তুমি আমার বুকের শহরের কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ ছিলে কিনা জানিনা, তবে বানিজ্যিক রাজধানী ছিলেনা এটা নিশ্চিত।
কখনওই ছিলোনা তোমার সাথে ভালোবাসা বহির্ভূত যৌণজীবন! ছিলো কেবলই চিলেকোঠার এক ঘর।
ছিলাম আমি, ব্যাচেলর্স রেসিপিতে। ছিলাম দু:খ-সুখের রিলে রেসে।
শেষ বিকেলে আকাশে কবিতার গাংচিল হয়ে উড়াউড়ি, শুন্যতায়।
বুকের আঠারো গ্রামে চলছিলো নিরবচ্ছিন্ন করাতকল।
ছিলাম আংগুলের উপাসনায়।
আমার রৌদ্র জলে উঠতো প্রবল মরিচীকা ঢেউ।
ঠোট দিয়ে লিখতাম শব্দ-বর্ন-অক্ষর-কবিতা তোমার দৃঢ় নাভীমুলে।
এভাবেই সময়-অসময়ে শরীরে আসতো ঘুমের ঘ্রাণ।
আসতো সুখহীন এক সুখের সাথেই হঠাৎ পাহাড় হওয়া মেঘের গল্পটা।
চলছিলো,বেশ ভালোই চলছিলো তুমিময়তার তুমিহীন সময়।
একদিন, কনফেশনের বক্সে অজানা অপেক্ষায় সন্ধ্যা নামার পরপরই নিয়ন আলোর শহরে দাবা খেলতে বসেন "ঈশ্বর "
খেলতে বসেই,স্মৃতি ভাংগা দেরাজ থেকে বের করে আনলেন কমলা টি-শার্ট, তোমার নেইলপলিশ,লিপষ্টিক,ভ্রু প্লাক করার নাটাই সুতো।
অব্যবহৃত ন্যাপথালিন আর অতিব্যবহৃত পারফিউম।
এককোনে ছিলো ভাজা পোড়া করা দেহের এক চিঠি।
চিঠি থেকে বের করে আনলেন এক ছোট্ট পরী অথবা প্রজাপতি আর একটা "আমরা"...
আমরা থেকে বের করে আনলেন "তুমি"...
অথচ আমরা চিঠির সড়কে একসাথেই হাটছিলাম।
তখন রাত পৌনে দুই ছিলো,
আমায় শুইয়ে দিয়ে, পা দিয়ে মাড়িয়ে হেটে গেলে ভালোবাসার গণকবরের একমাত্র "জীবনমৃত" আমার উপর দিয়েই!
তখন তুমি হয়ে উঠলে "ত্রাণ সুন্দরি ",হয়ে উঠলে বৈশ্বিক সাহায্যকারী সংস্থা।
লিখে নিলে তোমার বর্নমালার শরীরে -
"ব্যক্তিগত ব্যবহার নিষিদ্ধ"
No comments:
Post a Comment