আমি ছুতে পারিনা,তোমাকে।
তোমার তোমাকে ছুতে পারিনা প্রায় তিনজন্ম হলো।
তোমার তোমাকে স্পর্শ করিনা প্রায় তিনজন্ম হলো।
আমি তোমার তোমাকে,
আমার তোমাকে,
আমার জন্ম-মৃত্যু-বিস্তারের তোমাকে আমার ঠোটে,
হ্যা হ্যা হ্যা সহ্যাতীত হ্যা তে,
আমার ঠোট দিয়ে,
চোখ দিয়ে ছুতে চাই।
স্পর্শ করতে চাই আমার অস্তিত্বের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে!
আমি এই জন্মে একবার কেবল একবার ছুতে চাই,
একবার স্পর্শ করতে চাই তোমায়।
অচ্ছ্যুত আমি এ নাগরিক দেয়ালে ছুয়ে দিতে চাই তোমায়,দেবী।
আজ এই বক্ররৈখিক ভিজে যাওয়া আমার শরীরে এক সূর্যোদয় প্রচন্ড প্রয়োজন।
অগনিত সূর্যাস্তে আমি ক্লান্ত।
গত সূর্যাস্তে পুরাতন পুত পবিত্র মৃত্যু কোমড় আকড়ে আমার ;লিখেছিলো নতুন কবিতা।
সেই অজস্র পুরাতন শব্দে।
তিনটে চিঠির আড়াইটা চিঠি ঈশ্বর বরাবর লিখা,পৌছে গ্যাছে।
বাকি আদ্ধেক পড়ে আছে বুকপকেটের নীল খামে।
সব নিংরে দিলে আমার হাতে থাকবে কি?
দেবী কিছু বাকি থাক!
কিছু হয়ে থাক জুতোর ফিতে,
পায়ের নীচে হয়ে থাক পচে যাওয়া দুধভাত!
আমি আমার তোমাকে ছুতে চাই।
আমি তোমার তোমাকে স্পর্শ করতে চাই।
ছোট বেলার চার বন্ধুর উজান বাওয়া ছবিতে ফ্রেমহীন আমি,
নষ্ট ভ্রষ্ট বিলবোর্ড বিপ্লববাদ মাড়িয়ে
একবার কেবল একবার তিনজন্মের অভিশাপের শাপগ্রস্ত লাল রুমালের
জমিন থেকে এজন্মে মুক্তি চাই।
ক্ষনজন্মা আমার ভালোবাসার আজন্ম পাপ থেকে বেজন্মাদের মৃত্যু চাই,দেবী।
বেজন্মাদের মৃত্যু চাই।
No comments:
Post a Comment