যাবজ্জীবনেরও তো একটা শেষ থাকে। আমার এই দণ্ডের কোনও শেষ নেই। সম্ভবত মৃত্যু ছাড়া এই
নির্বাসন থেকে মুক্তি নেই আমার।
প্রতিবেশি দেশটির দিকে উদাস
তাকিয়ে থাকি, সামনে কাঁটাতার।
মেঘ উড়ে যায় পশ্চিম থেকে পূবে।
মনে মনে তাকে ক ফোঁটা চোখের জল দিয়ে দিই, যেন কোনও এক
গোলপুকুরপাড়ের বাড়ির টিনের চালে
বৃষ্টি হয়ে ঝরে। পাখিরা পাখা মেলছে, পূবের দিকে যাচ্ছে। মানুষ হয়েছি বলে যত বাধা, তার চেয়ে পাখি হওয়াই হয়তো ভালো। কোনও সীমানা মানার দায় নেই। কোনও পাসপোর্ট ভিসার ঝামেলা নেই। নাগরিকত্বের বালাই নেই।তুমি আর তোমার অন্তরে নেই। তুমি অন্তর থেকে বাহিরে। তোমার এখন বাহিরে বাস। বাহিরে বসবাস।
কে যেন এরকম বলে যায় ঘুম আর জাগরণের মাঝখানে স্পর্শ করলে মিলিয়ে যাওয়া তুলোর মতো সময়টায়। যেখানে আমার জন্ম, আমার বড় হওয়া, যেখানে অন্তর আমার সেখান থেকে আচমকা
ছিটকে দূর দূরান্তে ভেসেছি। এখন
থিতু হতে বাংলায় ফিরেছি।
আমি তোমাতেই ফিরছি।----
----------- এক বিখ্যাত চিঠির অংশ বিশেষ।
No comments:
Post a Comment