পত্রিকার পাতা খুলতেই "শুয়োর
সংরক্ষন নীতিমালা।"
জনপদ আজ দ্বিতল গনতন্ত্রে উপভোগ্য
"শুয়োরাধীকার বিল১৫" নাটিকা দ্যাখায় ব্যাস্ত!
পদ্মার জল আজ স্তুতিবাক্যের তেল
হয়েছে বলে তোমাদের সভ্যতার
মার্জিনটানা খাতা থেকে কিছু
শব্দ ছিটকে পড়তে পারে,আমারই মতন
বাইরে।
দুঃখিত,আমি।
শোকাহত,আমি।
বিরক্ত,আমি।
দাও,দাওতো বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষনা
করে।
উপলক্ষ্যতো হাতের মুঠোয়!
প্রশ্নপত্র ফাস ব্যতিরেকে জাতির
মেধা মননশীল হয়না!
৮টার সরকারি সংবাদ --- হেডলাইনঃ
"শুয়োরাধীকার আইন পাশ!
বেশ্যাবৃত্তি জাতীয় পেশা
প্লিইজ,
আমি রক্তাক্ত প্রান্তর চাই,পাপমোচন
করবো।
প্লিইজ,
এক বিপ্লব চাই,
বেহায়া ঈশ্বরের বিরুদ্ধে!
পশ্চিমা আর মধ্যপ্রাচ্যীয় ধর্মগুরুর
বিরুদ্ধে!
এক চিলতে রোদে মায়ের কোলে
ঘুমাবো বলে।
এত উদ্ধত, এত বেয়ারা কে এই আমি?
আমি কি জানিনা মানচিত্রে ৫৭ ভাই!
শোনো
আমি,
আমি আজারবাইজানের সেই শিশু,
যে হাত তুলে নিয়েছে খাবেনা
বলে,ঠোট কামড়ে আকাশে তাকিয়ে
নিস্তব্ধ ছোট্ট কোলে নিয়ে বোনের
লাশ।
আমি বায়তুল মুক্কাদাসের পাশে
রক্তাক্ত কিশোর,প্রানহীন।
দামেস্কে মায়ের বুকে আছড়ে পড়া
বুলেট ঠেকিয়ে,
মায়ের কোলেই শুয়ে থাকা ছিন্নভিন্ন
তরুন।
আমি,
প্রেয়সীর ঠোটে একচিলতে ভরসা একে
দিয়ে হাংগেরীর সীমান্তবর্তী
কাটাতারে ঝুলে থাকা নিঃসংগ
যুবক!
আমি,
সেই ৭১ এ ঈশ্বরের ক্ষমতাহীন ক্ষমতা
দ্যাখবোনা বলে,
মেয়ের ব্যবচ্ছেদকৃত ধর্ষিত লাশের
কপালে আংগুল ছুয়ে,নিজেকে সমুদ্রের
শব্দ থেকে দুরে,অনেক দুরে নিয়ে
যাওয়া বুড়ো সংশপ্তক!
তোমাদের টাকার অহংকার,
তোমাদের সভ্য সমাজে অসভ্য ক্ষমতার
গাছ এখনও লাগানো শেষ হয়নি।
তোমরা জানো কি মানচিত্রে আজ
কতটা শোক?
কতটা বেড়েছে লাশে প্রবৃদ্ধির হার?
এড়িয়ে যাচ্ছো, নাকে রুমাল চেপে।
এড়িয়ে যাচ্ছো, পৃষ্ঠা উলটে,
এড়িয়ে যাচ্ছো, সভ্যতা এড়াতেই
কেবল শিখিয়েছে।
ভালো থাকো তোমরা,
সাবানে,লোবানে ধোয়া-মোছা
তোমাদের সভ্য সকালের হাইজেনিক
রোদে।
# sM !
No comments:
Post a Comment