টুটি চেপে ধরা সেলফ সেন্সরশিপ।
তখন কবি হয়ে উঠেন সব্যসাচী!
সাহিত্যের পাতায় চর্বি সম্বলিত কবিতা।
দু-চোখে কাচপোকাদের ভুল আর
যাদুঘরে সাজানো বাক-স্বাধীনতা মনে করিয়ে দেয়
গণতন্ত্র, আজ বিটি আর সি 'র নজরদারীর
ব্যান্ডউইথ!
গনতন্ত্র, নুর হোসেন-মিলনের খুনীদের
পুনর্বাসন কেন্দ্র।
গনতন্ত্র, এক বেশ্যাগমনের রিকশাবাহক।
গনতন্ত্র, হ্জ করে,মক্কা শরীফ যায়।
গনতন্ত্র, মন্দির-গির্জা-প্যাগোডায় ঈশ্বর
হয়।
গনতন্ত্র, ঘন তারল্যে ধর্ম হেফাজত করে।
গনতন্ত্র, সামাজিক বেশ্যা পোষে।
গণতন্ত্র, সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে,
কুচকে যাওয়া যোনী হাতায়,
বৃদ্ধ স্তনে বেচে দ্যায় দ্যাশ।
গনতন্ত্র, উদারপন্থী হয়,
গনতন্ত্র, ইয়াবার রুপোলী মায়ায় ধর্ষণ
করে।
গনতন্ত্র, নারী উন্নয়নের জনসভায় মৈথুন
করে।
গনতন্ত্র, এক গানের জাতীয় পুরস্কার।
গনতন্ত্র, বাংলা একাডেমীর শব্দ
সেন্সরের মহাউতসব।
গনতন্ত্র, লাল মদে রক্তের মচ্ছব!
গনতন্ত্র, ধুলো জমে জমে মানচিত্রে আজ
আবে-জমজম ঘুরছে আটরশি, দেওয়ানবাগ, চরমোনাই।
ভক্তের টাকায় শিল্পিত পুন্য-নগরী হচ্ছে
সাংহাই!
আমি ঢাকায় বসে কড়ে গুনে বলছি
বাহ বাজপাখির শ্যেনদৃষ্টি আজ উন্নয়নমুখী!
রক্তের খরপোষে মৃত আত্মাধীন জনপদে
কোনো আশা নেই।
ভালোবাসা নেই।
ইচ্ছেরা বুলেট বিদ্ধ।
প্রজন্ম আজ চ্যাতনা বিক্রেতা অথবা
ক্রেতা।
সহবাসে ঘাতক কখন ত্রাতা হয় জানা নেই!
চাই।
নিরঞ্জন, আজ একটা প্রতিবাদী কবিতা
চাই।
নিরঞ্জন, আজ একটা শ্লোগান মুখর রাজপথ চাই।
টাংগাইল।