাতায়
লিখে দেই -


"রোদ,বৃষ্টি এবং হয়ত হতে পারত কথকতা"

অনুমোদনহীণ মর্গে;তুমিহীনতায়........................।

জন্মেই জেনেছি আমি একা,আমি একা এই শুন্যতায়।পথে ঘাটে মাঝে খুজি তোমায়,একাকীত্তের গল্প শোনাতে।তোমায় নিয়ে যাবো বলে কখনো এই আমার আকাশ দ্যাখা হয়নি,দ্যাখা হয়নি বেগুনী পদ্ম,দ্যাখা হয়নি সমুদ্রটাও।শুকিয়ে চৌচির ভেতর ঘর-বাড়ি।

মৃত্যু পুর্ববর্তী শেষ ফুটনোট টার ২১ নং পৃষ্ঠার শেষ কলামে তাই লিখা ছিলো বলে জানিয়েছে তোমায়,তোমার নিজস্ব প্রতিবেদক।

সে কি জানিয়েছে তোমায়,একবারও।তোমার অগনিত অবহেলায় প্রতিক্ষন মৃত্যুবরন করা হৃদয়ের বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে তোমার বারান্দায় পড়ে থাকার কথা।কিংবা শহরের;আমার চোখের জলে ডুবে যাওয়ার কথা?
বাদ দাও,পৃষ্ঠা ঊল্টাও যেটা খুউব ভালো পারো তুমি......।

বিষন্নতার রাজধানীর কথা শুনে কি হবে বলো?অপেক্ষার মহাদেশের কথা শুনে কি আর হবে?তারচেয়ে বড় হও তুমি নিঃসংগ ইউক্যাপিলটাসের মত অথবা বেঁচে থাকো নিদারুন আমি হীনতায়।

এখন কোথায় খুজবে বলো আমায়,আমি তো সেই কবেই পচে গলে মাছিদের খাদ্য হয়েছি অনুমোদনহীণ মর্গে;তুমিহীনতায়........................।



‪#‎sM‬!

এক

যেখানে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকা অবশ্যম্ভাবী সেখানে আত্মহত্যাই শ্রেয়।--

‪#sM!

কথার কথা

এইযে তোমায় ভালোবাসা,
এইযে তুমিহীনতায় প্রতিমুহুর্তে মৃত্যুর হাতছানি।
এইযে অপেক্ষার তেত্রিশ কোটি চোখ জ্বলজ্বল করে,
কেবল তোমার পথচেয়ে।

এইযে ভয়ানক বেঁচে থাকা থোড়াই করে হেটে যাওয়া শহরের ঠোঁট জুড়ে।


আর যা কিছু
-ধরো, আমার প্রাগৈতিহাসিক বুকের ভেতরের তুমি,
সব,স অ ব কেবলমাত্র,
এবং শুধুমাত্র কথার কথা।

‪#‎sM‬!

মেট্রপলিটান প্রেমে

মেট্রপলিটান প্রেমে ধাতস্থ হবই এবার,
আর কাঁহাতক জীবন বাবুকে বুকে নিয়ে অপেক্ষায় বেঁচে থাকা।

সোডিয়াম আলোয় আমিও স্বাদহীণ চুমুতে পারদর্শী হব আজ।
তারপর লিখে দেবো,
এ শহরে হাজারো ঠোঁটের ভীড়ে হারিয়ে ফেলি,
ডুবে যাই লক্ষাধিক লিপষ্টিকের পিচ্ছিল পথে,
আজকাল পার্থক্য খুঁজে আর পাইনা,
মিলে মিশে যায় প্রেমিকা আর গণিকায়।


অথচ,
অথচ আমি অনাদিকাল ধরে লিখে যাচ্ছি-
আমি তোমার বুকের ঘামে বাঁচি,
আমি বাঁচি তোমার ভেতরের তুমিময়তার যে তুমিহীনতায়।

হয়নি,হবেওনা কিচ্ছুই পুরাতন সনাতন আমায় দিয়ে।
ধ্যাত তেরিকা,..................।

তারচেয়ে,
চেয়ে দ্যাখো,
আগপাশ পরিবর্তন করে এলাম এবার,
শরীরে জাপটে ধরে লেগে আছে
গতরাত ঘুমিয়ে আসা মানবাধীকার নেত্রীর গায়ের গন্ধ
আর ঠোটে !
মুছে আসতে পারিনি বৈজ্ঞানিকের দেয়া দাগ!
এইতো চেয়েছিলে তাইনা!

দাখ্যোতো আমার সাবান লাগবে?
গোসল করে তোমার কাছে পবিত্র হয়েই না হয় আসি !

কি কপাল কুচ-কাচ্ছো ক্যানো?
এত চিন্তার কুচ কাওয়াজ ক্যানো আজ তোমার কপালের রান ওয়েতে?
বলেছিলাম তো --
মেট্রপলিটান প্রেমে ধাতস্থ হবই এবার!

জেনে গ্যাছি-অবশেষে

আজ আমি জেনে গ্যাছি মৃত্যুর ছায়াপথে
কতটা দাঁড়িয়ে থাকে ইথিওপিয়ার সুখী মানুষের মতন অপেক্ষা?
আমি আজ শিখেই গ্যাছি জীবিত থাকার
বীজগাণিতিক মন্ত্র!
আমি আজ ভুলেই গ্যাছি কখনও বেঁচে ছিলাম,
কখনও নিঃশ্বাস ছিলো সম্পাদ্যহীণ সমাধানে!
আজ আমি চীৎকার করে বলতে পারি আমার আকাশে-
আমি আজ তোমাদের মতন মানুষ হয়েছি , নিজেকে হারিয়ে!


অতঃপর সান্ধ্যকালীন ঠোঁট বুলেটিনে প্রচার অযোগ্যতায় বাদ পড়ে যায় এক মৃত্যু সংবাদ!

#sM!

Thursday, July 16, 2015

দায় মুক্তির ইশতেহার

গুলিটা লাগলো ঠিক জন্ম নেবার আগেই,
মৃত্যু এলো বুলেটে তাও মায়ের গর্ভেই জন্ম চীতকারের ঠিক আগেই।
থেমে গ্যালাম আমি এবং আমার ঈশ্বর।
থমকে গ্যালো চাঁদের বুড়ি।
আর কালো পিচে ঢাকা রাস্তায় প্রবল বিক্রমে সোডিয়াম আলোতে
জ্বলতে জ্বলতে চলে সিন্ডিকেট সিন্ড্রোম এর মাঝে নেতা নির্বাচন!

ব্যানার হয়, ফেষ্টুন হয়, মধ্য আয়ের দেশ হয়।
ঈশ্বর মানা এবং না মানা মানুষগুলোর ঝগড়া হয়।
রাতের অন্ধকারে দেহলোভী শকুনেরা এক্কা দোক্কা খেলে,
৫৭ ধারা থেকে মুক্ত সাংবাদিক মহল কর্তৃক 

সম্প্রচারিত হয় "দেশ এগুচ্ছে" নীতিমালা!

সাবাস বাংলাদেশ এ পৃথিবি অবাক তাকিয়ে রয়,
কেবল আমার বুকে গুলিটা জন্ম নেবার আগ মুহুর্তেই লেগে যায়।
আমি দায় মুক্তির ইশতেহার লিখে দিলাম
আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।
তবুও বিচার চাইবেন না কেউ
অর্থহানি করে অর্থহীন নীল সাদা হিপোক্রেট ক্যানভাসে
আমি কোনো নাকি কান্না চাই না।
কারন গুলিটা আমি ঠিক জন্মাবার আগে খেয়েছি।
যৌনতার অবাধ সুযোগের আশায় সমকামীতার পক্ষে-
তোমাদের উন্নত মনা নগ্ন যথেচ্ছাচার দ্যাখেছে আটলান্টিক।
আর হেসেছে তীব্রতায়।

ভেসে গ্যাছে মাছ,সোনালী মাছ।
ডুবেছে আধুনিক অন্তর্বাসের অন্তর্গত বীজতলা।
সংবিধান প্রণেতাদের বাঁচিয়ে দিয়ে গ্যালাম।
মায়ের গর্ভে জন্মের আগেই গুলিবিদ্ধ মৃত্যুর কোনো বিচারিক আইনের দায় নেই।
অত্যধিক মধ্যাংগুলের ইশারায়
মধ্য আয়ের দেশে জন্মের আগেই মৃত আমি বলছি-
জন্ম দ্যাখিনি আমি কিন্তু মায়ের গর্ভেই
গুলিবিদ্ধ মৃত আমার ছবিতে তোমাদের
পিচ্ছিল গনতান্ত্রিক যোনীতে নিরাপত্তাহীনতার পোষ্টার
হয়ে হারিয়ে যাওয়া মিছিলে নতুন নাম হয়ে গ্যালাম!
কারণ
গুলিটা আমি জন্মের ঠিক আগে মায়ের গর্ভেই....

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...