শোকের ক্যারিকেচার আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহে লেখা ভাংগা কবিতা,ঝুলছিলো বত্রিশের এক মধ্যরাতে।যেখানে তেরছা আলোয় নাকের ডগায় ফুঁসছিলো উন্মত্ত নদী।
দুইহাজার তেরো,রৌদ্রপাতহীন এক সদ্য সকাল।যা ঘিরে ধরে ঠোটের কালো।প্রতিবেশি অনুভুতিগুলোর স্পষ্টতর দিকনির্দেশনায় - বিষাদ ঢেঁকুর তোলা কমলা টি-শার্ট এর সুতোয় সুতোয় কাটানো শীতকাল আর পেয়াজের ঝাঝে লাগামহীন বর্ষা।
একটা রক্তপাতহীন অস্ত্রোপচারে টিভি পর্দায় ঝি ঝি ভাবে সিনেমা।তিরিশের যুবতী শরীর সীমান্তরেখা ধরে ঘরে ঢুকে সম্মোহনী শব্দ। যার প্রভাবে চোখ জুড়ে ভালোবাসার;নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত।
যে যাই বলুক লোকটা কিন্তু ম্যাজিশিয়ান।গল্পে গল্পে বাসের ভীড় ঠেলে ঘাম জর্জর মধ্যবিত্তকে তপ্ত রোদে যতিচিহ্ন বেয়ে হাটতে হাটতে ইস্তফা দেয়ায় সকল দাসভিত্তিক সময় প্রজনন কেন্দ্রকে।এমনকি শহরের ছোট ঘরে লেখা কবিতায় ধারন করে সকলকে নিয়ে আসে ভালোবাসার অলৌকিক ছুড়িকাঘাতে নিহত প্রেমিকের এপিটাফে,দৃষ্টি বিভ্রম এড়াতে চোখ মুছে পড়ানো হয় সেই এপিটাফ ---
"বাজ পড়ে পু'ড়ে যাওয়া অবহেলিত বুকের দরজা হা'ট করে খুলে রেখে ইদানিংকালের হাসি দ্যাখতে চেয়েছিলাম।কিন্তু উপর্যুপরি ব্যর্থতায় বৃষ্টির হাত ধরে আসা ক্যালেন্ডারের বড় কালো অক্ষর গুলো সন্ত্রাস কবলিত অঞ্চল আখ্যা দিয়ে,হৃদয়টাকে বিচ্ছিনতাবাদী সংগঠন বলে খোলা দরজা পেয়ে নিঃশ্বাস নিয়ে পালালো।"
এতটুকু লিখে মিস ফাতেমা ২০ বছর পেছনে যান।খাতা বন্ধ করে মধ্যরাতের বাতাস গায়ে মাখাতে মাখাতে অদ্ভুত নির্জনতায় ক্যালেন্ডার মুখি হন।এক দীর্ঘশ্বাসে যেখানে উঠে আসে ভেজা,রক্তাভ সেপ্টেম্বর।
যা কখনো জন্ম উতসবে মুখর ছিলো অথচ এখন প্রেমিকের মৃত্যুশোকে নিথর!
No comments:
Post a Comment