Search This Blog

Friday, October 23, 2015

আমি জানি,

আমি জানি,আমার তখন ১৩...
আমি জানি,এটা নিশ্চিত জেনেই জানি।
অনেকেই ঘটনা থেকে,
ঘটনার রটনায় মনোযোগী ছাত্র!
আমি জানি,যখন আমি আমার শৈশবের রং হারাচ্ছিলাম তখনকার গল্প।
আমি জানি যখন শিক্ষয়িত্রী কর্তৃক আমি ধর্ষিত হচ্ছিলাম
তখন কোথাও সাইরেন বেজে উঠেনি।
বাজেনি করুন বিউগল
অথবা
নতর্কীর উদ্দাম নৃত্য আমার শরীর উপকুলের,
শব্দহীন কর্পুরে উড়ে যাচ্ছিলো শ'বে!
কারন নারী মাত্রই ধর্ষিতা!
ধর্ষক!! হয়ত কখনওই নয়!

আমি জানি,কিভাবে আকাশ বারান্দায় নামে?
আমি জানি,সন্ধ্যেটা কখন চোখের পাতায়?
আমি জানি,নরকের মেঘ মাথায় নিয়ে কিভাবে তুমি যুদ্ধাগ্রস্ত?
আমি জানি,এ শহরের কোন কোন ঘরে ঈশ্বরের যাতায়াত?
আমি জানি,তিনি অবৈধ কোথায়?

রেডিওতে চলছে দিনিবদলের গান,
মুষ্টিমেয় উন্নয়ন,
অরাজকতার শ্রেণীবিন্যাস,
আমি জানি,নারী তুমি বড্ড ক্ষুধার্ত।
পিপাসার্ত তুমি রক্ত উপাসনায়!
আমি এও জানি,
তুমি পেছনে ফিরে তাকাবেনা,
আমি জানি, তাকালেই তুমি বন্দী;আমার চোখে।
আমার নখে,
ঠোটে,
বুকে,
অথবা
আমাদের অতীতের সিড়িঘরে।

আমি জানি, আমি মরতে শিখে গ্যাছি রোজকার নিয়মে।
আমি জানি,তখন আমি ২৩..
আমি জানি,দুঃস্পর্শ রাত্রিতে হয়ত আমি ৩০...

হয়ত,
আমি জানি, ১৩ বা ২৩ অথবা ৩০ যা'ই হউক না ক্যানো?
পুরুষ কখনওই ধর্ষিত নয়,তোমার টি.আর.পি সময়ে।
কিংবা
হয়ত
পুরুষ,মানুষই নয় অথবা ছিলোই না।

এবং আমি জানি,২০১৫ তে টিভিতে এক শোকাবহ স্যাটায়ার!
যেখানে মৃত আত্মায়..গুলি চলছে।

Thursday, October 22, 2015

কি হয়?

ভালোবাসি বলে গ্লাস ভর্তি রক্তমদ
রেডিও জুড়ে আমার ধুমপানের গল্প।

"থামো"

বুকজোড়া সরকারি মর্গ,
চোখজোড়া শ্মশানঘাট,
নিঃশ্বাসে রেলপথ,
সদ্যবিদায়ী ট্রেনে হাহাকারের কুলিমজুর
আর তাদের ক্রমাগত হট্টগোল।

এসব কথায় যখন রং মেখে তুমি ব্যস্ত!
তখন পকেটে আমার শেষ কবিতা,
১৬টাকা মাত্র!
বুক পকেটে মৃতপ্রায় বসন্ত,
২১পয়সা!
ব্যাক পকেটে জীবনমৃত পুর্নিমা রাত!
অথবা,
তুমিহীনতার ফটোগ্রাফে শুন্য মানিব্যাগ!

"কে ভেতরে?"
পকেটের দরজায় একটা ছোটগপ্পো,
আর অনিবার্য কড়া নাড়া!
আমি হেটেই দরজা খুলি।
আর ফ্রিজের দিকে মুখ ঘুরিয়ে
"নানা রকম স্বপ্নের বেচে থাকা"
অনুষ্ঠান আনন্দঘন উদ্বেগে,
অন্যকেউ ঢুকে পড়ার আগ পর্যন্ত দ্যাখতে থাকি।
দ্য ব্লু অতি রোমাঞ্চে,
স্নায়ুসিথিলতায় অচেনা ঘরে হঠাৎ ঘুম।
মাথার ভারে তুলোধুনো বালিশ।
বিছানায় গড়াগড়ি মৃত্যুদর্শি একাকীত্বে
রাত ফুরোলেই ভোর মৃদু কাপড়ে কাঁপতে  থাকে।

Thursday, October 1, 2015

মেয়ে,হাটতে শেখাও

মেঘের মেয়ে, মুখটা তুলে ধরো তোমার।
তাকাও আকাশে,বেদনার্ত খয়েরী
বিকেলের আকাশটায়।

পড়ন্ত নষ্টালজিক রোদটা ছাদে যে ভালোবাসাধীকার আদালত
বসিয়েছে,সেখানটায় দাড়িয়ে একটা
শৈশব বাঁচতে চায়।

তোমার ঠোটে একে দিতে চায়
লক্ষবছরের বঞ্চিতের ইতিহাস।
জাতিসংঘ বাদ দাও,
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার টেবিল-
চেয়ার ছুড়ে ফেলে দাও।
বৈশ্বিক নগরায়ন বন্ধ করে,
চোখে চোখ রেখে
কেবল আমার বুকে হেটে যাও,
আমায় হাটতে শেখাও।

কবিতা নাকি কোবতে

কবিতা- ৫৭ ধারায় দেশ

ভালোবাসার চশমায় কুচকাওয়াজ,চলছে।
জানলায় উকি দেয়া ভোর মিশে যায় বুলেটের ঝাঁঝালো গন্ধে।

বেশি নয়,খুব বেশি নয় শোক জ্ঞাপনের জন্য।
মাত্র ৫টা লাশ,মায়ের আব্রু হরনের প্রতিবাদে!
সফল নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনী!
শুয়োরের পাল বাঁচাতে।
শুনলাম বেয়াই নগরে, নগর পরিকল্পনায় ঠাই পেয়েছে ষ্টেডিয়াম!

ডুয়েলিটি অফ ডেমোক্রেইজি  অথবা
ইভিনিং উইথ আ হোর!
ধ্যাতছাই।

কফির পেয়ালায় চুমুকে চুমুকে গোপন মিটিং!
আন্তর্জাতিক মহলকে জানানো হবে গর্ভধারণের হার কমেছে ২৭.৩%...!!
অথচ বড় বোল্ডে,
জনগন জানবে গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুহার
কমেছে।
আসবে অভিনন্দন।
ভেসে যাচ্ছে গনতন্ত্র!
দেশ এগুচ্ছে লাল হয়ে যাওয়া ভুমিতে!
বিশেষ মহল কর্তৃক ষড়যন্ত্র;নস্যাৎ -
শিরোনামে অন্তর্বাসের দৈনিক!

ঠুঁটোজগন্নাথ আপনি, হাসালেন।
যাক তাও হাসাতে পারেন।
জানেন ক্লিভেজ স্বর্বস্ব গনতন্ত্রে এটাই একমাত্র সফলতা আপনাদের।
দেশ,তুমি এগুচ্ছো কিন্তু বড্ড বেশী
তাড়াতাড়ি!

তোমাকে চাই এক্ষুনী

কোথাও যাই না --
ধোঁয়া ওঠে, রোড ব্লক অথবা পুড়ছে হৃদয়!
কোথাও যাই না.....
অধ্যাদেশের ভুল শব্দ,
আর
নাগরিক কোলাহলে স্তব্ধতা।
অথবা বিউগলে বিগরে যাওয়া সুর!

কোথাও যাই না, যাই না তোমায় ছেড়ে।
সব'তো নষ্ট হলোই,বেচে গ্যালো কেবল তোমাতে যাওয়া আমার হা হা কা র!

চোখ বুজলেই দ্যাখি উড়ে যাচ্ছে,
উড়ে যাচ্ছে সবটাই,
ডুবে যাচ্ছে ভালোবাসা,
তোমার অকার্যকরী সিদ্ধান্তহীনতায়।
উড়ে যাচ্ছে আদরের সকল সম্পর্ক।
তোমার মস্তিস্কে নিরুপায় আমি পেনশন সময় পার করছি!

হ য ব র ল - আধুনিকতায় সেদ্ধভাতে আলু
পোড়া।
বৃষ্টি ভিজে ছিড়ে যাওয়ায় শেষ হয়
নিউজপ্রিন্টে লেখা কবিতা-
তোমাকে চাই,এক্ষুনী!

প্রটোকল, নাহ!

দ্যাখো,
ভালোবাসার কাছে বিক্রি হয়ে গ্যাছি আমি, নামমাত্র মূল্যে।
বড্ড সস্তার রাস্তায় পাওয়া জামা- জুতোর মতন।

দ্যাখো,
একপেশে স্মৃতির ভারে থেমে গ্যাছি,
রুলটানা খাতার মাঝখানের স্পিডব্রেকারে।
শোনো,
কোনো দুঃখ ব্যক্তিগত নয়,কেবল ভালোবাসার ছুরিকাহত আমি মরে পরে থাকি ক্যালেন্ডারের সান্ধ্যকালীন অন্ধকারে।
এগুনো হয়না,পেছানো যায়না।
কেবল অপেক্ষায় স্থির লাশ হয়ে প'রে থাকা
শ'ব জেনো!

জানো,
সমুদ্র আর আমি বদলাইনি একফোটাও,
নোনা স্বাদ আমাদের গাল বেয়ে বুকে নেমে আসে।
কেবল, জন্মান্ধ আমি দ্যাখিনি তোমার
চুলের রাংগা বিকাল, কখন আমার কষ্টে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গ্যাছে।
পশু অধিকার আইনে বিকিয়ে যাচ্ছে প্রেম!
ভালোবাসা যাদুঘরে স্মৃতির সেমিনার!
তাই বাবু নিয়ে টানাটানি স্মৃতি সকল
সরে দাড়াও,প্রটোকল মেনে নাও,
আজ আমার যাবার সময় হয়েছে।

আলবাত

তোমার সময় হয়নি,তাকাবার।
তোমার ঠোটে ঠোট রাখতে না পারার
সাইড এফেক্টে গৌরীপুর জংশনে
নষ্ট হয়েছি;গতরাতে।
তোমার মিথ্যেগুলোর জ্যামে প'ড়া!
সত্যলুকানো আন্ডারপাসের মরিচীকায়!
আর কত?
পত্রিকার পোট্রেটে স্থান বদলাবার বাস-স্টপেজ।
শুন্য,এক বিশাল শুন্য দ্বীপ।
পুনর্জন্ম নিতে পারি,
সমুদ্রের বুকে বুলেট জর্জর সূর্যাস্তে।
অপেক্ষার অশুথ গাছ এড়িয়ে শুভ্র গাংচীলের ডানায় নিয়ে "ভালোবাসা".....
যদি তুমি চাও।
এবার তোমার পালা,
ডাকবে তুমি, আমায় এবার।
অনেক আমি চাইলাম,কাঁদলাম..
অপমৃত্যুর মৃতদেহ বয়ে বেড়ালাম ৭৩২দিন,
৩লক্ষ ৪৫ হাজার মাইল আকাশে।
এবার তোমার চাইবার পালা,
এবার ঈশ্বর বল ঠেলে দিলেন তোমার পায়ে।
প্রজাপতি রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষায়..
একটা ছিন্নমূল লাল,সবুজের করিডোরে।
কিন্তু,
যৌবনবতী নদী,একটু সামলে!
বেসামাল হলেই হয়ে যাবে ভোগ্যপণ্য
মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সুচকে!
এবার তুমি চাইবে,
হয় আমায়,
না হয় মৃত আমার অবহেলিত মৃত্যু
তোমার বুকে।
অনেক লুকিয়েছো,
অনেক পালিয়েছো,
এবার শেষ দৃশ্যে লম্বা টানে "সমাপ্তি"
আলবাত!

উটকো চব্বিশ সেপ্টেম্বর

"
---তোর ভাইয়ার দুইদিন পর পর কিসের
জ্বর হয় এত?

---জিজ্ঞেস করোনি,আমিতো জানিনা।

-- হবেই তো অফিস শেষে বৃষ্টিতে ভিজে হাটেন উনি,পরীবাগ-বেইলীরোড। আর উনি উত্তর দিয়েছেন কবে কার!

---কিছু বলনি?

--- বলিনি আবার! জিজ্ঞেস করতেই বলে " ঘরকে পথভুলে যাওয়া রাস্তা চিনায়ে বাড়ি নিয়ে যাবো।" আচ্ছা, তোর ভাই কি পাগল ধরনের?

--- হি হি হি, পাগল ধরন না আপু। পুরাটাই পাগল!"

অবশেষে, পাগল ভাইয়া মারা গ্যালো ৩৪
দিনের মাথায়,শেষ দেখায় একটা চীরকুট দিয়েছিলো।

--এই রিকশা যাবে, পরীবাগ।

বলেই উঠে পড়ি,খুব ক্লান্ত লাগছে। কাঁদতে ইচ্ছে হচ্ছে খুব ;চিৎকার করে। কাঁদতে কাঁদতে শহরবাসীকে জানাতে ইচ্ছে হচ্ছে "জানেন,এই কিছুক্ষন আগে আমার ভাইটা মারা গ্যাছে। বুকের ভেতর অভিমান ছিলো, ভালোবাসার জ্বর ছিলো। তার ভেতর এক যুদ্ধ ছিলো।যুদ্ধ বিমান ছিলো। জানেন গত তিনদিন নিয়মবহির্ভূত বৃষ্টি কার জন্য আর রোদ আজ এখন ক্যানো!সব নিজের চেয়ে বেশী ভালোবাসা এক পাগলের বিদায়ে।"

পুরো শহর পরিস্কার হবে,মুছে যাবে কান্নার দাগ আজ।কেবল বোনের সাথে তার ভাই থাকবেনা এ শহরে। কেবল বোন কে নিয়ে ভাইটার রিকশাভ্রমন থাকবেনা,থাকবেনা নিস্তব্ধতায় হঠাৎ হো হো হো করে বিকট সহজ সরল অথচ পিলে চমকানো হাসি।

"
মেঘের মেয়ে,
বাজ পরে পুড়ে যাওয়া বুকের দরজা
'হাট' খুলে যাওয়াটা ছিলো আমার ভুল।
গুইসাপ ঢুকে পড়ে ভার্মেলিওন এফেক্টে। শান্ত নিউরনে অশান্ত সুনামী নিয়ে আসে Head Game এর ক্যান্সার।
হৃদয়ের নগরে তোমার।
তারপর সময় বয়ে দুটো
শরীর দু-দিকে আলাদা।
একই শহরে
একই আকাশে
তুমিময়তার পথঘাটে,
তুমিহীন বেচে থাকা।
এর থেকে
মৃত্যুই শ্রেয় বুঝে নিলাম আমি।
ভালোবাসায় কারন খুঁজতে গিয়েই
ফিকে করে দিয়েছিলে লাল
হৃদপিন্ডের জমাট ভালোবাসা.......!"

আর পড়িনি ভাইয়ার চীরকুট, ছিড়ে ফেলে উড়িয়ে দেই। এই চীরকুট পৌছানোর কথা ছিলো কি কোথাও?

মনে পড়েনা আমার। যে মানুষ জীবিত ভালোবাসাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে গ্যাছে, প্রেমিকের মৃত্যু সংবাদ আর চীরকুট তার জন্য নয়।সবুজ গাছটার লাল কৃষ্ণচুড়া তার জন্য নয়!

ভাইয়া তুই যাচ্ছিস আকাশে অন্তত আকাশ হউক প্রিয় ডাকবাক্স তোর।
এবার শেষ হউক ১৮৫৭ সালের নোনাধরা বিনাশের চিঠি।

প্রকৌশলী যখন দাবার ঘরে

একঃ
প্রকৌশলীর ব্যর্থ প্রকল্পে 
প্রিয় ফটোফ্রেম থেকে মুছে দিচ্ছো ছবি তোমার।
ভুলে যাচ্ছো তুমি ঈশ্বর প্রেমিকা।
ভুলে যাচ্ছো মুছে দেয়া দাগ স্পষ্টতর
হয়,বিগত দিনের শোক সভায়!

দুইঃ

আমার নাম কে রেখেছিলো?
কিংবিদন্তী আকাশের গায়ে হলুদ আজ।
মেঘের টার্মিনাল শুন্য এ প্রশ্নে!

তিনঃ
আমাকে সাপ-লুডু খেলা শিখিয়ে ফেললেই।
গান্ধীর তিন বানর আজ পোয়াতি গাভী!

চারঃ
--কি দ্যাখো?
-- কিছুনা,
-- সত্যি করে বলোনা, কি দ্যাখছো?
-- ছাদে দাড়িয়ে আকাশ দ্যাখা লালটিপে আর শাড়িতে এক অনন্য মুখচ্ছবি দ্যাখি আমি।

পাঁচঃ

বঞ্চনার ইতিবৃত্ত যদি প্রেম হয়,
তবে থাকুক ওরা তোমার হয়ে আমার বুকে।
আমি প্রার্থনায় যাতে শীতলক্ষায় যাতে কোনো অপেক্ষার রাত না ফুরায়!


ছয়ঃ
কেউ আছেন?
চেইন টেনে ট্রেনটাকে থামিয়ে দিন
না প্লিজ!
হৃদয় মিস করলে হেরে যাবো যে!
গৌরিপুর জংশনে মিথ্যের ডানায় ভর
করা মেয়ে ভুলেই গ্যাছে"
একবার ভালোবাসি বলার পর
সমস্ত না বলা কথাই বলা হয়ে যায়...



২৭শে সেপ্টেম্বর

দু-বছর আগে ঠিক আজকের সময়টায় একটা sick leave. সরকারী চাকুরী থেকে
ইস্তফা,কিছু তথ্য গোপন করা হয়নি বলে।
তারপর চাকরীর বদলে বউ খোজা,যেটা
সহজ!! অপেক্ষা,এক ফেসবুক টেক্সট এর seen হওয়ার।মাঝে মধ্যে Others Message এ উটকো বন্ধুত্বপুর্ন পরামর্শ।
এবছর হঠাৎ ১৭ এর কেক-কাটা বুমার'স যাকে জরিমানা করা হয়েছে খাদ্যমানে ৬৯% ভেজাল ব্যবহার করার দায়ে।

ঘরে বেগুন ভর্তা আর ভাত আর ডালের
চচ্চড়ি। সাথে মুরগীর ভুনা চলে যাচ্ছে
দিন। ২১ শে আবার রং নাম্বার,২৪ শে
দ্যাখা এক ডাকনামে। অতঃপর Cadbury
Aclay ওয়ান বাইট, কিছু মেগা পিক্সেলে ময়মনসিংহ।

এক জাদরেল টু-ফেইল মহিলার ক্ষমা
প্রার্থণা। মাঝখানে তোমার চুলে হাইলাইট ভারগেন্ডি, কপালে টিপ অদৃশ্যতার প্রতীকে ভালোবাসা। কিছু উচ্চাবিলাসী শব্দ তোমার ঘরটায় ইকোরত, শুনতে না পাওয়ার
ব্যার্থতাটা কি আমার!

২৭শে সেপ্টেম্বরের দুপুরটা রাজউকের ১৩ তলাতে টলারেট আনন্দে, চোখ রাখুন আনন্দপুর Coming Soon.......

প্রলাপ৩

কথা দিচ্ছি কথা, এই সন্ধ্যেবেলায় তোর ভেজা চুলে এক স্পর্শের বিনিময়ে খুন হয়ে যেতে পারি যখন তখন। এই তোর ঠোটে শুয়ে বলছি আমি।

প্রলাপ২

ভালোবাসা কোনো মস্তিষ্কজাত পন্য নয়, যেখানে মস্তিস্ক থাকে সেটাকে ভালোবাসা না বেশ্যাবৃত্তি বলে।

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...