Search This Blog

Wednesday, December 25, 2019

শুয়ে আছে মৃত্যু

নীচে শুয়ে আছি; ছায়া। কখন তুমি ঘরে ফিরবে?

১৬/২/১৮

ফেইসেস ইন দ্য ওয়াটার - দেখেই আবার ভেবে বসবেন না আমি স্নান বিষয়ক কিছু বলছি।

২৩/০১/১৭

একথা সত্যি আকাশের দিকে তাকালে আমার মাথা ঘুরলেও আমি আকাশে তাকাই। কিন্তু মেঘ দেখতে ভালোবাসি বলে আমি বারবার আকাশে তাকাই বিষয়টা জীবনবাবুর মৃত্যুর মতই বানোয়াট। পোশাকহীন মাছেরাতো কেবোল পুকুরেই সাঁতার কাটে, তাইনা।









২২/১১/১৬

মেঘের ক্লিভেজ দেখে স্পষ্ট আওয়াজে জিভ টানা সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের সাথে পার্থক্যটা মূলত, যোণী আক্রান্ত সময়ে জরায়ু খোঁজার।কারন ইতিহাসে মেঘের ক্লিভেজে আমি টুপটাপ বৃষ্টি দেখি,
ব্যাস আর কিছুনা।

২৬/১১/ ১৬


পৃথিবীর
সকল অপদার্থ জ্ঞানী, অসাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজ বুদ্ধিজীবী,
গবেষণাপ্রেমিক কবি,
বিপ্লব নামক সেইভ প্যাসেজে পালিয়ে
যাওয়া গণতন্ত্রের সস্তা বেশ্যা,
তোমাদের বলছি-  Get well soon.

২৮/১১/১৬

গভীর কুয়াশায়
সকল নষ্ট লাল সালুতে
পচে যাওয়া দুর্বোধ্যতায় একদিন,
আমি- আমি সাম্প্রদায়িক, ভীষণ সাম্প্রদায়িক প্রেমিক।
আমি একটা ঘুম, একটা সহজ ঘুমকে
তোমার পাশে শুইয়ে দিয়ে,
তোমাদের বিবাহবহির্ভূত নিম্নবাসের
খোলা দরোজায় একটা লরি,
একটা নিরোধে মোড়ান লরি
আচমকা ব্রেকে থামিয়ে দিয়ে
কারফিউ
ঘুম দিয়ে যাবো চোখে।

ডিসেম্বর ০৩ ২০১৬

সকল অহিংস আন্দোলন মূলত শুরু হয়
হিংসাত্মক বুক থেকেই,
আর তাই ঘুম দিয়ে নাকে মুখে,
স্তন্যপায়ী তোমাদের এতসব জ্ঞান নামক দ্বিধাকরণের পাঠ্যবই বন্ধ করে,
নিষিদ্ধ করে দেবো রোটি-কাপড়া-মাকানের
আঙুলবাজি।

০৬/ ১২/১৬

আসলে উপাসনালয়ের পাশে থাকা বেশ্যা পাড়া থেকে,
বেশ্যাপাড়ার পাশে থাকা উপাসনালয় আমার-
ঘুমের মতই আকাঙ্ক্ষিত গন্তব্য এক।
নিস্তেজ শব্দবাহী শিশ্ন
তোমাদের ঘুমিয়ে গ্যাছে মরিয়মের বৃন্দাবনে, এবার তো দাড়াও তুমি!
চুপ শালা,
বলে -
ভারবাহী আলোচনা থামিয়ে একটা কবিতাতো লিখতে পারো
এবার!

২৩/১২/১৬

ঘুম, এক ঘিঞ্জি বস্তি বুকের ভেতর। একটু শশ্মাণমূখি হলেই পতাকায় খুঁজতে থাকো লাল আর সবুজ।
সুতপা বলেছিলো আমার সমস্ত অনুভূতি নাকি দাঁতে।
আমি বলেছিলাম ব্লাউজের বোতাম খুলতেই মেঘ, একরাশ স্তুপকৃত মেঘ।

২৯/১২/১৬


খুলে, একদিন হাট কোরে খুলে রাখা হৃদয়ের দরোজা বন্ধ করে---

"প্রেমিক এত সস্তা এবং সহজলভ্য নয়।" 

ঝুলিয়ে দিব্যি হেঁটে যেতে শিখে যাবো মেয়ে।

Wednesday, October 2, 2019

এখানে তিনটি সংকলন পিডিএফ আছে পড়ে নিতে পারেন

Saturday, September 21, 2019

তোমার ব্লাউজ

তোমার ব্লাউজটা যেনো আকাশ হয়ে গ্যাছে,

ভেতরে আমার শীতকাল সরানো রোদ্দুর 
তুমি পুষে রাখো,
পুষে রাখো হেম -
পুষে রাখো আগুন,
ভয় দেখাও হঠকারিতার রাষ্ট্রের
দাঙ্গা পুলিশের মতন।


তুমি বোঝোনা 
আগুন আগুনে পোড়ে না,

আমি তো এক আগুনপাখি,
আগুন খাই,
আগুনে জ্বলে জ্বলে যায় রাতভর ঈশপের গল্প।


তোমার পিঠখোলা রানওয়ে,

আমার নিশপিশ আঙ্গুল 
ছুঁয়ে ছুঁয়ে নিস্তরঙ্গ জ্যোৎস্নার নিসর্গ ফাঁদ,
এক লহমায় অতিথি হয়ে ওঠে বিরল!

তোমাকে একটা সন্ধ্যায়
ছাদে নিয়ে যাবো বলে কতবার,
কতবার বারান্দায় নিয়ে দাঁড় করাই তুমি জানোনা।

কতবার ছাদের অন্ধকারে তুমি দাঁড়িয়ে আছো,

আমি দেখছি ব্লাউজ,
আমি দেখছি তোমার অবাক লাজুক পাতা,
আমি দেখছি শাড়ি,
আমি দেখছি আয়নায় বেগুনী টিপ,
আমি দেখছি খোলা পিঠ,
আমি দেখছি স্নাতক স্নানঘরে 
একটা অবদমিত আকাঙ্ক্ষা
একটা অবান্তর মূহুর্ত ইতিহাস।

তুমি বোঝ না অথচ যা আসেনা, 
অথচ আমি ভয় পাই ভীষণ।
আমি জ্বর পুষি বুকের ভেতর,
চোখে পুষি আস্ত বর্ষা কেটে দিয়ে শীতকাল।

বাষ্পীভূত চোখের কোনে লেগে থাকে 
কুয়াশার দাগ।

কিছুই বলা হয়না আমার,
আমি ভয় পাই,
আমি ভয় পাই,
হুহু কান্নার মতন বাতাস ঢুকে পড়ে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমি,
হুহু কান্নার মতন বেবাক হেডলাইন নিস্তব্ধ
গভীর বুকে নিয়ে,
খেলে কাটাকুটি খেলা।
হুহু কান্নার মতন নির্জনতার শোক হৃদয়ে।
তুমি জানোনা,
প্রিয়তমা হাজার বছর ধরে
স্বাধীকার বসে থাকে জানলায় লালরঙা ছদ্মবেশে। 
তুমি দেখোনা,
তুমি বোঝোনা,
কতবছর আগে বেগুনী চুড়ি আর
কানে ঝুলন্ত ব্যবিলন অপেক্ষায়
তুমি শোনোনা 
তুমি বোঝোনা।


অনিদ্রার শোকচিণ্হ থেকে কুমারী পর্দা ওঠাও,

নিঃশব্দতা থামাও এবার।
আর কতবার নিজের বুকে চেপে ধরে
নিজের মুখ
আমি স্বান্তনা দেবো
আমার হাত রেখে আমারই হৃদয়ে।
কতসহস্র বছর আমি শীতকাল যাপনে
লিখে যাবো বিষাদের সংবিধান
একাকীত্বের জাতীয় সঙ্গীত,
তুমি কি বুঝতে পারোনা,
কতশতবার তোমার মুখ তুলে ধরতে চেয়ে
আমার দু হাত পিছিয়ে গিয়ে
এক রিকশাতেও সিটিয়ে গ্যাছে?
তুমি কি বুঝতে পারোনা
কতবার তোমার চোখে বারংবার খুন হই বলে 
আমি চোখ ফিরিয়ে নিয়েছি?
কথা হারিয়ে ফেলেছি কত কোটিবার 
তুমি জানোনা!
তুমি জানোনা!


আমিতো আস্ত পাগল,

যে হৃদয়; প্ররোচিত হৃদয় ছোঁবে আঙ্গুলে তোমার।
বসে থাকে হাপিত্যেশের হাতঘড়িতে।
বসে থাকে অপমানিত গ্লানির কবিতায়,
বসে থাকে অভিমান করে,
অভিমানে দূরে যায় তবু ফিরে আসে কবিতায়,
নির্লজ্জতায় সময়ের 
সবচেয়ে বড় টর্নেডোর
আঘাতেও নুয়ে পড়েনা লিঙ্গহীন রাষ্ট্র,
একাডেমী,
প্রাতিষ্ঠানিক বেশ্যার বিছানায়।
বারংবার নিষিদ্ধতা পিঠে চেপে, 
বসে বসে পড়ে ভুল বোঝাবুঝি ভাইয়ের উপাখ্যান।


কেবল একটা সন্ধ্যা 

আকাশের নির্লিপ্ততার হ্যাজাকবাতি ধরিয়ে 
তোমার পিঠখোলা ব্লাউজ 
তোমার মসৃন তলপেট হয়ে উঠে জাতীয় পতাকা।
তোমার বুকের পাশ দিয়ে নেমে আসা
আশ্বিনের মেঘ থেকে বর্ষার জলধোয়া টাপুরটুপুর
ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেবে ছুটির দিন-
তুমি জানোনা,
তুমি বোঝোনা,
অথচ কোন এক ভোরবেলায়
তুমি অপহরণ করেছিলে আমাকে,
দেখাতে তোমায় সমুদ্র তীরবর্তী সহস্রগ্রাম।
তুমি ভুলে যাও,
তোমার মনে নেই।

Friday, September 6, 2019

থামুন নয়তো লিখুন বিক্রি হবেন না

এবং আমার বিষাদগণিকারা

Monday, August 19, 2019

মৃত শহর



অন্দরমহলে পুরোহিত নিষিদ্ধ ঘোষণায়,
জানলা খুলতেই হলদে নিয়নে
মরে যাওয়া শহরে প্রেম নেই দেখিনা কোথাও!
তাই আজকাল সান্ধ্য-আইনে
পাখিদের পাঠ্যসূচি মুছে দিয়ে
জ্বলে ওঠা সাদা ষ্ট্রীটলাইটের বিধবা শহরে
প্রেম নেই, 

প্রেমিক-প্রেমিকা নেই,
হুড খোলা রিকশা নেই,
রিকশায় বৃষ্টিস্নাত স্পর্শ নেই,
প্রেমিকার কোলে রেখে হৃদয়; 

কোনও শুয়ে থাকা নেই।
দিগন্ত বিস্তৃত ইথারে,
সামরিক মুঠোফোনে বহন করে যাওয়া
সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা নজরদারীতে
ভরে গ্যাছে মুঠোফোনের পর্দায় আগত নগ্নছবি
আর মুঠোভর্তি বীর্যে
ভদ্রস্থ চুমুতে পর্দা জুড়ে ছিটানো লালায়।


শহরে কুকুর নেই,
কবিতা নেই,
শহরে প্রেম নেই,
নেই হৃদয়টায় অসহ্য জ্বর,
হৃদপিণ্ডে যুদ্ধটাও হয় নিয়মের অনিয়মে।


জরুরীকালীন প্রসবে গজিয়ে ওঠা নার্সিংহোম
দেখে অনায়াসে লেখা হয়ে যায়
প্রেমহীন কামে ভিজে যাওয়া
বাংলাদেশ যাচ্ছে নার্সিংহোম।
শহরে বেড়ে যাচ্ছে সিংগেল বেড,
বেড়ে যাচ্ছে ম্যাট্রেস,
প্রেমিকারা হয়ে উঠছে নীল ছবির নায়িকা,
কমনীয় ঠোঁটে,
অধিকারহীন জৈবপ্রণালীতে
প্রেমিককে পাশবিক দেখার আনন্দে
নিজে শুয়ে পড়ে কুকুরীর ন্যায় কুণ্ডলী পাকিয়ে।
শহরে প্রেম নেই
প্রেমিক-প্রেমিকা নেই
ভালোবাসা নেই।
আছে দ্বিতীয় মাসের ১-১৪ ক্যালেণ্ডারের দিন,
যখন একমুখের চিতায়
অন্যমুখের আগুন অভ্যস্থ শরীর,
মচ্ছবে মেতে অন্যভস্থ বিশ্বাসে
ঝুলে পড়া পাজামার ফিতেয়
প্রেমিকাকে প্রলুব্ধ করে জারজসন্তান গ্রহনে।
বিছানা কুঁচকে ওঠে ঘৃণায়,
ইতিউতি ছড়ানো টিস্যু পেপার
আর পেছন দরজার ব্যবহৃত শাদা নিভিয়া।
জ্বলজ্বল করে নিস্তব্ধ
অবশেষে
আধুনিক চিড়িয়াখানার ভেতরে
ঢুকে যাওয়া আধুনিকায়নের হাতঘড়িটা।   


Shoyeb Mahmud  


   

Thursday, August 15, 2019

In bed with a married women



মিথ্যার চেয়েও কোনও দুর্লঙ্ঘ্য মিথ্যা নেই কোথাও?
সত্যের চেয়েও উজবুক কাউকেই খুঁজে পাওয়া অসম্ভব,
তাই আমি,
পাখির ডানায় বেঁধে নিয়ে ঘোড়ার লাগাম, শুয়ে আছি..

বুধবার আমাদের বুকপকেট থেকে বেরিয়ে
কোথাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইঞ্জেকশনের ব্যথা?
বৃহস্পতিবার কোথাও নিরোধ পড়ে ; গড়িয়ে পড়ে যাওয়ার শংকা?
শুক্রবার আমি পরাজিত ঘুড়ির মতো উড়ে যাচ্ছি,
ঘোড়ার জাতীয় সঙ্গীত আমার রক্তে,
শনিবার আমার ভেতরে মরচে পড়া শব্দে ঘুনেরা,
রবিবার আমার বিবাহসম্পর্কিত মুঠোফোন সেবাপ্রদানকারী,
জেগেছে নিয়ে সমস্ত পরিমন্ডলে কৃত্রিম শব্দের ক্ষোভ।

Wednesday, July 17, 2019

সোয়েব মাহমুদ অথচ তিনি নন







 আমি কোন বোধ নই -
      ব্যাধি নই -
      কেবলই একটা কথার কথা মাত্র।

- সোয়েব মাহমুদ   

আমি আমরা


মুহুর্ত-

আমাদের চুমু খাওয়া মূহুর্তগুলো,
জিভ থেকে গড়িয়ে দেয়া
আনবিক বোমা শুষে নেয়া মূহুর্তগুলো
ধরা থাকে ল্যুভর জাদুঘরে।


রাতেই নেমে আসে -
   
অথচ সমস্ত রোমকূপ জানে
প্রথম স্বাধীনতা ঘোষণার রাত,
সমস্ত ইন্দ্রিয় জানে বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে তোমার বুকের উপর আমি ছিলাম একান্ত এক ঈশ্বর!


সোয়েব মাহমুদ।


২) অসময়ের ঘুম 


ভালোবাসা অবিশ্বাস করে তুমি চলে যাওয়ার পর,তোমার রুমাল পড়ে থাকে আয়নায়।
ঝরাপাতার মানচিত্রে কি ভীষন বিষাক্ত সময় ছিলো যখন তুমি ছিলে পাশেই আমার, দীর্ঘ এগারোটি বছর।
একটা অসময়ের ঘুমের কাছে ঋণী হয়ে রইল জীবন।
ফেরার ট্রেন কখনও সখনও দেরি ক’রে আসাই ভালো।
এটা তোমার বোঝার কথা নয়, এটা মানুষের বোঝার বিষয় নয়।

Wednesday, June 19, 2019

নববর্ষ

গতরাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটানা বারো বছর ; পেরিয়ে গেলাম হঠাৎ।
আকাশের বুকে চেপে নিয়ে কথা ; একটা উদোম স্নান আর টান টান কলমীলতা।

কতকিছুই না বললাম দু'জন,
কতকিছুই না শুনলাম দু'জন,
প্রকট বসন্তে নেমে আসা বর্ষায় ভুলে গিয়ে
একটা বাবুই উড়ে যায় ক্যাকটাসের ছায়ায় ছায়ায়;
মায়ায় লেপ্টে জড়িয়ে থাকা দুর্ভিক্ষ পীড়িত এলাকায়।

কতকিছুই না বলার ছিলো, অথচ বলতে পারিনি।
আকাশের পেটে বোমা মারলেও ছাঁই,
তেত্রিশ কোটি দেবতাকে স্বাক্ষী রাখলেও লাপাত্তা বৈশাখ,
শুধু ক্যালেন্ডার থেকে সরে গেলে হারিয়ে যায় আহত আগুন,

যে আগুন
একদিন প্রেমিক আমায় নিয়ে গিয়েছিলো মিছিলে,
যে আগুন
আমাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলো সোয়েবের লাশ নিয়ে
কাতারে কাতার
যে শুন্যস্থান, যা কানায় কানায় পূর্ন হিলিয়ামে,
ঠিক সেই বারো বছর
আগে নববর্ষের আগের রাতটায়,
ঠিক যখন সরকারী আর্দালীরা বলে উঠেন শহরে জ্বর,
কাজেই চুপ থাকতে হবে ভোর বেলায়।

মনে আছে তোমার,
একটা ক্যাকটাস - একটা বাবুই- একটা আকাশ।
মনে আছে তোমার
বলা হয়েছিলো এ আমার জন্মোৎসব,
এ আমার ইতিহাস হাজার বছরের,
ধর্ম নিয়ে কথা বলা বন্ধ করে দিয়ে যে ধর্মব্যবসায়ীরা
আঙ্গুল চালাচ্ছেন কবিতায়,
খামোশ।
মনে আছে তোমার
গতরাতে উঠে এসেছিলো সব কথা,
মনে আছে তোমার
গতরাতে শুয়ে পড়েছিলো সকল নিদ্রাহীনতা,
মনে আছে তোমার
বিভ্রান্তিহীন বিভ্রাটের সময় পেরিয়ে গেলে জেগে উঠে
একটা চীতকার,
স্নানঘরে ঢুকে পড়ে শ্রেনীহীনা
শোষিত মানুষের সাথে মানুষের দেখা হবার দৃশ্য।
বুকের ভিটায় তপ্ত দুপুরে
যে শহরে গোলাপের দাম বেড়ে যায়,
অবহেলায় পড়ে থাকে জুঁই,
প্রেমিকেরা প্রেমিকাদের নির্যাতিত শিশুদের পাশে
ঘুম পাড়িয়ে সিগারেট ধরায়,
সেখানে বিপ্লব নেই, সেখানে প্রতিরোধ হতে পারেনা।

মনে আছে তোমার
চেনা দৃশ্যের প্রতারণায়,  চার রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে
আমি জীবিত একমাত্র প্রেমিক
সার্কাস একা দেখাতে দেখাতে ক্লান্ত হয়ে গ্যাছি,
মিছিলের শ্লোগান বুকে
বুলেটে তাজা রক্তে একে দিয়ে পহেলা বৈশাখ,
আমি কথা বলার স্বাধীনতা দিয়ে গেছি।

মনে আছে কি তোমার, বাবুই -
বলেছিলাম সেই বারো বছর আগেই-
ভালোবাসি শব্দটা উচ্চারণের পর আর কোন বিপ্লব বাকি থাকে কি?
প্রেমিকের চেয়ে বড় কোন বিপ্লবী থাকে কি?
বলেছিলাম শাষকের চোখে চোখ রেখে -
প্রধানমন্ত্রী একটা কবিতা পড়ে নিন ,
প্রেসিডেন্ট একটা ফুল থেকে ফুলকি আলাদা করে নিয়েছি।
সেনাপ্রধান রসো, শুনে নিন ভালোবাসা-বাসি সময়ের গান।
মনে কি আছে তোমার?
মনে কি পড়ে?

নাকি তুমিও বারো বছর পর শিখে গেছো ন্যাকামোর ঢংটুকু,
গিলে ফেলে নিজের ভেতর নিজের চীতকার,
কানে বেজে ওঠা রাইফেলের শব্দে হাসতে হাসতে 
তুমিও কি ঘুমিয়ে পড়েছো পাঠিয়ে মুঠোবার্তা '' শুভ নববর্ষ! "

Friday, January 11, 2019

মিথ্যার ধর্মপ্রচার


মিথ্যার চেয়েও কোনও দুর্লঙ্ঘ্য মিথ্যা নেই কোথাও?

সত্যের চেয়ে উজবুক কাউকেই খুঁজে পাওয়া অসম্ভব,

তাই আমি পাখির ডানায় বেঁধরে নিয়ে ঘোড়ার লাগাম,

শুয়ে আছি বুধবার আমাদের বুকপকেট থেকে বের করে,

কোথাও ইঞ্জেকশনের ব্যথা?

কোথাও নিরোধ পড়ে ; গড়িয়ে পড়ে যাওয়ার শংকা?

আমি এখন পরাজিত ঘুড়ির মতো উড়ে যাচ্ছি,

ঘোড়ার জাতীয় সঙ্গীত আমার রক্তে

আমার ভেতরে মরচে পড়া শব্দে ঘুনেরা

আমার বিবাহসম্পর্কিত মুঠোফোন সেবাপ্রদানকারী,

সমস্ত পরিমন্ডলে কৃত্রিম শব্দের ক্ষোভ।

কোথাও কোনও চিঠির শব্দ বহুকাল নেই,

ছিলও না বোধহয়,

ওটা মনে হয় আমার ভ্রম,

যেভাবে একারাতে

কোনও নারী সেজে একটি পুরুষ আমাকে ক্রমশ

                   টেনে নিয়ে যাচ্ছে ঘাতকের মতো।

আমার পোশাক খুলে যাচ্ছে-

আমার সমস্ত শরীর

আমার রক্ত আমার বীর্য আমার সভ্যতার পুঁজ।

খুলে খুলে যাচ্ছে মুনসুন রেইন।

বিছানায় কেবল সাঁতারের দাগ নিয়ে

আমার রক্ত থেকে পরিচিত নকশাগুলি-

ঘুরে ঘুরে ফিরে গিয়ে উড়ে উড়ে লাফিয়ে

রিকশা থেকে নেমে পড়ে

উড়োজাহাজের নীচে ক্র‍্যাশ ল্যান্ডিং-

In bed with a married Women...

বড়ো হয়ে ছোট হওয়া জিপারের

খুলে খুলে বাবুটা একাউন্টেন্ট, হিসেব রাখছেন

বেজে ওঠা শীৎকার সঙ্গীত

হাটু থেকে উঠে যাওয়া স্কার্ট আর

হাটু থেকে নেমে পড়া রাতের সাংস্কৃতিক উৎসবে

কতবার

প্রস্রাবাগারের মধ্যেই বড় হওয়া

শব্দগুলি রেখে যাচ্ছি,

পড়ো আদেশে নাভীদেশ ছুয়ে গিয়ে ধুয়ে যায়।

Thursday, January 10, 2019

দেখুন প্লিজ

রোদে ঘামে একাকার

দুপুর দুইটা উনচল্লিশ মিনিট।

এক্সকিউজ মি,

একটা লাশ বয়ে নিয়ে এসেছিলাম; একবার এসে

যদি দেখতেন।

একটা লাশ এনেছিলাম

সেই কতদূর থেকে বুকে পিঠে বয়ে!

কবেকার লাশ যদি একবার এসে একটু

সনাক্ত করে যেতেন!

জ্বী

এটা একটা লাশ, যাষ্ট দু ' মিনিট!

স্রেফ দু মিনিট সময় দিন না প্লিজ!

এই যে স্যার,

ড্রয়িংরুম জুড়ে

ঝোলানো স্থিরচিত্রে এবার কিছু ফুলটুল দেবার আগে

কমসেকম একবার দেখুন!

নিজের লাশটার দিকে তাকিয়ে

দেখুন'তো

সবঠিকঠাক আছে কি না?

নাকি ফেলে এসেছেন কিছু হারিয়ে জীবনের মতন?

কোথাও না কোথাও!

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...