উগান্ডা নামক গণতান্ত্রিক এক বুর্জোয়াবাদী শাষন ব্যবস্থায়
শুনানী হচ্ছে বদ্ধঘরে, শুণানী হচ্ছে মৃত্যেুর উগান্ডা নামক গণতান্ত্রিক এক বুর্জোয়াবাদী শাষন ব্যবস্থায়
শুনানী হচ্ছে বদ্ধঘরে, শুণানী হচ্ছে মৃত্যেুর পর ধর্ষণের শিকার রাষ্ট্রের।
বলা হচ্ছে মৃত্যুর পর বুক থেকে খসে যাওয়া আঁচল নাকি মন্ত্রীর ছেলেকে বাধ্য করেছে ধর্ষন করতে।
বলা হচ্ছে নেকরোফিলিয়া রোগাক্রান্ত হলে এর কোনও বিচারিক দায় নেই, বিচার ব্যবস্থায়।
ঠিক সেই মুহূর্তে আমি জিপার খুলে মুতে দেই আমার রাষ্ট্রে।
মুতে দেই বিচারিক ব্যবস্থায়,
মুতে দেই উগান্ডা বইমেলা পরিষদের জুতোয়
মুতে দেই পাসপোর্ট , নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট,আমার সরকারি চাকরীর উপর।
ভাবছেন বোকার হদ্দ আমি একি করলাম?
জ্বি বোকা আমি,
কবিকে মেধাবী নয় প্রতিবাদী হতে হয়।
শুনেছি বাংলাদেশেও নাকি মেধাবী কবি’র ছড়াছড়ি,
প্রতিবাদহীনতায় ,পুরষ্কারে ভেসে যায় অন্তর্গত বীজতলা,
শুনেছি এত এত মেধায় গত চব্বিশ বছর বন্ধ্যাত্ব বাংলা কবিতায়,
শুনেছি পা চেটে খাওয়া কুকুরের অভ্যাসে সব মেধাবী কবি
লিখতে পারেনি একটা কবিতাও, কেবল হামবড়া আমিত্ববাদে।।
“তবে জিপার খুলে মুতে দিয়ে ভালোই করেছিস” –
বন্ধু নবারুনে হুশ ফেরে উগান্ডার ,বাংলার কি ফিরবে?
বাংলাও কি বুঝবে কখনও –
“কবি ‘কে মেধাবী নয় প্রতিবাদী হতে হয়।“
পর ধর্ষণের শিকার রাষ্ট্রের।
বলা হচ্ছে মৃত্যুর পর বুক থেকে খসে যাওয়া আঁচল নাকি মন্ত্রীর ছেলেকে বাধ্য করেছে ধর্ষন করতে।
বলা হচ্ছে নেকরোফিলিয়া রোগাক্রান্ত হলে এর কোনও বিচারিক দায় নেই, বিচার ব্যবস্থায়।
তোমাদের নরকের মেঘ স্ফিত হয় না।
তাই প্যান্টের জিপার খুলেও আটকে ফেলি।
ভাবছেন কোনও অসহায় মেয়ে আমার সামনে শুয়ে?
ভুল ভাবছেন তবে।
ধর্ষন করতেও আজকাল মেধা দরকার,
অতটা মেধাবী ,উগান্ডার যেমন খুশি তেমন শিক্ষা ব্যবস্থা অন্তত
আমাকে বানাতে পারেনি।
আমি জিপার খুলে ফেলি,
আমার সামনে আমার উদর পূর্তির সরকারী চাকরী,
আমার সামনে উপ-সচিব মহোদয়া,
আমার সামনে বক্ষবন্ধনীহীন বক্ষ উন্মোচনের অপেক্ষায়
সহ- পরিচালক (রাজস্ব) এবং (আইন)
সামনে ধর্মান্ধ এবং ধর্ম বিদ্বেষী বেনিয়ার দল,
সামনে নির্লজ্ব বেহায়া মন্ত্রি- পরিষদ।
সামনে বসা অন্তর্বাস চুলকানো মাণবাধিকার কাউন্সিল।
গোয়েন্দা সংস্থার হোতকা মোটা পরিচালক ব্যস্ত মাদকের টাকা ভাগ-বাটোয়ারায়
রাস্তা থেকে রাষ্ট্র ডাকনামে তুলে এনে আমায়,
বিচার হচ্ছে,, বিচার হচ্ছে ভয়ঙ্কর আমার!
বিচার হচ্ছে শব্দের যা কবিতায় আওয়াজ করেছে।
বুদ্ধি বেশ্যারা ,বানচোদরা নসিহতে ব্যস্ত আঙুল থামিয়ে শুনছে ট্রায়াল।
ঠিক সেই মুহূর্তে আমি জিপার খুলে মুতে দেই আমার রাষ্ট্রে।
মুতে দেই বিচারিক ব্যবস্থায়,
মুতে দেই উগান্ডা বইমেলা পরিষদের জুতোয়
মুতে দেই পাসপোর্ট , নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট,আমার সরকারি চাকরীর উপর।
ভাবছেন বোকার হদ্দ আমি একি করলাম?
জ্বি বোকা আমি,
কবিকে মেধাবী নয় প্রতিবাদী হতে হয়।
শুনেছি বাংলাদেশেও নাকি মেধাবী কবি’র ছড়াছড়ি,
প্রতিবাদহীনতায় ,পুরষ্কারে ভেসে যায় অন্তর্গত বীজতলা,
শুনেছি এত এত মেধায় গত চব্বিশ বছর বন্ধ্যাত্ব বাংলা কবিতায়,
শুনেছি পা চেটে খাওয়া কুকুরের অভ্যাসে সব মেধাবী কবি
লিখতে পারেনি একটা কবিতাও, কেবল হামবড়া আমিত্ববাদে।।
“তবে জিপার খুলে মুতে দিয়ে ভালোই করেছিস” –
বন্ধু নবারুনে হুশ ফেরে উগান্ডার ,বাংলার কি ফিরবে?
বাংলাও কি বুঝবে কখনও –
শুনানী হচ্ছে বদ্ধঘরে, শুণানী হচ্ছে মৃত্যেুর উগান্ডা নামক গণতান্ত্রিক এক বুর্জোয়াবাদী শাষন ব্যবস্থায়
শুনানী হচ্ছে বদ্ধঘরে, শুণানী হচ্ছে মৃত্যেুর পর ধর্ষণের শিকার রাষ্ট্রের।
বলা হচ্ছে মৃত্যুর পর বুক থেকে খসে যাওয়া আঁচল নাকি মন্ত্রীর ছেলেকে বাধ্য করেছে ধর্ষন করতে।
বলা হচ্ছে নেকরোফিলিয়া রোগাক্রান্ত হলে এর কোনও বিচারিক দায় নেই, বিচার ব্যবস্থায়।
তোমাদের নরকের মেঘ স্ফিত হয় না।
তাই প্যান্টের জিপার খুলেও আটকে ফেলি।
ভাবছেন কোনও অসহায় মেয়ে আমার সামনে শুয়ে?
ভুল ভাবছেন তবে।
ধর্ষন করতেও আজকাল মেধা দরকার,
অতটা মেধাবী ,উগান্ডার যেমন খুশি তেমন শিক্ষা ব্যবস্থা অন্তত
আমাকে বানাতে পারেনি।
আমি জিপার খুলে ফেলি,
আমার সামনে আমার উদর পূর্তির সরকারী চাকরী,
আমার সামনে উপ-সচিব মহোদয়া,
আমার সামনে বক্ষবন্ধনীহীন বক্ষ উন্মোচনের অপেক্ষায়
সহ- পরিচালক (রাজস্ব) এবং (আইন)
সামনে ধর্মান্ধ এবং ধর্ম বিদ্বেষী বেনিয়ার দল,
সামনে নির্লজ্ব বেহায়া মন্ত্রি- পরিষদ।
সামনে বসা অন্তর্বাস চুলকানো মাণবাধিকার কাউন্সিল।
গোয়েন্দা সংস্থার হোতকা মোটা পরিচালক ব্যস্ত মাদকের টাকা ভাগ-বাটোয়ারায়
রাস্তা থেকে রাষ্ট্র ডাকনামে তুলে এনে আমায়,
বিচার হচ্ছে,, বিচার হচ্ছে ভয়ঙ্কর আমার!
বিচার হচ্ছে শব্দের যা কবিতায় আওয়াজ করেছে।
বুদ্ধি বেশ্যারা ,বানচোদরা নসিহতে ব্যস্ত আঙুল থামিয়ে শুনছে ট্রায়াল।
ঠিক সেই মুহূর্তে আমি জিপার খুলে মুতে দেই আমার রাষ্ট্রে।মুতে দেই বিচারিক ব্যবস্থায়,
মুতে দেই উগান্ডা বইমেলা পরিষদের জুতোয়
মুতে দেই পাসপোর্ট , নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট,আমার সরকারি চাকরীর উপর।
ভাবছেন বোকার হদ্দ আমি একি করলাম?
জ্বি বোকা আমি,
কবিকে মেধাবী নয় প্রতিবাদী হতে হয়।
শুনেছি বাংলাদেশেও নাকি মেধাবী কবি’র ছড়াছড়ি,
প্রতিবাদহীনতায় ,পুরষ্কারে ভেসে যায় অন্তর্গত বীজতলা,
শুনেছি এত এত মেধায় গত চব্বিশ বছর বন্ধ্যাত্ব বাংলা কবিতায়,
শুনেছি পা চেটে খাওয়া কুকুরের অভ্যাসে সব মেধাবী কবি
লিখতে পারেনি একটা কবিতাও, কেবল হামবড়া আমিত্ববাদে।।
“তবে জিপার খুলে মুতে দিয়ে ভালোই করেছিস” –
বন্ধু নবারুনে হুশ ফেরে উগান্ডার ,বাংলার কি ফিরবে?
বাংলাও কি বুঝবে কখনও –
“কবি ‘কে মেধাবী নয় প্রতিবাদী হতে হয়।“
পর ধর্ষণের শিকার রাষ্ট্রের।
বলা হচ্ছে মৃত্যুর পর বুক থেকে খসে যাওয়া আঁচল নাকি মন্ত্রীর ছেলেকে বাধ্য করেছে ধর্ষন করতে।
বলা হচ্ছে নেকরোফিলিয়া রোগাক্রান্ত হলে এর কোনও বিচারিক দায় নেই, বিচার ব্যবস্থায়।
তোমাদের নরকের মেঘ স্ফিত হয় না।
তাই প্যান্টের জিপার খুলেও আটকে ফেলি।
ভাবছেন কোনও অসহায় মেয়ে আমার সামনে শুয়ে?
ভুল ভাবছেন তবে।
ধর্ষন করতেও আজকাল মেধা দরকার,
অতটা মেধাবী ,উগান্ডার যেমন খুশি তেমন শিক্ষা ব্যবস্থা অন্তত
আমাকে বানাতে পারেনি।
আমি জিপার খুলে ফেলি,
আমার সামনে আমার উদর পূর্তির সরকারী চাকরী,
আমার সামনে উপ-সচিব মহোদয়া,
আমার সামনে বক্ষবন্ধনীহীন বক্ষ উন্মোচনের অপেক্ষায়
সহ- পরিচালক (রাজস্ব) এবং (আইন)
সামনে ধর্মান্ধ এবং ধর্ম বিদ্বেষী বেনিয়ার দল,
সামনে নির্লজ্ব বেহায়া মন্ত্রি- পরিষদ।
সামনে বসা অন্তর্বাস চুলকানো মাণবাধিকার কাউন্সিল।
গোয়েন্দা সংস্থার হোতকা মোটা পরিচালক ব্যস্ত মাদকের টাকা ভাগ-বাটোয়ারায়
রাস্তা থেকে রাষ্ট্র ডাকনামে তুলে এনে আমায়,
বিচার হচ্ছে,, বিচার হচ্ছে ভয়ঙ্কর আমার!
বিচার হচ্ছে শব্দের যা কবিতায় আওয়াজ করেছে।
বুদ্ধি বেশ্যারা ,বানচোদরা নসিহতে ব্যস্ত আঙুল থামিয়ে শুনছে ট্রায়াল।
ঠিক সেই মুহূর্তে আমি জিপার খুলে মুতে দেই আমার রাষ্ট্রে।
মুতে দেই বিচারিক ব্যবস্থায়,
মুতে দেই উগান্ডা বইমেলা পরিষদের জুতোয়
মুতে দেই পাসপোর্ট , নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট,আমার সরকারি চাকরীর উপর।
ভাবছেন বোকার হদ্দ আমি একি করলাম?
জ্বি বোকা আমি,
কবিকে মেধাবী নয় প্রতিবাদী হতে হয়।
শুনেছি বাংলাদেশেও নাকি মেধাবী কবি’র ছড়াছড়ি,
প্রতিবাদহীনতায় ,পুরষ্কারে ভেসে যায় অন্তর্গত বীজতলা,
শুনেছি এত এত মেধায় গত চব্বিশ বছর বন্ধ্যাত্ব বাংলা কবিতায়,
শুনেছি পা চেটে খাওয়া কুকুরের অভ্যাসে সব মেধাবী কবি
লিখতে পারেনি একটা কবিতাও, কেবল হামবড়া আমিত্ববাদে।।
“তবে জিপার খুলে মুতে দিয়ে ভালোই করেছিস” –
বন্ধু নবারুনে হুশ ফেরে উগান্ডার ,বাংলার কি ফিরবে?
বাংলাও কি বুঝবে কখনও –
