Search This Blog

Sunday, September 6, 2015

ইরেকশন অথবা ইজাকুলেশন এর কবিতা


ছেঁড়া পালে কে কবে ভেতর থেকে
দরজা খুলে দিয়েছিলো তা
গতশতাব্দীর পাঠ্যসূচীতে জায়গা করে
নিয়েছে অনেককাল আগে।
শরতের কুকুর রোদে আততায়ী
ভালোবাসা;
পুলিশভ্যানের গভীরতা নিয়ে আসে।
মাঝে মধ্যে আসে আমাদের ঘুমের শিশুর
ভুলে ভরা ১৭ এর নামতা হয়ে।
আবার
মাঝে মধ্যেই সামরিক সান্ধ্যকালীন
কালো আইন হয়ে জলপাই রং মেখে
হাতরে কেড়ে নিতে আসে আমার
"প্রেসক্লাবের" "পরিবাগের" রাস্তায়
তোমার স্পর্শে বেচে বেচে ছাপা
হওয়া নিহতের শোকসভার
বিশেষ ক্রোড়পত্র!
এভাবে,
সাঁঝবাতি আর সোডিয়াম জন্ডিসে
বদলে যাচ্ছে মুখ,
একটানা অপেক্ষার ক্যান্সারে
প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে শরীরী
ভৌগলিকপদ্ধতি। উপরন্তু,
মাঝেমাঝেই অফসাইডের ফাদে
"দেশাত্মবোধ" হয়ে যায়
অকারন অসময়ের দিবসীয় "ইরেকশন"!
আধুনিকতার বেড়াজালে আটকে প'ড়ে
বন্ধুত্ব হয়ে যায়
একনিষ্ঠ ষড়যন্ত্রের "ফিংগারিং"এ
অসমাপ্ত অতৃপ্ত "ইজাকুলেশন"! অতঃপর,
ভালোবাসার মাঝখানে নতুন রংবেরঙ
এর যে কাটাতার,
তার এপাশে শীতকালীন কুয়াশা আর
ওপাশে জমাট হেমন্তের শেষভাগের
বৃষ্টি!
কাঁটাতার অশ্লিল তারকাটায়
"ফারজানা"সিন্ড্রোম এ রাতজাগা
কবিতার
মুখপাত্র হয়,হয় অপেক্ষার রাষ্ট্র প্রধান।
আন্তর্জাতিক বহুমুত্র সংবাদ সম্মেলনে
সত্য গোপনের উপনিবেশিক সাইনবোর্ড
না মাষ্টারবেশন দৈনিকে হাত ; তা
বলে দিতে পারছেনা ঈশ্বরের দূত" হোম
এন্ড এওয়ে ম্যাচ শেষেও! ভ্রু কুচকে,
বিশৃঙ্খল প্যারেড গ্রাউন্ডে এক পেগ
দুঃখবোধের নগরায়ন সমাবেশে
তোমার অহেতুক অবিশ্বাসী টক ঢেকুরে
বিরক্ত
আকাশ নেমে আসে শহরের কংক্রিটে!
মেঘ জমে মাটিতে,থকথকে কাদা
বুকের গরাদে প্রণয় থেরাপির
দুর্ভিক্ষে!
শেষ মৃত্যু পরবর্তী গ্রেফতারী
পরোয়ানায়
একটা হলুদ রিকশা,
এক আত্মহত্যার মায়া নিয়ে, সাতশত
সাত দিন;প্রতিদিন খুন হয়ে যাওয়া
মনোবিজ্ঞানের কাকতাড়ুয়া হয়ে
বুকের ভেতর জমে থাকা জ্বর সরিয়ে
ঠোট খোঁজে, একজোড়া ঠোট!
হারিয়ে যাওয়া নয়,মরে যাওয়া নয়
কেবল পালিয়ে থাকা এক বিকেলের
ফ্রিজে!

No comments:

Post a Comment

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...