Search This Blog

Wednesday, August 5, 2015

উদ্ধার অযোগ্যতায়

এক বেড়ালের কথকতা নাকি এক
অন্তহীন শব্দের মৃত্যুকথা, কি জানি বাপু?
আমি অত শত বুঝিনা, গুছিয়েও কথা বলতে পারিনা।

এই,
এই শরদিন্দু, ওঠ!
উঠে বস দেখি শরদিন্দু, আচ্ছা মনে আছে তোর।
তুই খুব চীনের প্রাচীর পছন্দ করতি,
ঘরময় চীনের প্রাচীরঘেরা সব মিথ ছিলো;
স্কুল পলাতক ছাত্রদের স্যারের হাতে
ধরা পড়ার আগ মুহুর্তের মতন অগোছালো।

তোর ছিলো খুব বেশী পরিবার
পরিবার কথাবার্তা আর বিশ্বাস জমা
বাহির ঘরের শকুন শেয়ালের খাদ্য হতে!
এক আশ্চর্য দ্বৈত ভুমিকা ছিলো জীবন
যাপনে; তোর।

তোকে নিয়ে কথোপকথন শুরু করেছি, এক
গল্পের স্বার্থে।

শুনবি শরদিন্দু দস্তিদার সে গল্প।
জানিস এভাবে হয় না কিছুই,
ক্লান্তিহীন মৃত্যু প্রতিনিয়ত।
মেঘের জোয়ারে ভেসে যাওয়া
আকাশের এক কোনে, এক স্বপ্নের দখলে
থাকে জেগে জেগে শুয়ে থাকা
রাত।
যেনো এশট্রেতে স্তুপাকারে জমে
থাকা পোড় খাওয়া সিগারেট।

রক্তে আর শিরার প্যাঁচানো সিড়ি
বেয়ে আজ কাল এক পানকৌড়ি হেটে
বেড়ায়।

উদ্ধার অযোগ্যতায় আর সময়ের আলস্যে
হারিয়েছে এক কবিতার শাড়ী,
জানিস আমি আধো আলোয় আবার
প্রতারিত হই,আধো ঘুমে।
তোকে এই প্রতারিত হওয়ার এক
বাক্যের গল্প বলবো বলেই,
আমি মৃত্যু দূতের কাছ থেকে মৃত্যুপরবর্তি
কালীন ছুটি না নিয়েই চলে এসেছি!

হাতে সময় বড্ড কম।
তবে শোন প্রতারিত হয়ে ফিরে
যাবার গল্প
" গত জন্মে আধো আলোয় ভালোবাসার
ঠোট ভেবে চুমু খেয়ে ফেলি ঈশ্বরের
ঠোটে আর এভাবেই প্রতারিত হয়ে মৃত্যু
হয় আমার গতরাতেই"

No comments:

Post a Comment

Featured Post

দ্যাখা অদ্যাখা কাব্য ১-৩

দ্যাখা – অদ্যাখা কাব্যঃ  ১ আমি চাই তোমার সাথে কোথাও কখনোই আমার দেখা না হউক, আমি চাই, প্রানপনে চাই। তাই এড়িয়ে যাই, তোমার হাটা পথ...