গ্রীনরুমে আয়নাতে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি পর্বে নাকের উপর বসানোর জন্য প্রেয়সীর প্রিয় লাল; আগুন মুখো লাল বল খুজছি......
"থার্ডব্লো- শেষ ফুলষ্টপ ১৫ এর সন্ধ্যায়"- শো একটু পর....
দিকশুন্যপুরের জাহাজীকে কোনও এক ডিসেম্বরের ৫তারিখে ভালোবাসি বলে জাহাজ নোঙ্গর করিয়ে; কিছুদিন পর ঠোঁটের উপর কালো টিপের মেয়ে হঠাত বলে ওঠে
"তোমাকে পাখি ভেবেছিলাম, এখন দ্যাখি তুমি জরাজনিত আকাশ। পাখি যতটা টানে ততটা আকাশ আমাকে টানেনা, আকুল করেনা।। তাই আজ থেকে আমরা দু-জন দুরের দ্বীপ।"
বীজগণিত, হিসাববিজ্ঞানে কাচা ছেলেটা ফ্রয়েডিয় ব্যার্থ মনোবিজ্ঞানের গিনিপিগ হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সিড়িতে হাটতে হাটতে দ্যাখে পাবলিক হেলথের দোরগোড়ায় আড়াইবছর আগেকার ৫০% শিক্ষাবৃত্তি।এক মানবীর পানি উবে গিয়ে লবন জমা চোখে এক বোকা দ্যাখেছিলো, জেনেছিলো, পড়েছিলো "আমি, তুমি ছাড়া বড্ড একা।" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশেরও কবি - বাক্যটার মতই যা এক ডাহা মিথ্যে......
তুমি দাঁড়াও একটু আমি আসছি- এ কথাটা একমাত্র
ভালোবাসা আর শৈশব বলে ছিলো।
"-- শৈশব!! সে আবার কে? বোদলেয়ারের চরিত্র নাকি? তারপর কি হলো? গল্প থামালে কেনো ?
-- তারপর এক দৈত্য ভেজা পা'য়ে টুটি চেপে মেরে ফেলে শৈশবকে,ভালোবাসা হয়ে যায় সামাজিক আলমারির চাবীর গোছাটার মতন ভারী। কেবল হাসফাস করে।প্রেয়সীর ভেজা চোখে তার নিজের স্বপ্নবৃত্তান্ত এর কোথাও ছেলেটা ছিলোনা,
তবুও পিপড়ের শহরে ছেলেটা ভালোবেসে নিজের চোখে দৃশ্যমান করে প্রেয়সীর স্বপ্ন, ছুটে চলে।।
ছুটতে ছুটতে হঠাত জেনে যায় --
"তুমি অতি ভালোবাসার মানসিক অসুখে ভুগছো"- নামক বিদায় বৃত্তান্ত।
-- "তারপর..তারপর কি হলো, উফফ..আবার থামলে ক্যানো! কোথায় যাচ্ছ .. আরেহ্ "
-- "আজ কয় তারিখ?এখন কয়টা বাজে? বলবে কি?
--"আজ ১৬ই ডিসেম্বর, রাত এখন ১১টা ৪৩মিঃ।"
-- "সাক্ষাত ঈশ্বর হয়ে মানিক মিয়া এভ্যুনিউ'তে
রাত ১১টা৪৩মিঃ~ কোনও এক ১৬, ডিসেম্বর
ছেলেটা ছুঁয়ে ছিলো ভালোবাসার ঠোঁট
আহ বৃষ্টি নামবে।। যাই এবার।"
--"গল্পটা শেষ হয়নি তো, এই..এইযে...কি আজব বৃষ্টিও পড়ছে দেখি।"
হঠাত সম্বিত ফেরে -
-- "এক্সকিউজ মি, আপনি কার সাথে কথা বলছিলেন এতক্ষন ম্যাডাম! আপনি সুস্থ্য আছেন তো।"
-- "কেনো দেখেন নি, কমলা টি-শার্টের একজন ছিলো তো। নাকি চোখের মাথা খেয়েছেন।"
-- "কেউ ছিলোনা ম্যাম, বৃষ্টি থেমেছে এবার বাড়ি যান। ১২টা বাজতে চললো।"
মেয়েটি রেষ্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে রাস্তায় নামতেই শুনতে থাকে.. কে যে নো কবিতা পড়ছে বাতাসে শুয়ে।।
“-আকাশের রানওয়েতে ভোরের আযান...
অসময়ের পত্রিকা বলে দিচ্ছে সুন্দরের চোখ সুন্দর খুঁজে বেড়ায়।
তাই আমার, চোখের ভেতরকার জলোচ্ছ্বাস তোমায় ভেজাবে না....
বুকের ভেতরকার জ্বরের আঁচ ছুঁবেনা তোমায়...
দর্শক অভিবাদন গ্রহন করুন এক
বোকা প্রেমিক,এক অ-প্রেমিকের।
স্টেজের আলোতে ঝলসে যাওয়া মুখ দেখুন আর..
দর্শক আংগুলে মুহুর্মুহু কড়া নাড়ুন..
শো- জমজমাট.....
আর ক্লাউন আমি, জোকার আমি
মুখটা উপরে তুললে...
ঈশ্বর অপেক্ষায় ফুলষ্টপ মেরে দ্যাখেন আমায়...
দেখেন একাকীত্বের অপেক্ষাকথনে ক্লাউন আমি ,
হাহ্, অপেক্ষার জলজ্যান্ত কবিতা, আমি।।
এক মস্ত সস্তা পাণ্ডুলিপি ১৬ই ডিসেম্বর রাত
১১টা৪৩মিঃ এর অলিখিত চুমু'তে।।
সমাপ্ত লেখা হয়না এক অভিমানী
রেল লাইনের জেদি ভালোবাসায়।
যেখানে নিজেকে শেষকরা ইতিহাসের পৃষ্ঠা
কোথাও কোনও এক ভবিষ্যতে সিগারেট
বানাতে কাজে লাগবে।।”
(আড়াইতলার সিঁড়িঘরটায় ঠোটের উপর ফুলষ্টপ)
সোয়েব মাহমুদ।।
আই.সি.ডি.ডি.আর.বি।
দিকশুন্যপুরের জাহাজীকে কোনও এক ডিসেম্বরের ৫তারিখে ভালোবাসি বলে জাহাজ নোঙ্গর করিয়ে; কিছুদিন পর ঠোঁটের উপর কালো টিপের মেয়ে হঠাত বলে ওঠে
"তোমাকে পাখি ভেবেছিলাম, এখন দ্যাখি তুমি জরাজনিত আকাশ। পাখি যতটা টানে ততটা আকাশ আমাকে টানেনা, আকুল করেনা।। তাই আজ থেকে আমরা দু-জন দুরের দ্বীপ।"
বীজগণিত, হিসাববিজ্ঞানে কাচা ছেলেটা ফ্রয়েডিয় ব্যার্থ মনোবিজ্ঞানের গিনিপিগ হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সিড়িতে হাটতে হাটতে দ্যাখে পাবলিক হেলথের দোরগোড়ায় আড়াইবছর আগেকার ৫০% শিক্ষাবৃত্তি।এক মানবীর পানি উবে গিয়ে লবন জমা চোখে এক বোকা দ্যাখেছিলো, জেনেছিলো, পড়েছিলো "আমি, তুমি ছাড়া বড্ড একা।" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশেরও কবি - বাক্যটার মতই যা এক ডাহা মিথ্যে......
তুমি দাঁড়াও একটু আমি আসছি- এ কথাটা একমাত্র
ভালোবাসা আর শৈশব বলে ছিলো।
"-- শৈশব!! সে আবার কে? বোদলেয়ারের চরিত্র নাকি? তারপর কি হলো? গল্প থামালে কেনো ?
-- তারপর এক দৈত্য ভেজা পা'য়ে টুটি চেপে মেরে ফেলে শৈশবকে,ভালোবাসা হয়ে যায় সামাজিক আলমারির চাবীর গোছাটার মতন ভারী। কেবল হাসফাস করে।প্রেয়সীর ভেজা চোখে তার নিজের স্বপ্নবৃত্তান্ত এর কোথাও ছেলেটা ছিলোনা,
তবুও পিপড়ের শহরে ছেলেটা ভালোবেসে নিজের চোখে দৃশ্যমান করে প্রেয়সীর স্বপ্ন, ছুটে চলে।।
ছুটতে ছুটতে হঠাত জেনে যায় --
"তুমি অতি ভালোবাসার মানসিক অসুখে ভুগছো"- নামক বিদায় বৃত্তান্ত।
-- "তারপর..তারপর কি হলো, উফফ..আবার থামলে ক্যানো! কোথায় যাচ্ছ .. আরেহ্ "
-- "আজ কয় তারিখ?এখন কয়টা বাজে? বলবে কি?
--"আজ ১৬ই ডিসেম্বর, রাত এখন ১১টা ৪৩মিঃ।"
-- "সাক্ষাত ঈশ্বর হয়ে মানিক মিয়া এভ্যুনিউ'তে
রাত ১১টা৪৩মিঃ~ কোনও এক ১৬, ডিসেম্বর
ছেলেটা ছুঁয়ে ছিলো ভালোবাসার ঠোঁট
আহ বৃষ্টি নামবে।। যাই এবার।"
--"গল্পটা শেষ হয়নি তো, এই..এইযে...কি আজব বৃষ্টিও পড়ছে দেখি।"
হঠাত সম্বিত ফেরে -
-- "এক্সকিউজ মি, আপনি কার সাথে কথা বলছিলেন এতক্ষন ম্যাডাম! আপনি সুস্থ্য আছেন তো।"
-- "কেনো দেখেন নি, কমলা টি-শার্টের একজন ছিলো তো। নাকি চোখের মাথা খেয়েছেন।"
-- "কেউ ছিলোনা ম্যাম, বৃষ্টি থেমেছে এবার বাড়ি যান। ১২টা বাজতে চললো।"
মেয়েটি রেষ্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে রাস্তায় নামতেই শুনতে থাকে.. কে যে নো কবিতা পড়ছে বাতাসে শুয়ে।।
“-আকাশের রানওয়েতে ভোরের আযান...
অসময়ের পত্রিকা বলে দিচ্ছে সুন্দরের চোখ সুন্দর খুঁজে বেড়ায়।
তাই আমার, চোখের ভেতরকার জলোচ্ছ্বাস তোমায় ভেজাবে না....
বুকের ভেতরকার জ্বরের আঁচ ছুঁবেনা তোমায়...
দর্শক অভিবাদন গ্রহন করুন এক
বোকা প্রেমিক,এক অ-প্রেমিকের।
স্টেজের আলোতে ঝলসে যাওয়া মুখ দেখুন আর..
দর্শক আংগুলে মুহুর্মুহু কড়া নাড়ুন..
শো- জমজমাট.....
আর ক্লাউন আমি, জোকার আমি
মুখটা উপরে তুললে...
ঈশ্বর অপেক্ষায় ফুলষ্টপ মেরে দ্যাখেন আমায়...
দেখেন একাকীত্বের অপেক্ষাকথনে ক্লাউন আমি ,
হাহ্, অপেক্ষার জলজ্যান্ত কবিতা, আমি।।
এক মস্ত সস্তা পাণ্ডুলিপি ১৬ই ডিসেম্বর রাত
১১টা৪৩মিঃ এর অলিখিত চুমু'তে।।
সমাপ্ত লেখা হয়না এক অভিমানী
রেল লাইনের জেদি ভালোবাসায়।
যেখানে নিজেকে শেষকরা ইতিহাসের পৃষ্ঠা
কোথাও কোনও এক ভবিষ্যতে সিগারেট
বানাতে কাজে লাগবে।।”
(আড়াইতলার সিঁড়িঘরটায় ঠোটের উপর ফুলষ্টপ)
সোয়েব মাহমুদ।।
আই.সি.ডি.ডি.আর.বি।
No comments:
Post a Comment