Search This Blog

Tuesday, April 14, 2015

"পহেলা বৈশাখ".

নিখোজ সংবাদ শিরোনামটায় চোখ পড়তেই থেমে যায় নি:শ্বাস।
 এক আত্মভোলা আত্মহত্যা শব্দটা আলগোছে হারিয়েছে,
তোমার রৌদ্রমাখা ঠোট যখন ছুঁয়ে দিলো অস্পৃশ্য আমার ঠোট।
হারিয়ে গ্যাছে একা শব্দটা একা একাই,
যার উপর দিয়ে হেটে গ্যাছো তুমি আমায় ছুঁয়ে।
আমি তোমায় ভালোবাসি তাই
আমার হেটে যাওয়া প্রতিদিন তোমার গন্ধমাখা পথে,
এযেনো এক রাষ্ট্র বিরোধি একা মিছিলের ভালোবাসা।

আমি আমাকেই ভালোবাসিনা বলেই
ভালোবাসতে পারি তোমার চোখ অবলম্বন করে,
যৌণতামুখ্য ভালোবাসার চিঠি ছিড়ে ফেলে
উড়িয়ে দিতে পারি ভালোবাসার গল্পহীন ইশতেহার,
সেতো নিজেকে ভালোবাসিনা বলেই।

নিজেকে ভালোবাসিনা বলেই বুকের ছাপ্পান্ন ঘর,
একশ সাতাশ জানলা জুড়ে তুমিই থাকো
বাইজাইন্টাইন সম্রাজ্ঞীর মতন।
নিজেকে ভালোবাসিনা বলেই পুরোটা জুড়েই ভালোবাসি তোমায়।
আর তাই তোমার নীল- সাদা মুখবই এর
পাতায় তোমার ফটোগ্রাফে চুমু খেলেই শুরু হয় আমার নববর্ষ।
প্রতিদিন,প্রতিনিয়ত তোমার ছোয়ায় থাকি বলেই,
তুমি যেখানে দাড়াও সেখানেই আমার "পহেলা বৈশাখ"...
তোমার জানলার সীমান্তে আজ লাল-সাদার জলোচ্ছ্বাস, মেঘের মেয়ে।
এইসব শব্দ-বাক্য সবই ছিলো তোমায় চাওয়ার আকুলতা।

"বিদায় বসন্ত"

বুকের বামপাশের জানলার কাচে বাষ্প জমে,
প্রতিনিয়ত,খুন হই প্রতি চুমুর স্মৃতি রোমন্থনে।
আলগোছে কিশোরী দুপুরে পুড়ে যায় এক বসন্তের দিন।
এ মা, এ যে তুমি! তীব্র আলোতেও দেখতে পেলেনা কিছুই।

আর তোমার জন্য, হ্যা কেবল তোমার জন্যই বুকের বামপাশের নগরে,
জানলার পাচিলে, ঘরের সিলিং এ দুপুরেই রাত নামে অমাবস্যার।
আর, আমি তখন দুপুরের হলুদাভ রোদ আর রাতের 

হ্যারিকেনের হলুদ আলোতে পার্থক্য আনতে না পেরে
বলে দেই "বিদায় বসন্ত"

Monday, April 13, 2015

মানুষ রিফর্ম হয়না, ভালোবাসাও না

বিনোদনে মাতাল দুপুর,বসন্তের শেষ দুপুর। নাকের ডগায় তোমার ঘ্রাণ। ক্যামন যেনো উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে সময়?আততায়ী হয়ে বুকের জমিন।

আমি যেমন ছিলাম আছি তেমনই, হয়ত থেকেও যাবো তেমনি। ডুবে তোমাতেই। আংগুলের কড়ে গোনার মতই গুনে যাবো দিন এক,দুই...পাঁচশো...ছয়শ...অপেক্ষার।

মানুষ রিফর্ম হয়না, ভালোবাসাও না।নুরজাহান রোডের চা এর দোকানে চা খেতে খেতে বসন্ত মনে করিয়ে দিলো - ”জন্মেছি মৃত্যুকে পরাজিত করবো বলে,করেই গেলাম।”


রোদ হয়ে আটকে দিলাম ভুল বোঝার বৃষ্টি তোমার নগরে।জানলার চোখ থেকে তোমার,মুছে দিলাম দ্বীর্ঘশ্বাসের কবিতা আমার।এভাবেই অযান্তে বিকেলের;লাল হয়ে উঠছে তোমার ঠোট আর আমার চোঁখ।
ধ্বসে যাওয়ার,শহরের পচে যাওয়ার গল্পগুলো আজ তুলে রাখি শিকায়। আজ তোমার দ্রুতগতির হাইওয়েতে বিশ্বাসের রিকশা নিয়ে না হয় ভালোবাসার কথা একে দিলাম।কি আর হবে বলো?

না হয় আজ মুঠোবন্দি তোমার মুঠোফোনে, আকাশের কাছে মুঠোবার্তা লিখে দিলে "পরীবাগ ওভারব্রিজ, বিকেল ৫টা" অথবা "মল চত্ত্বর, সকাল ৮টা।"না হয় আজ তোমার অংকের খাতায় আবার লিখে দিলে তুমি অনেকগুলো দিনের পর, সেই আমার তুমির মতন- আমি তোমায় ভালোবাসি।

দৈত্যাকার ট্রাকের হর্ন জানিয়ে দিলো পরবাস্তবতার চিন্তা করে ফেলেছি আমি। তাই হয়ত অপেক্ষার জ্বলন্ত সিগারেট এ আংগুল পুড়বে আজ আরেকবার। আরেকবার কষ্ট নামক দানবের সহবাসে করে দেব তীব্র চিৎকার।তবুও বসন্তের অপেক্ষায় আমিই থাকবো, এক.. একা..শুন্যতার... শুন্যে...শুন্যনীলে....শুন্য একে।
কেবল বেড়ে যায় চায়ের কাপ, মৃত্যুহীন বেদনার এক একটি রাতের

Sunday, April 12, 2015

বালিকা,



বিশ্বাস করো বালিকা,
সেই উনিশে কোনো এক মাসের ১৭ তে,
কলা ভবনেই তোমার প্রেমে পড়েছিলাম।
প্রেমে পড়েছিলাম লাল রং এর
তোমার চোখে আমি কি দেখেছিলাম তা বলে দেবো এবারের দেখায়

এই তেরো বা চৌদ্দতে দেখা না হলে এই আমি বলে দিচ্ছি-
"স্রেফ খুন হয়ে যাবো তোমার ঠোটের ছোয়ায় থাকা চায়ের কাপে, 
ভেসে ভেসে উঠবো তোমার জানলার আয়নায়,তোমার বুকের মানচিত্রে

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...