ষ্ট্রেইটকাট ছুরি চালিয়ে দিলে সোজা হৃদপিন্ডের মানচিত্রে,
শোক নিয়ে তাই নিহতের বুকের ভুমিতে করে যাই নিষিদ্ধ গোলাপের চাষ!
কিংকর্তব্যবিমূঢ় শোকাবহ আকাশ,
শোকাহত চোখ তাকিয়ে শোকার্ত প্রজাপতির বসে থাকা দ্যাখে!
অথচ,খুব বেশী আগের কথা নয়,
ব্যাকরণগত ভাবে কন্টিনিউয়াস টেন্স
বলে দিতে পারি অবলীলায়!
তুমি বলেছিলে প্রেসক্লাব এর রাস্তায়
"আমাদের ভালোবাসার জন্য আকাশটাই বড্ড ছোট হয়ে যায়।"
অথচ,
মেঘের মেয়ে,
তোমার ঘরময় শো-অফের শো-কেসে বন্দী ফড়িং এর দল;প্রেমিকের মৃত্যুতে শোকাগ্নি বুকে নিয়ে মরে প'ড়ে আছে।
অথচ
এই কবিতা লেখার কথা ছিলোনা আমার,
অবহেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম,উচ্ছিষ্টের ছিটমহল,
বিদ্রুপাত্মক নোনা দেয়ালে হাতড়ে স্বপ্ন তুলে আনার কোনো ২ সালা সরকারী কর্মযজ্ঞে যাওয়ার কথা ছিলোনা আমার!
অথচ,
দ্যাখো যে প্রশ্নে গলায় তীব্র বিরক্তি এনে উত্তর দিতে আমায়,
সেই "ভাত খেয়েছো" প্রশ্নটাই আজকাল করেনা কেউ,
কেউ না খেয়ে বসে থাকেনা,
তোমার অনাহারে!
কেউ আজকাল এক রুমাল বুকবন্দী করে দু-ঘন্টা বৃষ্টি ভিজে,তোমার ড্রয়িংরুমটাকে ছোট্ট নদী করে বোকা
হাসিতে তোমায় দ্যাখেনা।
অথচ,
দ্যাখো
সব পেয়ে গ্যাছো কেবল ভালোবাসা হারিয়ে,
অথচ,
জানো,তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে লাল রংটায়আর রক্ত হয়না, ভালোবাসা মানে হয়নি আর প্রজাপতি গুহা.....
বেচে থাকার প্রতিশব্দ হয়ে উঠছে জীবিত,
আর শুয়ে থাকাটাই হয়ে গ্যাছে ঘুম!
বাক্যের পর বাক্য লিখে যাচ্ছি,
সহজাত কান্ডে দ্যাখেও দ্যাখছো না কিছুই।
এড়িয়ে যাচ্ছো গনতান্ত্রিক সরকারের স্বেচ্ছাচারী নীতি বহির্ভুত আচরন হয়ে,তোমার চোখের সম্প্রচার কেন্দ্রে ঝুলিয়ে রেখেছো -
"অনিবার্য কারন বশত অজ্ঞাত সময় ব্যাপি প্রচার বিঘ্নতা ঘটায় কর্তৃপক্ষ আন্তরিক ভাবে দুঃখিত!"