Search This Blog

Wednesday, August 26, 2015

স্বাধীনতা ডিসপ্লে

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীন বুক থেকে উবে যায় রোদের প্রোটিন,
ফসফরাসের সবুজ চোখ থেকে বিরতীহীন মেট্রোরেলে
সওয়ারী প্রোটন,ছুটে যায়।
ছুটে যায় ভালোবাসাজনীত অপমৃত্যুর জনপদ হয়ে
ছুঁয়ে দ্যাখা হয়না জন্ম, যে বসে থাকে ব্যাকসিটে।

রাজনৈতিক সেইভ প্যাসেজে ঠায় দাড়ায়
নিকোটিনে হলদে চন্দ্রগ্রহণ,
ইতিহাসের পাতায় কোডিন আর মিথামাইটিন শুয়ে
পাশাপাশি সুইসাইডাল জাতীয় সংসদে
যা কিনা লুই ক্যানের অমর সৃষ্টি!


সভাসদ আসুন পৃষ্ঠা ঊল্টাই
স্পিচ ফ্রি না ফ্রি স্পিচ হঠকারিতায়
একমাস ব্যাপি রাষ্ট্রীয় শোকপালনের সমাপ্তি অধিবেশনে
মুখ্য অতিথীর ভুমিকায় উদ্যাম শরীর ;পক্ষাবলম্বনে
বোকাবাক্সে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বুদ্ধীবেশ্যাদের ম্যাতকারে অসহ্য
বমি বের হয়ে আসে আর
বরাবরের মতন আমার অসহায় হাসি।
মুক্ত আকাশে শকুনের স্বাধীনতা ডিসপ্লেতে ফুটে ঊঠে-
' তোমাকে সাজিয়ে রাখা আশ্রমে ছুটির কুয়াশা আর জমে ওঠা প্রস্তাবগুলি ।'

পরের পৃষ্ঠা

পরের পৃষ্ঠা এখনই উল্টানো যাচ্ছেনা
অক্সফাম, ইউএস এইড,বাংলালিংক হয়ে
মাঝপথে টাংগাইল,কিশোরগঞ্জ,
মাঝরাতে হঠাৎ রাষ্ট্রবিজ্ঞান,মনোবিজ্ঞানের ঘর হয়ে "আমায় ভাত
খাইয়ে দিয়েছো" গল্পটা অকার্যকর
ইতিহাস বিভাগের দরজায় কালি ঝুলি
মেখে বসেছিলো।
আমি হাসি মুখে নামিয়ে
এনেছি,গল্পটাকে।
নিরাপদ বুকবন্দী করে রেখেছি।--
এই বলে ঈশ্বর থামলেও!
তুমি কিংবা তোমার স্বজনপোষণ থামেনি!

তোমার তদন্তে ময়না বসেছে,দ্যাখো গিয়ে।
যেখানে ভাত খাইয়ে দেয়াটা গল্প নয়,
কেবলই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ,
সেখানে
একটা কালো মার্সিডিজ সি এম ভি,ঘুমায় !
এই শহরে কোনো কন্যার গ্যারেজে,সারারাত

Saturday, August 15, 2015

রুপন্তী ২

কোথাও কেউ নেই? হাতরে ইতিউতি পাইনি গত শতাব্দী ভর তোমায়?রুপন্তী প্রতিটি কবিতা আজ শবাধারে।

Friday, August 14, 2015

কথা

বাইরে বৃষ্টি ঘরময় বন্যা।তুমি আমি চিন্তিত ঠোটে ছুয়ে নিজেদের;বলছি কথা ভালোবাসার।

নিঃশব্দ ঘাতক

বুকের ভেতর একটা অনাবিস্কৃত নীল হ্রদ,
চোখে দ্রুপদী বিষন্নতা এবং সত্যি;
পরিস্থিতি কোনো ভাবেই প্রতিরোধ যোগ্য নয়!

তোমার জানলার ধারে কদম গাছ
কিংবা ছাদের টবে বেগুনী নাম ভুলে চুকে যাওয়া ফুল!

আকাশে অবকাশের বার্তাবাহক শকুন,
উড়ছে তোমার দেয়া অগাধ স্বাধীনতায়!
অথচ জানো?
ভালোবাসার সাথে তোমার কথা হয়না হাজার বছর।
অথচ,ভালোবাসার চোখটায় কুয়াশা,
আসে আর ভিজিয়ে দিয়ে যায়।

অথচ গোপন কুঠরীঘরে শুন্যতার সহবাস
নৈঃসংগতার সাথেই!

আমি কি চাইলাম?
তুমি আসবে কি আসবেনা?
এই জোড়া প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই কোথাও!

অতএব, আমি চাই ঘুম আসুক নিঃশব্দ
নিশিথে ঘাতক
হয়ে;চোখের পাতায় আমার!

Thursday, August 13, 2015

ফায়ার অন আইস

"ফায়ার অন আইস-এক আততায়ী সংবাদ"
চোখ আটকে যায় দৈনিকে,
হৃদয় এক এন্টিসেপটিকে দেয় রাত
পাহাড়া।

একটা রুমালের রং যাচ্ছে,হচ্ছে ক্লিশে।
তোমার জানলায় ঠায় দাড়িয়ে আমার,
রাতে শীতও লাগেনা!
হলদে রিকশায় উঠে,
অতঃপর প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া "মৃত্যু কতদুর?"

প্রথম সকালের দিপ্ত উচ্চারন-
"মৃতদের আবার মৃত্যু কিসের?"
ক্লান্ত আমার পিপাসার্ত শব্দে এক
বাক্য আওড়ানো
"আমি তবে জন্মাইনি কোনো কালে!"

রিকশা চালকের পেছন ফেরা অবাক
দৃষ্টিতে বুঝে যাই
মাঝে মাঝে শুন্য দৃশ্যপট ও এক একটা
ভ্যানগগ!

শহরে আজ বড্ড তাড়াহুড়োয়
বেদনার নীল শব্দগুলো স্থির ক্যানভাস
হয়
মাইকেল এঞ্জেলোর!

হঠাৎ ভেংগে চুরে এক দৈত্য উঠে যায়
রিকশার উপর,
তারপর কিছুই আর মনে নেই,

কেবল
মৃতদের আবার মৃত্যু কিসের!

প্রতিবাদী গল্প শেষ, আমি আর
জিজ্ঞেস করছিনা- ক্যামন আছো!

ঠোট

ক্লান্ত বিকেলের তেরছা রোদের
মতন ভিজে চুলে,
ড্রয়িংরুমের দৃশ্যপটে হঠাৎ তুমি!

ছোঁ মেরে আমার ঠোট দুটো তুলে
নিয়ে ২০১২,১৬ইডিসেম্বর মিলিয়ে যাও।
ঠোটের খোজে আমি নিরুপায়!
একটা চুমুর জন্য ফ্রিজ হাতড়াই
অনন্তকাল....

দেয়ালের ওপাড়েই বৃষ্টি,
শহর কাকভেজা হয় নিমিষেই।
চোখের সামনে ঝাপসা মে ০৯,২০১৩...
তুমি রোমান্টিক এলিভেটর;ননস্টপ!!

এভাবে একের পর এক দৃশ্য
বায়োস্কোপের মতন আসে আর যায়।
বুকের গরাদে প্রনয় থেরাপির অভাবে
আইজউদ্দিন কষ্টে আছে!

সময়ের ঢোকে ঢোকে ঈশ্বর ও মাইক্রোসফট!
# sM !

ডেফিনেটলি!


ডেফিনেটলি ভালোবাসা বাড়ি
ফেরেনি,
হামাগুড়ি দেয়া পথে পাথর, যা
সরাচ্ছি আমি।
অন্তত পথগুলো পথ হয়ে উঠুক!

Sunday, August 9, 2015

প্রটোকল।

তুমি আমার রক্তে রক্তে লিখা সুই-সাইড নোট
" আমি তোমার চোখের কালো চাই"

আকাশের প্রোটকল মানবেনা মেঘ।

Wednesday, August 5, 2015

বলে দেবো

ঈশ্বর এ জন্মে তুমি হয়ে জন্মেছে বলেই,
আমি ভিজি নীরব প্রত্যাখ্যানের রোদে,
জ্বলে যাই ভালোবাসার মেঘে উন্মত্ত ভিসুভিয়াস হয়ে।

আবার কাঠফাটা গাছে শুকাই অপেক্ষারত
তোমার স্লথ অভিমানের নীলে।

একদিন তুমি আসবেই, বলে দিচ্ছে সভ্যতা।
তোমাকে আসতেই হবে শুন্যে,
তোমার লাল রক্তে যে আমি থেকে থেকে শুন্যতায়
শুন্য একে একে থেকে যাই অথবা হারাইনি তোমা হতে।
সেদিন, সেই দিন আমার একদিন আসবেই দেখে নিও।

সেদিন, আমি বলে দেব
আমি বলে দেব এক কোটি উনসত্তর লক্ষ তেত্রিশ
হাজার ভেজা চুমু শুকাচ্ছিল মহুয়া পাতা হয়ে কোন বারান্দায়।
বলে দেবো, তোমার পেটের চাঁদে পূর্ন অমাবস্যাতিথি ক্যানো।
বলে দেবো পূর্ন ছায়াপথে সীমান্তরেখা ক্যানো।

বলে দেবো তোমার অস্তিত্ব কুয়াশায় ঢেকে,
আমার মাণচিত্রে আরোপিত জলোচ্ছ্বাস এনে দিলো "কারা ওরা"!!

তোমায় মনে করিয়ে দেবো,সেদিন
কিভাবে ছিলাম দুজনে বিশৃঙ্খল প্যারেড গ্রাউন্ডে ভালোবাসায়?
কিভাবে দেখছিলাম, নি:শ্বাস বন্ধ করে
নাকের ডগায় আর তোমার বুকে জমে থাকা মুক্তোমিছিল।
মনে করিয়ে দেবো কিভাবে ভালোবাসায় মাছ
সূর্যের জন্য এসে সমুদ্রে থেকে যায় চীরকাল?

মনে করিয়ে দেবো কিভাবে চীরদিন তোমার স অ ব তির তির করে
কেপে কেপে ওঠা সময়গুলো আমার ছিলো?
একদিন দেখে নিও ঠিক ঠিক আমি তোমার কানে
ফিস ফিস করে বলে দেবো
"আমাদের ঘুমের শিশুরা ঘুমায় কোথায়?

একদিন দেখে নিও~ ১


যেদিন আমার আসমান সমান টাকা হবে,
সেদিন আমি তোমার কাছ থেকে কিনে নেব
এক "ব্যক্তিগত আওয়ার"
ঠিক এক কাজল বিক্রেতার স্বপ্নের মতন।
সেদিন হয়ত তোমার সাথে আমার দেখা হবে,
সেদিন হয়ত কথা হবে,
সেদিন হয়ত
আমি বলে দেবো আজ আমি ক্যামন ছিলাম!

একদিন দেখে নিও ~ ২


ঝড় শুরু হয়েছে, শুনতে পাচ্ছো তো? দেখতে পাচ্ছো তো? আমার আর কিছুই করার ছিলোনা।
 তোমাকে ভালোবাসা বোঝানোর জন্য! বৃষ্টি আর ঝড় দুয়ে মিলে বোঝাবে তোমায় আমি কে? আমি কি? আমার কিছুই নেই, তোমায় ভালোবাসার মস্ত আকাশটুকু ছাড়া।

আমি এক রক্তরঙ্গ এর শাড়ী কিনেছিলাম, ডাকবাক্সে পাঠিয়েছি তোমার বাড়ির ঊঠানে। পেয়েছো কি না জানিনা? আসলে জানা হয় না,আমার অনেক কিছুই। যেমন জানা হয়না পৌঢ় এ বুক এখন আর কেঁপে ওঠেনা ক্যান!
আমার যখন এক আসমান টাকা হবে, তখন আমি কিনে নেবো দু:খ আছে যা তোমার। হাসির প্রলেপে সাজিয়ে দেবো ১০৩ শাড়ীতে।

তখন হয়ত তুমি তোমার কোলে মাথা রাখতে দেবে,তখন হয়ত আমার চোখে চোখ রেখে তুমি বলে দেবে - আমি বোকা ছেলেটা কে খুব ভালোবাসি।
তখন আমি তোমায় বলে দেব তুমিহীন মৃত্যু কেনো স্পর্শ করেনি আমায়।
ঠিক দেখে নিয়ো একদিন!

একদিন দেখে নিও ~ ৩


চুড়ি কিনেছিলাম এক গোছা, সাথে ১২৩ টি পুরানো নিউজপ্রিন্ট কাগজে লেখা চিঠি আর ১৯ কবিতা। স অ ব পাঠিয়ে দিয়েছি এক বোকা ডাক বাক্সে।প্রাপ্তিযোগ করতে হবেনা।
প্রাত্যহিকতার অংশ হয়ে গিয়েছে তোমার ফটোগ্রাফ সামনে নিয়ে কথা বলে হাত বোলানো তোমার নাক-মুখ-চোখ-ঠোট আর ঝাপসা চোখে চিৎকার করা তোমায় চেয়ে। চৈত্রের বৃষ্টি আজ নতুন রুপ নিয়ে নিলো, থেমে থেমে স্বয়ংকৃয় বড় বড় ফোটায়।
আজ এক কথা লিখে দিচ্ছি, জানিনা আজকের পর আমি থাকবো কিনা। এটাকে প্রলাপ কিংবা কবিতা অথবা মুক্তগদ্য ভেবোনা।

বৃষ্টি ধুয়ে নিচ্ছে সব, এক্কেবারে স অ ব। পরিস্কার হচ্ছে বুকে জমাট শীতে জর্জরিত কষ্ট, কান্নায়। কেউ বলেছিলো মরে যাওয়ার আগে একটা পরিস্কার শার্ট পরে নিও। আমি তাই বৃষ্টি তে ধুয়ে নিচ্ছি সব নোংরা দাগ, কেবল থেকে যাবে বুক পকেটে তোমার চুমুর মাণচিত্র।
একদিন দেখে নিও আমি এক কাপ চা এর দামে কিনে নেবো তোমার ঠোট, তোমার বুকের সোদা গন্ধ। যা বারবার নিয়ে যায় মাটির কাছাকাছি আমায়।
একদিন দেখে নিও এ শহর বলবেই তোমায় ~
"ভালোবাসা মরে গ্যাছে অসংখ্য প্রশ্ন মাটিচাপা দিতে, বাঁচিয়ে তোমায়। তুমি বাঁচো বৃষ্টি মেখে, তাতেই পাবে পাগলের ভালোবাসা।"

আকাশ কুসুম স্বপ্নের আকাশ থাকেনা কখনওই, স্বপ্নের ভেতর যাওয়া যায় অনেকদুর। স্বপ্নে বয়স বাড়েনা কারো,আমি তাই আটকে রেখেছি সময় কে তোমার রুমাল কিনতে যাওয়ার দিনেই।
জানো আজ এখন বৃষ্টি হচ্ছে, মেঘ আর রোদ্দুর আমার হার না মানা কষ্টের কাছে হার মেনে গোটা পৃথিবীর আলো নিভিয়ে নেমেছে তোমার আমার শরীর বেয়ে।
একদিন আমি তোমায় বলে দেবো কতটা আগুনে পুড়ে কষ্ট শিমুলতুলা হয়ে ভেজে?

একদিন দেখে নিও~ ৪



একদিন দেখে নিও,
তুমি একদিন দেখে নিও ঠিক আমি জায়গা করে নেব।
জায়গা করে নেব তোমার স্নান ঘরের দামি মোজাইকে।
আমার লেখা কবিতার নকশায়।


একদিন আমি ঠিক ঠিক পৌঁছে যাবো তোমার বারান্দায়।
জায়গা করে নেব তোমার হাসি,
তোমার বালিকা সুলভ দুষ্ট চাহনি,
তোমার নাকের ডগায় ঝুলতে থাকা রাগ,
মোদ্দা কথা তোমার মানচিত্রে,একদিন আমিই থাকবো।

একদিন তুমি জানবেই, তুমি আমাকেই ভালোবাসো।
একদিন তুমি নিজে থেকেই জেনে যাবে,

যা কিছু প্রকাশ্য,
যা অপ্রকাশ্য।

সেদিন,সেদিন না হয় এক কাপ চা বেশী খাবার অপরাধে
 বিনা বিচারে তোমার হাত আজীবন ধরে রাখার দন্ড দিও।
একদিন তুমি জেনে যাবে,
কি অবিশ্বাস্য রুপে অবিশ্বাস করার ক্ষমতা তোমার!
সেদিন না হয় তোমার কাজল হয়ে লেপ্টে চোখে
তোমার, এক ভালোবাসায় বিশ্বস্ত চোখে কেবল তোমায় দেখব।

সেদিন তোমায় বলে দেবো কতগুলো রাত শুয়েছি
আর কতগুলোতে ঘুমিয়েছি?
সেদিন বলে দেবো হাওর বাওর সমুদ্র কিভাবে চলে এলো চোখে আমার?
কিভাবে আমার ব্যক্তিগত আকাশে আমি
সাইকেল চালাই আর কাঠ কয়লার কবিতা লিখি!

এপ্রিলের খোলা চিঠি

"এপ্রিলের খোলা চিঠি"
শিরোনামে শিরোনামহীন এক নিখোজ সংবাদ বুলেটিন
লেখার ইচ্ছে আমার।

জানিস অভ্র এই এপ্রিলেই ছিলো একমাত্র "ফটোগ্রাফ"।
এপ্রিল এলেই কাঠঠোকরার লম্বা ঠোট,
ঘাস ফড়িং এর পাখায় থাকা স্বপ্ন আমার, খেলা করে ব্যক্তিগত আকাশে।
নিখোঁজ সংবাদ বুলেটিনে জায়গা হওয়ার কথা ছিলোনা আমার।
কথা ছিলোনা ইতি উতি ইতস্তত বিক্ষিপ্ত উড়া উড়ির।
কথা ছিলোনা খোদার হঠাৎ মুক্তিযোদ্ধা হয়ে ওঠার।
কথা ছিলোনা ঈশ্বর পুত্রের বেশ্যা হওয়ার!
কথা ছিলোনা বিষন্ন মাণচিত্রে কাক-শকুনের থাবায়
একবেলার খাবার চুরি হওয়ার।
এমন অনেক কিছুতো হওয়ার কথা ছিলোনা।
তবু ক্যানো জানি হয়ে যায়?
জানিস অভ্র, লাল আজ লাল নেই।
হয়ে আছে ভার্মেলিওন রেড,
সবুজ হয়েছে বটল গ্রীন।
চায়ের কাপে রক্ত, বৃষ্টিতে কাদামাখা স্বপ্নের স্বরবর্ণ।
ভালোবাসায় ভালোবাসা নেই, আছে স্ট্রবেরী কাম!
এসব দেখে দেখে ক্লান্ত,শ্রান্ত আকাশে বসে বসে আমি ভাবি
"আর জন্মে মানুষ হবো, এ জন্মে না হয় প্রেমিক হলাম।

উদ্ধার অযোগ্যতায়

এক বেড়ালের কথকতা নাকি এক
অন্তহীন শব্দের মৃত্যুকথা, কি জানি বাপু?
আমি অত শত বুঝিনা, গুছিয়েও কথা বলতে পারিনা।

এই,
এই শরদিন্দু, ওঠ!
উঠে বস দেখি শরদিন্দু, আচ্ছা মনে আছে তোর।
তুই খুব চীনের প্রাচীর পছন্দ করতি,
ঘরময় চীনের প্রাচীরঘেরা সব মিথ ছিলো;
স্কুল পলাতক ছাত্রদের স্যারের হাতে
ধরা পড়ার আগ মুহুর্তের মতন অগোছালো।

তোর ছিলো খুব বেশী পরিবার
পরিবার কথাবার্তা আর বিশ্বাস জমা
বাহির ঘরের শকুন শেয়ালের খাদ্য হতে!
এক আশ্চর্য দ্বৈত ভুমিকা ছিলো জীবন
যাপনে; তোর।

তোকে নিয়ে কথোপকথন শুরু করেছি, এক
গল্পের স্বার্থে।

শুনবি শরদিন্দু দস্তিদার সে গল্প।
জানিস এভাবে হয় না কিছুই,
ক্লান্তিহীন মৃত্যু প্রতিনিয়ত।
মেঘের জোয়ারে ভেসে যাওয়া
আকাশের এক কোনে, এক স্বপ্নের দখলে
থাকে জেগে জেগে শুয়ে থাকা
রাত।
যেনো এশট্রেতে স্তুপাকারে জমে
থাকা পোড় খাওয়া সিগারেট।

রক্তে আর শিরার প্যাঁচানো সিড়ি
বেয়ে আজ কাল এক পানকৌড়ি হেটে
বেড়ায়।

উদ্ধার অযোগ্যতায় আর সময়ের আলস্যে
হারিয়েছে এক কবিতার শাড়ী,
জানিস আমি আধো আলোয় আবার
প্রতারিত হই,আধো ঘুমে।
তোকে এই প্রতারিত হওয়ার এক
বাক্যের গল্প বলবো বলেই,
আমি মৃত্যু দূতের কাছ থেকে মৃত্যুপরবর্তি
কালীন ছুটি না নিয়েই চলে এসেছি!

হাতে সময় বড্ড কম।
তবে শোন প্রতারিত হয়ে ফিরে
যাবার গল্প
" গত জন্মে আধো আলোয় ভালোবাসার
ঠোট ভেবে চুমু খেয়ে ফেলি ঈশ্বরের
ঠোটে আর এভাবেই প্রতারিত হয়ে মৃত্যু
হয় আমার গতরাতেই"

এরপরেও বলবে তুমি!

সিগারেটের ধোয়া যখন কুন্ডলী পাকিয়ে ওঠে
তখন ভিসুভিয়াস এর লাভা উদগীরনের ছবিটা
চোখের সামনে চলে আসে।
এ এক অদ্ভুত মিল!

সিগারেটের সাদা ধোয়া বার বার
হাত ফস্কে বেরিয়ে যায় যেমন
ভালোবাসার বৃষ্টি;চুইয়ে পড়ে হাতের রেখা বেয়ে।

সিগারেট টেনে ফেলে দেয়ার পর, তারপর,
অনেকপর পর্যন্ত পুড়ে যায় ভেতরবাড়ি।
সিগারেট আর হৃদয় রাজ্যের রাজকন্যা
তোমার অনেক অন্ত:মিল খুজে পাই।

সিগারেট এর ফিল্টারে যখন আমার
ঠোট তখন আমি স্পর্শ পাই তোমার ঠোটের,
সে কি জ্বলন্ত অনুভুতি।
যার ছোয়ায় পুড়ে পুড়ে খাটি হয়েছে আমার কালো ঠোট।
এইযে এখন তুমিময় তুমিহীনতায়
আমার জীবন যাপন, এখানেও সিগারেট আংগুল এর ফাকে।
 যা জানান দেয়,যা বিশ্বাস করায় আমায়।
আমি তোমার পেলব আংগুল ধরে রেখেছি আমার আংগুল এর ফাকেই।
এরপরেও বলবে তুমি "ছেড়ে দাও সিগারেট"
এরপরেও বলবে তুমি!!!!

প্রিয় বাংলাদেশ,

প্রিয় বাংলাদেশ,
আরোপিত গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৃষ্টিস্নাত
রাজধানী ঢাকার রাস্তায় আজ সন্ধ্যেবেলা
এক চায়ের দোকান খুজতে গিয়ে যখন ভাবছি লিখে দেবো,
ক্ষুধামন্দার শহরে আজ এক মৃত্যু ক্ষুধা
তোমার অকাল অস্থিরতায়।

তোমার চাওয়া-পাওয়ার হিসেবের গরমিলে
আমি ঢুকে পড়লাম হয়ত আবার নতুন রুপে
পুরাতন তোমার প্রাগৈতিহাসিক ভালোবাসায়।


আকাশ দেখেই বুঝে নিচ্ছিলাম, তোমার নাক ঘামছে।
ঠোট শুকিয়ে চৌচির সাহারা মরুভুমির ন্যায়,
হৃদয় নগর পুড়ছে ট্রয় এর ন্যায়,
কিছু বলে দিতে চাচ্ছিলে আমায়, 

ঠোট ছুঁয়ে দিচ্ছে ভেতর বাড়ির উঠোন।
মসজিদ-মন্দির-গির্জায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে

 "আমায় নাও!"
নৈশকালীন সংবাদ বুলেটিনে, 

সুহাসিনী পাঠিকা বলে দিচ্ছে তোমার 
এতদিনে জেগে ওঠা কন্ঠে-
"বোকা,আমি তোকে ভালোবাসি।"


এসব কল্পিত ঘটনা ভাবতে ভাবতে
সিগারেটের বিল না দিয়েই কখন বাসার ছাদে
আমি বুঝে উঠতে পারিনি।
হঠাৎ দেশলাইকাঠি জ্বলে উঠতেই দ্যাখি আমার বন্ধু,
আমার বন্ধু নিতাই বিড়বিড় করে বলছে কিছু,
কাছে যাই, শুনতে পাই-
"ভালোবাসা হেরে গ্যালো কামের জোয়ারে।''

বৃষ্টিতে ভিজে শহর,নগর আর ভিজে শাড়ী
সেই সাথে ভিজে যায় ভেতর বাহির।

স্পষ্ট হয় অন্তর্বাসের লাইনারও,
কেবল অস্পষ্ট থেকে যায়
তোমার তে-কোনা হৃদয়ে থাকা আমি।
তোমার ক্লিভেজ দেখে উত্তেজিত হবনা,
শরীর পরেই ছুই,
আগেতো ভালোবাসি।
এ ধারণার আমি যখন মুখ ঘোরালাম।
বলে দিলে "নৃপুংসুক!"

এত যদি শরীর চাও,মেয়ে তবে আমি ক্যানো।
জলজ শুকর নিয়ে নাও তোমার ভালোবাসার তালিকায়।
জানোই তো ইতর প্রাণীর প্রজনন ক্ষমতা বেশিই।

হঠাৎ চেয়ে দ্যাখি নিতাই ছাদে নেই,
নীচে ১৭ তালার নীচে।
আর আমি আরেকটা সিগারেট ধরিয়ে গোল ধোয়া
আকাশে ছুড়ে দিয়ে বলি-
আমার মৃত্যুর জন্য
এ শহরের বুকে বাষ্প হয়ে উড়ে চলা ক্লিভেজ দায়ী "

তে-তলার কোনার ঘর

রাইটার্স বিল্ডিং এর তে-তলার কোনার ঘরটায়,
চাঁপা ফিসফাস
 মোমবাতির আলোতে শপিংমল বিষয়ক আধুনিক কবিতা লেখার বিষয়
তখন মুখ্য আর ভালোবাসা সেতো যাদুঘরে
সাজানো নৃ-তাত্ত্বিক উপাদান।

আর এদিকে একটি শব্দ,
সমুদ্র বিষয়ক মুচলেকা নিয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত সূর্যাস্তের নোটবুকে
ডিপ্রেশনের আড়ালে আর্তনাদে,আধুনিক হয়নি বলে।

আত্মপরিচয়ের খোজে আধুনিক সিড়ি
বেয়ে একটি যুবতী এলে তাকে পাঠানো হয়
সেই তে-তলার কোনার ঘরটায়।
যেখানে ফিসফাস আওয়াজ জানাচ্ছে
আধুনিকতার প্রপোজাল লেটার লিখার নিয়মাবলী।

আধুনিকতার জন্ম ও মৃত্যু
পর পর পরস্পর কে ছুয়ে ছুয়ে আত্মহত্যা করে।
যা সংবাদ মাধ্যম প্রচার করে নাম দিয়ে
"যৌণ নিপিড়ন।"

আধুনিকতার লালা পড়া লাল টকটকে
জিভ চেটেপুটে খেয়ে নেয় রোদের ভিটামিন আর
ভালোবাসার প্রোটিন,কেবল প্রাগৈতিহাসিক হবার অপরাধে।

বাহ! অদ্ভুত মানবিক আধুনিক সভ্যতা!
লিখে যাচ্ছে শকুনের মত গিলে ফেলে মাণচিত্র।

আজ আমার মৃত্যুর মতন নিরবিচ্ছিন্ন
একান্ত আপন এক ঘুম বড্ড প্রয়োজন।

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...