Search This Blog

Wednesday, September 23, 2015

একটি খুন

হিসেবটা জানা নেই,আমি দক্ষ্য কোনো একাউন্টেন্ট নই। তবে রাতজাগা ভোর আর মসজিদের আজান হয়ত হিসেব রেখে দিয়েছে।আগে ভোর থেকে সকাল হউক তারপর না হয় মুঠোফোন এর মাউথ অর্গানে জানিয়ে দেবো।

লোকমুখে শুনেছি ভালো আছো তুমি।কেউ কেউ আগ বাড়িয়ে বিপ্লবী হয়ে জানায় তুমি অনেক উচ্চাবিলাসী অসুস্থ্য। হা হা হা হা হা।........
১১.০২.১৫----

মুকিতের ডায়েরি থেকে আর কিছু পায়না পুলিশ।গতরাতে একটা মেয়ে খুন হয়েছে বনশ্রীতে।পাশেই ছিলো ডায়েরিটা।
নাম লেখা মুকিত রায়হান।

১৭ই সেপ্টেম্বর টা এমন

আমার কপালের ঘাম মুছে দেওয়ার জন্য
কাছে এলে, একদম কাছে। যেখান থেকে তোমার নিঃশ্বাস ডানা ঝাপটে বারি খাচ্ছিলো নাকে-কানে-মুখে আমার..

যেখান থেকে
নিঃশ্বাসের উত্তপ্ততায় গলে যাচ্ছিলোএন্টার্কটিকার জমাট বরফ।
আমি আমার কম্পিত হাত দিয়ে তোমাকে আলিঙ্গন করলাম, কাছে টানলাম,বুকের কাছে। অনিচ্ছেগুলোকে মেঝেতে ফেলে
দিয়ে নিজের হাত আমার ঘাড়ে
রাখলে।ঠোটে বিখ্যাত হাসি তাইতো তর্জনী উচিয়ে থামালাম
ব্যস্তবাগীশ শহর।

প্রথমে আকাশ,তারপর আমি তোমার
মুখের দিকে তাকালাম, চোখে চোখ
রাখলাম। সত্যি কি তুমি ফিরেছো?
হ্যাঁ, তোমার চোখের ভাষা পড়তে
পারছি।চোখের পাতা কাঁপছে না, সেখানে
কিছু একটা আছে, কিছু একটা জমে আছে
জ্বরাক্রান্ত লালচোখ নিয়ে,পাশাপাশি শুয়ে
এক প্রচন্ড আহ্বান, এক প্রজাপতিগুহায়
গুমরে কাদা বহুদিনের আকাঙ্খা।

এই ভাষা,তোমার চোখের ভাষা আমার চেনা আছে, এর অর্থই তো কেবল আমি বুঝি।শান্ত স্তব্ধতায় কে কার দিকে প্রথম এগোলাম মনে নেই তবে দুটো ঠোঁট একটু পরেই একসাথে হলো। তোমার লিপস্টিকের স্বাদ পেলাম,সেই চীরচেনা ঠোটের তীব্র স্পর্শ পেলাম।দু-জোড়া চোখ বুজে আসে,আদরের জ্বরে।
আমি কিন্তু শুনতে পাচ্ছি ঈশ্বর বিদ্যুৎ
খেলছেন আকাশের গায়ে,পৃথিবীটা
আমার ছায়ায় অথবা শরীরে লেপ্টে
থাকা বহুবছরের অনাহারী,
ক্ষুধার্তের,অপেক্ষার তকমা ঝেড়ে
ফেলে দিলো ২০১৫ এর
টোকেনে,তোমার তীব্র
ভালোবাসার রোদ-বৃষ্টিতে.........
আমি আজ কোথাও যাবোনা,তোমায়
কোলে মাথা রেখে লিখবো
ভালোবাসার একমাত্র জয়ী হওয়া
উপন্যাস"তোমায় ভালোবাসি..""

এক...একা

গাঢ় হয়ে আসে আমার এখানে
সন্ধ্যেটা,
বিকেলের ফাক গলে,গ্রীকপুরাণ
অথবা রোমান সভ্যতার বিদায়ী সুর
রোমন্থনে বুকে নির্জলা অন্ধকার
নিয়ে ফিরে আসি ফিরে।
এক----- একা ---- স্মৃতির
ভীড়ে.....একা.....অবশেষে....
ফ্রয়েডিয় অবসাদে!

শিয়রে শুয়োরাধীকার


পত্রিকার পাতা খুলতেই "শুয়োর
সংরক্ষন নীতিমালা।"
জনপদ আজ দ্বিতল গনতন্ত্রে উপভোগ্য
"শুয়োরাধীকার বিল১৫" নাটিকা দ্যাখায় ব্যাস্ত!

পদ্মার জল আজ স্তুতিবাক্যের তেল
হয়েছে বলে তোমাদের সভ্যতার
মার্জিনটানা খাতা থেকে কিছু
শব্দ ছিটকে পড়তে পারে,আমারই মতন
বাইরে।

দুঃখিত,আমি।
শোকাহত,আমি।
বিরক্ত,আমি।
দাও,দাওতো বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষনা
করে।
উপলক্ষ্যতো হাতের মুঠোয়!
প্রশ্নপত্র ফাস ব্যতিরেকে জাতির
মেধা মননশীল হয়না!
৮টার সরকারি সংবাদ --- হেডলাইনঃ
"শুয়োরাধীকার আইন পাশ!
বেশ্যাবৃত্তি জাতীয় পেশা

প্লিইজ,
আমি রক্তাক্ত প্রান্তর চাই,পাপমোচন
করবো।
প্লিইজ,
এক বিপ্লব চাই,
বেহায়া ঈশ্বরের বিরুদ্ধে!
পশ্চিমা আর মধ্যপ্রাচ্যীয় ধর্মগুরুর
বিরুদ্ধে!
এক চিলতে রোদে মায়ের কোলে
ঘুমাবো বলে।

এত উদ্ধত, এত বেয়ারা কে এই আমি?
আমি কি জানিনা মানচিত্রে ৫৭ ভাই!
শোনো
আমি,

আমি আজারবাইজানের সেই শিশু,
যে হাত তুলে নিয়েছে খাবেনা
বলে,ঠোট কামড়ে আকাশে তাকিয়ে
নিস্তব্ধ ছোট্ট কোলে নিয়ে বোনের
লাশ।
আমি বায়তুল মুক্কাদাসের পাশে
রক্তাক্ত কিশোর,প্রানহীন।
দামেস্কে মায়ের বুকে আছড়ে পড়া
বুলেট ঠেকিয়ে,
মায়ের কোলেই শুয়ে থাকা ছিন্নভিন্ন
তরুন।
আমি,
প্রেয়সীর ঠোটে একচিলতে ভরসা একে
দিয়ে হাংগেরীর সীমান্তবর্তী
কাটাতারে ঝুলে থাকা নিঃসংগ
যুবক!
আমি,
সেই ৭১ এ ঈশ্বরের ক্ষমতাহীন ক্ষমতা
দ্যাখবোনা বলে,
মেয়ের ব্যবচ্ছেদকৃত ধর্ষিত লাশের
কপালে আংগুল ছুয়ে,নিজেকে সমুদ্রের
শব্দ থেকে দুরে,অনেক দুরে নিয়ে
যাওয়া বুড়ো সংশপ্তক!

তোমাদের টাকার অহংকার,
তোমাদের সভ্য সমাজে অসভ্য ক্ষমতার
গাছ এখনও লাগানো শেষ হয়নি।

তোমরা জানো কি মানচিত্রে আজ
কতটা শোক?
কতটা বেড়েছে লাশে প্রবৃদ্ধির হার?
এড়িয়ে যাচ্ছো, নাকে রুমাল চেপে।
এড়িয়ে যাচ্ছো, পৃষ্ঠা উলটে,
এড়িয়ে যাচ্ছো, সভ্যতা এড়াতেই
কেবল শিখিয়েছে।
ভালো থাকো তোমরা,
সাবানে,লোবানে ধোয়া-মোছা
তোমাদের সভ্য সকালের হাইজেনিক
রোদে।
# sM !

Saturday, September 12, 2015

মেঘ না হয় এলোই।

লাল-নীলের নোটিশবোর্ড কুয়াশাগ্রস্ত হয়ে
বুকের ভেতর রাত নামায় কখনও বেখেয়ালি সন্ধ্যার ঠোটে নষ্টালজিক দীর্ঘতর চুমু একে।
কখনও মেঘেরবাড়ি কতদুর? প্রশ্নে,
হবে কোনও এক নিষিদ্ধ করিডোরে! উত্তরে।

বাম বুকপকেটের দাসত্বে রাজত্ব করা ভালোবাসায় যা কিছু হারিয়েছে,
তা ফিরে আসার ঈংগিতবাহী সম্ভাবনা
নিয়েই হারিয়েছে।
আর যা হারায়নি ইচ্ছের কোলে তা খুজে পাচ্ছিনা কোথাও?
এ এক অদ্ভুত দুপুরে হ্যালুশিনেশন আমার!

লু-হাওয়া বইতে থাকা অপেক্ষায় উদভ্রান্ত
শহরে,সমুদ্র হঠাৎ হঠাৎ কিছু "আত্মহত্যা"
পাঠায়।
এক তরুন সযত্নে রি-ফর্ম করে তা কাঠগোলাপে ধরে রাখে।
নষ্ট হয়না,পচে যায়না।
শহরের বিগতদিনের গল্পে উকি দেয়া
বিকেলের একচিলতে সোনা রোদে
প্রেমিকার খোঁপায় নীল বর্নের ইচ্ছে হয়ে কেবলই  ঊড়ে।
ঠোটের চলতি ধারাবিবরণীতে সুখ হয়ে ভাসে আদরের রিকশায়।

আর ছন্দপতনের বর্তমানে,
সম্ভাবনাময় সংসারে কথা ছিনতাই হয়ে যায়।
অথর্ব ষড়যন্ত্রের ভোতা ছুরিতে ছুরিকাহত প্রেমিক বেপোরোয়া ঈশ্বর হয়,
হয় অবাঞ্চিত নাগরিক নিজ শহরে।
পেপে গাছটার সবুজ পাতার ব্যাকসিটে কালোধোয়ার খেলায়।

শহর সীমান্তের বাইরে একদিন শেষরাতের পানশালায় মশালের আলো দ্যাখা যায়,
নিভে যাওয়া সিগারেট হাতে কেউ দুর থেকে দ্যাখে শহরজুড়ে লাল পিপড়ের মচ্ছব,
মিছিলে মিছিলে অপাংক্তেয় শ্লোগান,
ব্যানারে সাঁটানো নতুন পাঠ্যসূচী।
খেয়ে নিয়ে সুর্যোদয়ের প্রহর।

নতুন সামাজিক চক্রান্তে উদ্ধ্যত শকুন আশাবাদী দেয়ালে লিখে দিতে চায়
"কেউ কথা রাখেনি" অথচ এটা ইতিহাসের নোংরা মিথ্যা!
এইতো,ছাদে বৃষ্টি ভেজা বৃদ্ধ চারপেয়ে চেয়ার কথা রেখে এখনও দাড়িয়ে ঠায়।
কথা রাখতে এখন মনখারাপের দিন রাতে বৃষ্টিতে ডুবে যায় পাপের জনপদ!

এভাবেই হয়ত শেষ হতো,কিন্তু পান্ডুলিপির রচয়িতা তো "মহান ঈশ্বর".....
ক্লান্তির শেষসময়ে অবশেষে দ্যাখা মিললো,
দ্যাখা হলো শেষমেশ,শব্দটার সাথে।
ভালোবাসার বিছানায় অত্যধিক কম সংখ্যক গ্রামের বিশ্বাস পাশ কাটিয়ে,
শহর বোঝাই "আন-ইথিকাল" কামের ঘামে
নেশাতুর গনিতের ১+১=৩ ভুল ব্যাখ্যার জবুথুবু ডাষ্টবিনের উপরে সোডিয়াম হয়ে ঝুলছে,দ্যাখো যে শব্দের জন্য এত রক্তক্ষয়। সেই "পরাস্ত....!"

Thursday, September 10, 2015

দেবী

আমি ছুতে পারিনা,তোমাকে।
তোমার তোমাকে ছুতে পারিনা প্রায় তিনজন্ম হলো।
তোমার তোমাকে স্পর্শ করিনা প্রায় তিনজন্ম হলো।

আমি তোমার তোমাকে,
আমার তোমাকে,
আমার জন্ম-মৃত্যু-বিস্তারের তোমাকে আমার ঠোটে,
হ্যা হ্যা হ্যা সহ্যাতীত হ্যা তে,
আমার ঠোট দিয়ে,
চোখ দিয়ে ছুতে চাই।
স্পর্শ করতে চাই আমার অস্তিত্বের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে!

আমি এই জন্মে একবার কেবল একবার ছুতে চাই,
একবার স্পর্শ করতে চাই তোমায়।

অচ্ছ্যুত আমি এ নাগরিক দেয়ালে ছুয়ে দিতে চাই তোমায়,দেবী।

আজ এই বক্ররৈখিক ভিজে যাওয়া আমার শরীরে এক সূর্যোদয় প্রচন্ড প্রয়োজন।
অগনিত সূর্যাস্তে আমি ক্লান্ত।
গত সূর্যাস্তে পুরাতন পুত পবিত্র মৃত্যু কোমড় আকড়ে আমার ;লিখেছিলো নতুন কবিতা।

সেই অজস্র পুরাতন শব্দে।
তিনটে চিঠির আড়াইটা চিঠি ঈশ্বর বরাবর লিখা,পৌছে গ্যাছে।
বাকি আদ্ধেক পড়ে আছে বুকপকেটের নীল খামে।
সব নিংরে দিলে আমার হাতে থাকবে কি?

দেবী কিছু বাকি থাক!
কিছু হয়ে থাক জুতোর ফিতে,
পায়ের নীচে হয়ে থাক পচে যাওয়া দুধভাত!
আমি আমার তোমাকে ছুতে চাই।
আমি তোমার তোমাকে স্পর্শ করতে চাই।
ছোট বেলার চার বন্ধুর উজান বাওয়া ছবিতে ফ্রেমহীন আমি,
নষ্ট ভ্রষ্ট বিলবোর্ড বিপ্লববাদ মাড়িয়ে
একবার কেবল একবার তিনজন্মের অভিশাপের শাপগ্রস্ত লাল রুমালের
জমিন থেকে এজন্মে মুক্তি চাই।

ক্ষনজন্মা আমার ভালোবাসার আজন্ম পাপ থেকে বেজন্মাদের মৃত্যু চাই,দেবী।
বেজন্মাদের মৃত্যু চাই।

ব্যাক্তিগত ব্যবহার নিষিদ্ধ

তুমি আমার বুকের শহরের কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ ছিলে কিনা জানিনা, তবে বানিজ্যিক রাজধানী ছিলেনা এটা নিশ্চিত।

কখনওই ছিলোনা তোমার সাথে ভালোবাসা বহির্ভূত যৌণজীবন! ছিলো কেবলই চিলেকোঠার এক ঘর।
ছিলাম আমি, ব্যাচেলর্স রেসিপিতে। ছিলাম দু:খ-সুখের রিলে রেসে।
শেষ বিকেলে আকাশে কবিতার গাংচিল হয়ে উড়াউড়ি, শুন্যতায়।
বুকের আঠারো গ্রামে চলছিলো নিরবচ্ছিন্ন করাতকল।
ছিলাম আংগুলের উপাসনায়।
আমার রৌদ্র জলে উঠতো প্রবল মরিচীকা ঢেউ।
ঠোট দিয়ে লিখতাম শব্দ-বর্ন-অক্ষর-কবিতা তোমার দৃঢ় নাভীমুলে।

এভাবেই সময়-অসময়ে শরীরে আসতো ঘুমের ঘ্রাণ।
আসতো সুখহীন এক সুখের সাথেই হঠাৎ পাহাড় হওয়া মেঘের গল্পটা।
চলছিলো,বেশ ভালোই চলছিলো তুমিময়তার তুমিহীন সময়।

একদিন, কনফেশনের বক্সে অজানা অপেক্ষায় সন্ধ্যা নামার পরপরই নিয়ন আলোর শহরে দাবা খেলতে বসেন "ঈশ্বর "
খেলতে বসেই,স্মৃতি ভাংগা দেরাজ থেকে বের করে আনলেন কমলা টি-শার্ট, তোমার নেইলপলিশ,লিপষ্টিক,ভ্রু প্লাক করার নাটাই সুতো।
অব্যবহৃত ন্যাপথালিন আর অতিব্যবহৃত পারফিউম।
এককোনে ছিলো ভাজা পোড়া করা দেহের এক চিঠি।
চিঠি থেকে বের করে আনলেন এক ছোট্ট পরী অথবা প্রজাপতি আর একটা "আমরা"...
আমরা থেকে বের করে আনলেন "তুমি"...
অথচ আমরা চিঠির সড়কে একসাথেই হাটছিলাম।
তখন রাত পৌনে দুই ছিলো,
আমায় শুইয়ে দিয়ে, পা দিয়ে মাড়িয়ে হেটে গেলে ভালোবাসার গণকবরের একমাত্র "জীবনমৃত" আমার উপর দিয়েই!

তখন তুমি হয়ে উঠলে "ত্রাণ সুন্দরি ",হয়ে উঠলে বৈশ্বিক সাহায্যকারী সংস্থা।
লিখে নিলে তোমার বর্নমালার শরীরে -
"ব্যক্তিগত ব্যবহার নিষিদ্ধ"

মা এবং

জন্মেই পাইনি স্পর্শ, জন্মেই দ্যাখেছিলাম
চারপাশে শুন্যতার গহীন বন।

কেউ নেই কোথাও?
কেবল আমি ও মা একা,পাশাপাশি শুয়ে।
তাই জন্মেই জেনে গ্যাছি আমি "একা"শব্দের মানে!
জেনে গ্যাছি প্রতিশব্দ।
জেনে গ্যাছি আমার একমাত্র আত্মিয় "একা।"
তাই একা একাই করি একা শব্দের
হাহাকারে একাকার শ্লোগানের একা মিছিল!

কখনো একা চাঁদ, কখনোবা একা সুর্য সংগ দেয় একা রাজপথে কোনো একাকী দুপুর-বিকেল কিংবা মধ্যরাতে।
আর এক আকাশে একা একাই উড়ে যায় এক শকুন এক ভালোবাসার মৃতদেহ খুবলে খাবে বলে!

আমি যে সাতার জানিনা

গ্যালাক্সি থেকে টুপ করে দু-পেগ লার্জ ভদকা,
এক ফালি করে লেবুর কোয়ার তেতো,
চার খন্ড তেকোনা বরফ,
আছড়ে পড়ে তোমার বিলবোর্ড নাগরিক সভ্যতায়,
আর
বড্ড সস্তায় মাতাল হয় নগরী!

মেয়ে তুমি পৃষ্ঠা বদলাও....
আজ ডানকাত বদলে উপুর হয়ে শোওয়া প্রাকটিস করছো তুমি,ভুলে গিয়ে....হ্যা,সেই জ্যাক দ্য রিপারের গল্প!
হ্যা ভুলেই গ্যাছো আদুরে তুমি আমার বুকে কিভাবে শুয়ে থাকতে!
মহান গল্প শোনো তারচেয়ে,
হতভম্ব হঠকারিতার ২৯ এর রেস্ট্রিক্টেড গল্প।

ধুসস.....
শহরে আজ কবিতারা অবাধ্য শিকার,
শব্দ খোজা ক্লিভেজ পয়েন্ট কিংবা ক্লীটোরিয়াস জোনে!
স্বপ্নগুলো সারি সারি দাড়িয়ে সেমিকোলনের পরের লাইন খোঁজে!
অপেক্ষার গিলোটিনে ঝুলে থাকা "কমা"
বুকের খাদে গলার কাছটায় ঢোক গিলতে থাকা ভালোবাসা,
সব স অ ব হয়ে যায়,
আরব্যোপন্যাস এক হাজার এক রাতের।
আমার সাথে, জেগে থাকা রক্তাক্ত প্রান্তর
আমার সাথে চাদের চড়কা বুড়ির রোজ রাতে হয় কথোপকথন!
মেয়ে এসব অবাস্তব বাক্যখেলায় কি হবে?

তারচেয়ে বরং এক পৃষ্ঠা বদলের গল্প শোনো!
দারিদ্রসীমার উপরে,কিঞ্চিত ভালোবাসার মাতলামো
দ্যাখো।
বিরক্ত হলে জানিয়ো,
আমি বন্ধ করে দেবো কল,
সমুদ্র হয়ে যাচ্ছে চোখের জলে,
আমারতো তোমার নিরাপদ বলয়ে
স্মৃতিকাতর স্মৃতিসৌধ হবার কথা,
এভাবে অবিরত বৃষ্টিতে ভেসে যাবে যে সব!
নদী বা সমুদ্র হলে যে মৃত আমি আবার মারা পড়বো!
"আমি যে সাতার জানিনা! "

Wednesday, September 9, 2015

রিলিজ স্লিপ

একটা রাত প্রশ্নবোধক ডেথ রিলিজ স্লিপে 

রিলিজড মৃত্যু লিখে আনে।


হাসপাতাল থিয়েটারে কাহিনী চিত্রে ডুবে যাওয়া ধ্যানমগ্ন দর্শক


বিরক্তিতে মাঝবিরতীর আগেই ঠেলে বের করে দেয়া হয় 

বেওয়ারিশ
লাশ।

মর্গে জায়গা খুব কম, আকাশটা জন্মান্ধ;নীল!


গোটা পৃথিবীটাই ঝুলে যাওয়া দুপুর, ভালোবাসার বারান্দায়!

রুপন্তী

তোমায় ছুয়ে দিতে না পারার
ব্যর্থতায় আমি বলছি"আমার হাত দুটো কেটে নাও,আমি আর লিখছিনা তোমায়। কোনো কবিতায়,কখনোই। ইনফ্যাক্ট, আর লিখবো না শরীর মিছিলে ভালোবাসার দ্রোহ।"

রুপন্তী, হ্যা তোমাকেই

রুপন্তী,
কাকটা উড়ছে ক্যানো,আমিতো
যাবোনা কোথাও?
আমিতো তিলে তিলে ডুবে যাচ্ছি এক মাল্টিস্টোরেড অন্ধকারে।
সন্ধ্যের গাঢ়তে তোমার আংগুল ছুয়ে
অপরাজিতা না দ্যাখতে পারার
ব্যর্থতায়, নিদারুন অক্ষমতায়!
ডুবে যাই বীষে,নীলকন্ঠ হই প্রতিরাতে।

রুপন্তী,
আমি বোকা ছিলাম,প্রচন্ড বোকা।
তাই শুধু তোমাতেই নিমগ্নতা আমার, নিঃশব্দতার চিৎকার বুকে
চেপে চেপে হেটে যাওয়া আমাদের
পদচিহ্ন প'ড়া জনপদের ঠোটে।

রুপন্তী,
আমি আমাদের সময়টাকে আটকে
রেখেছি ২৯শে জুন,১৩ তেই।
পাশ দিয়ে বয়ে গ্যাছে কতগুলো দিন।
ছুইনি,স্পর্শ করিনি,হেটে গ্যাছি জীবিত থাকার প্রয়োজনে।
মাঝে মাঝে দ্যাখে এসেছি তোমার অফিস,তোমার ফিল্ড,বাড়ির পাশে তোমার সেই ৩০০ ফিটের রাস্তা।
সংস্কার কাজ চালানোর পর কাদা জমেনা আর,তাইনা!
তোমার ছাদটাকে মাঝেমধ্যে  অনেক দুরের এক ছাদ হয়ে দ্যাখি।

রুপন্তী,
বিষন্ন হবোনা আমি,
এ এক ভুল প্রতিশ্রুতি।
ভালোবাসা তো ইচ্ছাধীন স্বৈরতন্ত্র ছিলোনা,কোনোদিন।
ভালোবাসা সে'তো ৩১ নং রোডে থেমে,
পা'য়ের পাতা থেকে স্পর্শ এলিভেটর এক;কপাল পর্যন্ত।

রুপন্তী,
হারানো প্রাপ্তিতে আঁজলা ভরা জল
আর আকাশের ডানপিটে নীলটাই
চিরন্তন। তুমিহীন অন্ধকারে নাবালক
একাকীত্বের ছায়া বড় হচ্ছে, বুক থেকে
বের হওয়া "হা হ" শব্দতে উড়ে গিয়ে তুচ্ছ হচ্ছে পৃথিবী।

রুপন্তী,
ও'রে বা'পস!
দ্যাখো,চেয়ে দ্যাখো!
ক্লান্ত শব্দ শরীর মিলে মিলে একাকী কবিতা হয়ে উঠেছে, শিরোনামহীন!
ঢাকা-১২১৯.....

মাতাল

আমি মাতাল ছিলাম এক,জীবনের মতন বেহেড মাতাল।

যেতে হলে যাও

আমি জানি,আমার আকাশে প্রতিক্ষিত মেঘ জমেনি কখনো।
আমি শুনেছি,তুমি আমায় ভালোবাসোনা।
তুমি বলেছ,তোমার আমার ভালোবাসার সময়গুলো স্রেফ বাদামের প'রে থাকা খোসা!

যেতে হলে একবারে যাও,
এই একটু যাওয়া,
একটু আসা,
সামাজিক যোগাযোগ এর দরজায়
একটু প্রাইভেসি শিথিল ;বাদ দাও।

যদি যাও,তবে ভালো করেই যাও।
অপেক্ষায় কাটলো দ্বিগুণ সময়,ভালোবাসার।
শুয়ে থাকলাম রাতের বুকে।
চেয়ে থাকলাম ফোনের লিথিয়াম পর্দায়!
ম্যাসেজ আসলেও তোমারই মনে হত।

অস্থিরতায় কেটেছে,
বেদনায় কেটেছে,
অপমান আর গ্লানিতে ভেসেছে বুড়িগঙ্গা।
কষ্টে আমার সুনীল জলরাশি হয়েছে কালো।

শুনেছি আমি তুমি বলেছো সৃষ্টির সবচাইতে কুতসিত চেহারার আমাকে করুনা করেই মিশেছো।
শুনেছি আমি,বলেছো তুমি এই প্রাচীন হাপড়ের যাঁতাকল টেনে নেয়া কালো ঠোটটায় ঠোট রেখেছো বলে নিজেকে ঘৃনা করো তুমি।

তুমি যা বলোনি আমায়; তাও শুনেছি তোমার বন্ধুদের কল্যানে,
ইথারের উদারতায়।

যেতে হলে যাও,
যাবে যদি যাও,
যাবার বেলায় ক্যানো পায়ের তলা থেকে অবশিষ্ট মাটি টেনে নেয়া।
ক্যানো অপেক্ষার গাছ হয়ে আমার দাড়িয়ে থাকা।

তুমি যদি যাও,
তবে যে জানলার পাশে কেটেছে আমার ৭১৭ রাত;নির্ঘুম।
সেখানটাতেই একটু ঘুমুবো।
একটু গা ধুয়ে স্মৃতির মাদুরে লিখবো
অবশিষ্ট নিঃশ্বাসের মৃত্যু উপাখ্যান।

যেতে হলে দরজাটা ভিড়িয়ে দিয়ে যেও।
আমি জানি,জানিতো।
তুমি ভালোবাসোনা আমায়,
ভালোবাসোনি একরত্তিও।
এবং এটাই সত্যি প্রস্থানের মতন!

Monday, September 7, 2015

দুই শুন্য এক তিন - তিন দুইঃঅবশেষে

শোকের ক্যারিকেচার আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহে লেখা ভাংগা কবিতা,ঝুলছিলো বত্রিশের এক মধ্যরাতে।যেখানে তেরছা আলোয় নাকের ডগায় ফুঁসছিলো উন্মত্ত নদী।

দুইহাজার তেরো,রৌদ্রপাতহীন এক সদ্য সকাল।যা ঘিরে ধরে ঠোটের কালো।প্রতিবেশি অনুভুতিগুলোর স্পষ্টতর দিকনির্দেশনায় - বিষাদ ঢেঁকুর তোলা কমলা টি-শার্ট এর সুতোয় সুতোয় কাটানো শীতকাল আর পেয়াজের ঝাঝে লাগামহীন বর্ষা।

একটা রক্তপাতহীন অস্ত্রোপচারে টিভি পর্দায় ঝি ঝি ভাবে সিনেমা।তিরিশের যুবতী শরীর সীমান্তরেখা ধরে ঘরে ঢুকে সম্মোহনী শব্দ। যার প্রভাবে চোখ জুড়ে ভালোবাসার;নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত।

যে যাই বলুক লোকটা কিন্তু ম্যাজিশিয়ান।গল্পে গল্পে বাসের ভীড় ঠেলে ঘাম জর্জর মধ্যবিত্তকে তপ্ত রোদে যতিচিহ্ন বেয়ে হাটতে হাটতে ইস্তফা দেয়ায় সকল দাসভিত্তিক সময় প্রজনন কেন্দ্রকে।এমনকি শহরের ছোট ঘরে লেখা কবিতায় ধারন করে সকলকে নিয়ে আসে ভালোবাসার অলৌকিক ছুড়িকাঘাতে নিহত প্রেমিকের এপিটাফে,দৃষ্টি বিভ্রম এড়াতে চোখ মুছে পড়ানো হয় সেই এপিটাফ ---

"বাজ পড়ে পু'ড়ে যাওয়া অবহেলিত বুকের দরজা হা'ট করে খুলে রেখে ইদানিংকালের হাসি দ্যাখতে  চেয়েছিলাম।কিন্তু উপর্যুপরি ব্যর্থতায় বৃষ্টির হাত ধরে আসা ক্যালেন্ডারের বড় কালো অক্ষর গুলো সন্ত্রাস কবলিত অঞ্চল আখ্যা দিয়ে,হৃদয়টাকে বিচ্ছিনতাবাদী সংগঠন বলে খোলা দরজা পেয়ে নিঃশ্বাস নিয়ে পালালো।"

এতটুকু লিখে মিস ফাতেমা ২০ বছর পেছনে যান।খাতা বন্ধ করে মধ্যরাতের বাতাস গায়ে মাখাতে মাখাতে অদ্ভুত নির্জনতায় ক্যালেন্ডার মুখি হন।এক দীর্ঘশ্বাসে যেখানে উঠে আসে ভেজা,রক্তাভ সেপ্টেম্বর।
যা কখনো জন্ম উতসবে মুখর ছিলো অথচ এখন প্রেমিকের মৃত্যুশোকে নিথর!

তারিখবিহীন

তারিখবিহীন উচ্চারনে বলে দেয়া
ভালোবাসা নাটাইহীন ঘুড়ি তোমার আকাশে। তারাগুলোর বড্ড
তাড়াহুড়োয় মৃত্যু তে-মাথার আশটে
মাছের শরীরে। আমি বাম আর ডানের
গনমাধ্যম এড়িয়ে শীত কেটে শরত
লিখে দেই। কিন্তু প্রচ্ছন্ন ভাবে শীত
রয়ে যায় সেপ্টেম্বর এর লম্বা দাগে।
উপনিবেশিক প্রেম বর্নমালার খেলাপি হয়ে গ্রাস করে ভালোবাসা।

রাত শেষ হয়ে এলে নগর কর্তা
দ্যাখতে পান আধ খাওয়া সিগারেট,
এটো চায়ের কাপ আর আমার
বিছানায় ঠায় জেগে ঘুম পাড়ানি
গান।

সোনালী গাংচিল শুন্য আকাশে
আদরের খোঁজে, দুই অক্ষরের নাম মৃত্যু বরাবর!
দুই....

পবিত্র বৃহঃবারের কবিতা

ট্রেন আর প্লাটফরম এর দুরত্ব যখন কমে এসেছে,
ঠিক তখন রেডিও একটিভ
ধোয়া তুলে আনে এক একটি
অনুপ্রেরণার ভুল চিঠির ভুল তত্ত্ব।

একটি সিনেমা-মাত্রিক জীবনে মৃত্যু
পরে হয়েছে ঠিক ডেথ হবার।
দুটো শব্দ পাশাপাশি, প্রাচ্য আর
পাশ্চাত্যের মিলনে।

অতএব,
স্যার ইউ আর ডেড আফটার গিভিং দ্য সারকাজম!

আমি বিশ্বাস করি,যা দ্যাখি শুনি তা
সত্য নয়।
সব বিভ্রান্তিকর, এক ধরনের দৃশ্য
বিভ্রাট।
আমি জানি অতি উৎসাহ দ্যাখিয়ে
কেউ কেউ উন্নয়নের জোয়ার অথবা
মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মহানুভবতার কথাই
বলবেন।
কিন্তু,
আমি মুক্তিযুদ্ধকে মধ্যবিত্তের
আপোষহীন আবেগের লড়াই হিসেবে
দ্যাখি,যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাষন
অসার!

এড়িয়ে যাচ্ছেন---
ফালতু কথা বলে,নিচে নেমে যাচ্ছেন
এলিভেটর করে!
পারেনও বটে,আপনারা।

তাইতো সুধী,
৩০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েও শহরে পানি জমে,
লজ্জ্বার মাথা খেয়ে এক-একজন কবে
কোন শহর ডুবেছে সেই ফিরিস্তি
দেয়,
তখন আপনি বগল বাজিয়ে সময় নেন।
আর সিথির সিঁদুর মুছে যায়
নিরাপত্তার শিথিলতায়!

আমি বিশ্বাস করি আপনি পারবেন।
ব্যর্থ হলে দায়ভার নেবে বিশেষ মহল!

বিদ্যুৎ উতপাদনের আদ্ধেক ব্যবহার হয়,
তবে লোডশেডিং এর দায় চাপালেন
ভোক্তার উপর!
এই নতুন 'থিওরি অফ হাউ টু লাই' এর জনক আপনাকে ধন্যবাদ!
জায়েজ করলেন ৩০ পয়সা / ৫০ পয়সা বৃদ্ধির পরিসংখ্যানকে!
আচ্ছা শুনেছি দেশে ১৩০০০ নতুন
কোটিপতি তাও আপনার গোত্রের!

ধন্য হলাম,প্রীত হলাম যানযটের কারন খুজে পেয়ে!

তিনটে সিনেমায় মৃত্যু হয় কিন্তু ডেথ
সেটা আলাদা বস্তু!
সময়,মাঝখানের সময় নতুন গল্প দাড় করায়।
আর সেই সময়ে তৈরী হয় সেইভ
প্যাসেজ।
যেখানে আবেগের শ'বে কোলাহলরত
কাক-শকুনে ধর্ষণ করে বিশ্বাসী
ভালোবাসা!
সব শেষে আমিও ধুর্তদের মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে আমার ধর্ষন এর একমাত্র উপভোগ্য দর্শক হই,নিজেই!
সিনেমা হল জুড়ে পবিত্র
বৃহঃপতিবারের নেশাতুর সিটি বাজে
নোংরা বাজেটে।

বাদামের খোসা আর জন্মনিরোধে
আটকে থাকে ''উন্নয়ন নামক স্থির
চলচ্চিত্র"
অথবা
"জোড়া সাকোয় ডুবিয়ে দেয়া নাক"

অতঃপর আমি আবার জানলাম।
দুটো শব্দ পাশাপাশি কিন্তু এক নয়!
"সব কিছুতেই বড্ড বাড়াবাড়ি, শুকিয়ে
যাওয়া শব্দে কে কবে মনে রেখেছে
জলজ অভিমান"

মনোলগ ১০১

পরাজিত প্রশ্নগুলোতে অভ্রের কিছুই ভালো লাগেনা।
এবারকার বর্ষায় হাটু ভাংগা স্বপ্নে সবুজ মাড়ানো হলোনা।

দুর্বার্তায় ক্লাস টু তে থাকা জয়নাব জেনে গ্যালো জায়-নামাজ অসহায়,
বিত্তকাম রং ছটায় উজ্জ্বল প্যারিসের রাস্তায় ঘুণপোকা খেয়ে নেয় ওয়াই-১২ নুরজাহান রোড।

জন্ম-মৃত্যুর অপ্রকাশ্য জরীপে বুক থেকে অন্ধকারে উড়ে যায় নীল প্লেন,
মিসেস শারমিন কালো ছেড়া স্লিভলেস আর ঠুনকো মদের গ্লাস ভেবে ছুড়ে ফেলে দ্যান এক জীবন!

#sM!

ষ্ট্রেইটকাট ছুরি এবং কথকতায় মৃত্যু।

ষ্ট্রেইটকাট ছুরি চালিয়ে দিলে সোজা হৃদপিন্ডের মানচিত্রে,
শোক নিয়ে তাই নিহতের বুকের ভুমিতে করে যাই নিষিদ্ধ গোলাপের চাষ!

কিংকর্তব্যবিমূঢ় শোকাবহ আকাশ,
শোকাহত চোখ তাকিয়ে শোকার্ত প্রজাপতির বসে থাকা দ্যাখে!

অথচ,খুব বেশী আগের কথা নয়,
ব্যাকরণগত ভাবে কন্টিনিউয়াস টেন্স
বলে দিতে পারি অবলীলায়!

তুমি বলেছিলে প্রেসক্লাব এর রাস্তায়
"আমাদের ভালোবাসার জন্য আকাশটাই বড্ড ছোট হয়ে যায়।"

অথচ,
মেঘের মেয়ে,
তোমার ঘরময় শো-অফের শো-কেসে বন্দী ফড়িং এর দল;প্রেমিকের মৃত্যুতে শোকাগ্নি বুকে নিয়ে মরে প'ড়ে আছে।

অথচ
এই কবিতা লেখার কথা ছিলোনা আমার,
অবহেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম,উচ্ছিষ্টের ছিটমহল,
বিদ্রুপাত্মক নোনা দেয়ালে হাতড়ে স্বপ্ন তুলে আনার কোনো ২ সালা সরকারী কর্মযজ্ঞে যাওয়ার কথা ছিলোনা আমার!

অথচ,
দ্যাখো যে প্রশ্নে গলায় তীব্র বিরক্তি এনে উত্তর দিতে আমায়,
সেই "ভাত খেয়েছো" প্রশ্নটাই আজকাল করেনা কেউ,
কেউ না খেয়ে বসে থাকেনা,
তোমার অনাহারে!

কেউ আজকাল এক রুমাল বুকবন্দী করে দু-ঘন্টা বৃষ্টি ভিজে,তোমার ড্রয়িংরুমটাকে ছোট্ট নদী করে বোকা
হাসিতে তোমায় দ্যাখেনা।

অথচ,
দ্যাখো
সব পেয়ে গ্যাছো কেবল ভালোবাসা হারিয়ে,
অথচ,
জানো,তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে লাল রংটায়আর রক্ত হয়না, ভালোবাসা মানে হয়নি আর প্রজাপতি গুহা.....
বেচে থাকার প্রতিশব্দ হয়ে উঠছে জীবিত,
আর শুয়ে থাকাটাই হয়ে গ্যাছে ঘুম!

বাক্যের পর বাক্য লিখে যাচ্ছি,
সহজাত কান্ডে দ্যাখেও দ্যাখছো না কিছুই।
এড়িয়ে যাচ্ছো গনতান্ত্রিক সরকারের স্বেচ্ছাচারী নীতি বহির্ভুত আচরন হয়ে,তোমার চোখের সম্প্রচার কেন্দ্রে ঝুলিয়ে রেখেছো -

"অনিবার্য কারন বশত অজ্ঞাত সময় ব্যাপি প্রচার বিঘ্নতা ঘটায় কর্তৃপক্ষ আন্তরিক ভাবে দুঃখিত!"

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...