Search This Blog

Saturday, November 21, 2020

ব্যক্তিগত নিঃশ্বাস

জলের নীচে শুয়ে আছি; ছায়া। কখন তুমি ঘরে ফিরবে?
 

১৬/২/১৮

ফেইসেস ইন দ্য ওয়াটার – দেখেই আবার ভেবে বসবেন না আমি স্নান বিষয়ক কিছু বলছি।

২৩/০১/১৭
একথা সত্যি আকাশের দিকে তাকালে আমার মাথা ঘুরলেও আমি আকাশে তাকাই। কিন্তু মেঘ দেখতে ভালোবাসি বলে আমি বারবার আকাশে তাকাই বিষয়টা জীবনবাবুর মৃত্যুর মতই বানোয়াট। পোশাকহীন মাছেরাতো কেবোল পুকুরেই সাঁতার কাটে, তাইনা।

২২/১১/১৬

মেঘের ক্লিভেজ দেখে স্পষ্ট আওয়াজে জিভ টানা সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের সাথে পার্থক্যটা মূলত যোণী আক্রান্ত সময়ে জরায়ু খোঁজার।

কারন মেঘের ক্লিভেজে আমি টুপটাপ বৃষ্টি দেখি,
ব্যাস আর কিছুনা।
পৃথিবীর
সকল অপদার্থ জ্ঞানী, অসাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজ বুদ্ধিজীবী,
গবেষণাপ্রেমিক কবি,
বিপ্লব নামক সেইভ প্যাসেজে পালিয়ে
যাওয়া গণতন্ত্রের সস্তা বেশ্যা,
তোমাদের বলছি-
গভীর কুয়াশায়
সকল নষ্ট লাল সালুতে
পচে যাওয়া দুর্বোধ্যতায় একদিন, আমি- আমি সাম্প্রদায়িক,
ভীষণ সাম্প্রদায়িক প্রেমিক
আমি একটা ঘুম
একটা সহজ ঘুমকে তোমার পাশে শুইয়ে দিয়ে,
তোমাদের বিবাহবহির্ভূত
নিম্নবাসের খোলা দরোজায় একটা লরি,
একটা নিরোধে মোড়ান লরি আচমকা ব্রেকে থামিয়ে দিয়ে
কারফিউ
ঘুম দিয়ে যাবো চোখে।

সকল অহিংস আন্দোলন মূলত শুরু হয়
হিংসাত্মক বুক থেকেই,
আর তাই ঘুম দিয়ে নাকে মুখে,
স্তন্যপায়ী তোমাদের এতসব জ্ঞান নামক দ্বিধাকরণের পাঠ্যবই বন্ধ করে,
নিষিদ্ধ করে দেবো রোটি-কাপড়া-মাকানের
আঙুলবাজি।

আসলে উপাসনালয়ের পাশে থাকা বেশ্যা পাড়া থেকে,
বেশ্যাপাড়ার পাশে থাকা উপাসনালয় আমার-
ঘুমের মতই আকাঙ্ক্ষিত গন্তব্য এক।

নিস্তেজ শব্দবাহী শিশ্ন
তোমাদের ঘুমিয়ে গ্যাছে মরিয়মের বৃন্দাবনে, এবার তো দাড়াও তুমি!

চুপ শালা,
বলে –
ভারবাহী আলোচনা থামিয়ে একটা কবিতাতো লিখতে পারো
এবার!

ঘুম, এক ঘিঞ্জি বস্তি বুকের ভেতর। একটু শশ্মাণমূখি হলেই পতাকায় খুঁজতে থাকো লাল আর সবুজ।

সুতপা বলেছিলো আমার সমস্ত অনুভূতি নাকি দাঁতে।

আমি বলেছিলাম ব্লাউজের বোতাম খুলতেই মেঘ, একরাশ স্তুপকৃত মেঘ।

খুলে –

একদিন,
হাট কোরে খুলে রাখা হৃদয়ের দরোজা বন্ধ করে—

“প্রেমিক এত সস্তা এবং সহজলভ্য নয়।” ঝুলিয়ে দিব্যি হেঁটে যেতে শিখে যাবো মেয়ে।

মৃত্যুদৃশ্য

ন্ধকার অডিটোরিয়াম সদৃশ্য হাতের রেখায় আঁকা আমার জীবনে
মৃত্যু প্রত্যক্ষ করতে পারবো
এ আশাটা দুঃসাহসেরই নামান্তর হয়তো,
সবাই মৃত্যুর দিকেই ধাবিত হয়
অথচ স্বচক্ষে দেখে যেতে পারেনা
টানটান ম্যাটিনি শো’র আদলে মৃত্যুদৃশ্য,
ঠিক যেভাবে দেখতে পারে জন্মান্তর কতো শত।
নিজ মৃত্যুদৃশ্যটি পর্দায় দেখতে পাবো বলে
আমি ঘুমাচ্ছিনা,
জেগে থাকছি বছরের পর বছর।
দেখে যাচ্ছি রাতের অন্ধকারে 
প্রতিটি দৃশ্যমান জামগাছ, 
দেখছি নৈশপ্রহরীর কাম,
কুকুরের দু’পায়ের ফাঁকে সুকৌশলে
লুকিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধী,
দেখছি অন্ধকার মানেই জন্ম,
আলোর জাদুঘরে প্রত্নতাত্ত্বিক মিথ্যা,
দেখছি আর ভাবছি নিজ মৃত্যুদৃশ্য দেখতে পাবো হয়তো!
এ দাহ্য জীবনে সে দুরাশা হয়ত করছিনা।
অথচ সবাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে
অথচ মৃত্যু দেখতে পায়না

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...