এল সালভাদরের লাল মাটির শহর,
সতেরশো শতাব্দীর শুরুর সময়।
সন্ধ্যে হয় হয় ভাব,
ব্যস্ত ঘোড়াসওয়ারীর শহরের প্রবেশ মুখে থেমে যাওয়া।
অদ্ভুত লাল গাউনে জ্বলজ্বলে তরুনী,
স্টেজকোচ থেকে নামছে।
গোটা শহর থেমে গ্যালো মুহুর্তেই।
ইতিহাসবিদ বুড়োর গালগপ্পো বন্ধ।
নিশ্বাস থেমে গেছে শহরের।
উন্নত বুক,উচু নাক আর অদ্ভুত মায়ার চোখ মেয়েটির।
খুব সাবলীল হাটায় ঢুকে যায় একমাত্র তিনতারায়;শহরের।
সারা শহর মত্ত রুপে,
তখন প্রায় জ্বরাজীর্ন বুড়ো থমাসের পানশালার কোনার চেয়ারটায় ২৬শের পেটা শরীর আর দৃঢ় চোয়ালের এক তরুন লার্জ হুইস্কিতে ব্যস্ত!
রাতে গত চার বছরের প্রথম বৃষ্টি এলসালভাদরে।
বাতাসে রুক্ষতা নেই,মাটিও নরম।
গান বেজে চলছে এমাথা ও মাথায়।
আনন্দের মাঝে সবাই দ্যাখলো রাতে;
বৃষ্টি সংগমেও ট্রেইল ধরে একহারা গড়নের সবুজ চোখ বেরিয়ে পড়লো শহর ছেড়ে।
কেউ বুঝলোনা;শহরের কোনো এক বারান্দায় বিষন্ন দৃষ্টি মেলে তাকিয়ে এক লাল গাউন।
লাল কখনো কখনো দ্বীর্ঘশ্বাসের নামও হয়!
No comments:
Post a Comment