Search This Blog

Saturday, September 21, 2019

তোমার ব্লাউজ

তোমার ব্লাউজটা যেনো আকাশ হয়ে গ্যাছে,

ভেতরে আমার শীতকাল সরানো রোদ্দুর 
তুমি পুষে রাখো,
পুষে রাখো হেম -
পুষে রাখো আগুন,
ভয় দেখাও হঠকারিতার রাষ্ট্রের
দাঙ্গা পুলিশের মতন।


তুমি বোঝোনা 
আগুন আগুনে পোড়ে না,

আমি তো এক আগুনপাখি,
আগুন খাই,
আগুনে জ্বলে জ্বলে যায় রাতভর ঈশপের গল্প।


তোমার পিঠখোলা রানওয়ে,

আমার নিশপিশ আঙ্গুল 
ছুঁয়ে ছুঁয়ে নিস্তরঙ্গ জ্যোৎস্নার নিসর্গ ফাঁদ,
এক লহমায় অতিথি হয়ে ওঠে বিরল!

তোমাকে একটা সন্ধ্যায়
ছাদে নিয়ে যাবো বলে কতবার,
কতবার বারান্দায় নিয়ে দাঁড় করাই তুমি জানোনা।

কতবার ছাদের অন্ধকারে তুমি দাঁড়িয়ে আছো,

আমি দেখছি ব্লাউজ,
আমি দেখছি তোমার অবাক লাজুক পাতা,
আমি দেখছি শাড়ি,
আমি দেখছি আয়নায় বেগুনী টিপ,
আমি দেখছি খোলা পিঠ,
আমি দেখছি স্নাতক স্নানঘরে 
একটা অবদমিত আকাঙ্ক্ষা
একটা অবান্তর মূহুর্ত ইতিহাস।

তুমি বোঝ না অথচ যা আসেনা, 
অথচ আমি ভয় পাই ভীষণ।
আমি জ্বর পুষি বুকের ভেতর,
চোখে পুষি আস্ত বর্ষা কেটে দিয়ে শীতকাল।

বাষ্পীভূত চোখের কোনে লেগে থাকে 
কুয়াশার দাগ।

কিছুই বলা হয়না আমার,
আমি ভয় পাই,
আমি ভয় পাই,
হুহু কান্নার মতন বাতাস ঢুকে পড়ে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমি,
হুহু কান্নার মতন বেবাক হেডলাইন নিস্তব্ধ
গভীর বুকে নিয়ে,
খেলে কাটাকুটি খেলা।
হুহু কান্নার মতন নির্জনতার শোক হৃদয়ে।
তুমি জানোনা,
প্রিয়তমা হাজার বছর ধরে
স্বাধীকার বসে থাকে জানলায় লালরঙা ছদ্মবেশে। 
তুমি দেখোনা,
তুমি বোঝোনা,
কতবছর আগে বেগুনী চুড়ি আর
কানে ঝুলন্ত ব্যবিলন অপেক্ষায়
তুমি শোনোনা 
তুমি বোঝোনা।


অনিদ্রার শোকচিণ্হ থেকে কুমারী পর্দা ওঠাও,

নিঃশব্দতা থামাও এবার।
আর কতবার নিজের বুকে চেপে ধরে
নিজের মুখ
আমি স্বান্তনা দেবো
আমার হাত রেখে আমারই হৃদয়ে।
কতসহস্র বছর আমি শীতকাল যাপনে
লিখে যাবো বিষাদের সংবিধান
একাকীত্বের জাতীয় সঙ্গীত,
তুমি কি বুঝতে পারোনা,
কতশতবার তোমার মুখ তুলে ধরতে চেয়ে
আমার দু হাত পিছিয়ে গিয়ে
এক রিকশাতেও সিটিয়ে গ্যাছে?
তুমি কি বুঝতে পারোনা
কতবার তোমার চোখে বারংবার খুন হই বলে 
আমি চোখ ফিরিয়ে নিয়েছি?
কথা হারিয়ে ফেলেছি কত কোটিবার 
তুমি জানোনা!
তুমি জানোনা!


আমিতো আস্ত পাগল,

যে হৃদয়; প্ররোচিত হৃদয় ছোঁবে আঙ্গুলে তোমার।
বসে থাকে হাপিত্যেশের হাতঘড়িতে।
বসে থাকে অপমানিত গ্লানির কবিতায়,
বসে থাকে অভিমান করে,
অভিমানে দূরে যায় তবু ফিরে আসে কবিতায়,
নির্লজ্জতায় সময়ের 
সবচেয়ে বড় টর্নেডোর
আঘাতেও নুয়ে পড়েনা লিঙ্গহীন রাষ্ট্র,
একাডেমী,
প্রাতিষ্ঠানিক বেশ্যার বিছানায়।
বারংবার নিষিদ্ধতা পিঠে চেপে, 
বসে বসে পড়ে ভুল বোঝাবুঝি ভাইয়ের উপাখ্যান।


কেবল একটা সন্ধ্যা 

আকাশের নির্লিপ্ততার হ্যাজাকবাতি ধরিয়ে 
তোমার পিঠখোলা ব্লাউজ 
তোমার মসৃন তলপেট হয়ে উঠে জাতীয় পতাকা।
তোমার বুকের পাশ দিয়ে নেমে আসা
আশ্বিনের মেঘ থেকে বর্ষার জলধোয়া টাপুরটুপুর
ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেবে ছুটির দিন-
তুমি জানোনা,
তুমি বোঝোনা,
অথচ কোন এক ভোরবেলায়
তুমি অপহরণ করেছিলে আমাকে,
দেখাতে তোমায় সমুদ্র তীরবর্তী সহস্রগ্রাম।
তুমি ভুলে যাও,
তোমার মনে নেই।

Friday, September 6, 2019

থামুন নয়তো লিখুন বিক্রি হবেন না

এবং আমার বিষাদগণিকারা

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...