লাল-নীলের নোটিশবোর্ড কুয়াশাগ্রস্ত হয়ে
বুকের ভেতর রাত নামায় কখনও বেখেয়ালি সন্ধ্যার ঠোটে নষ্টালজিক দীর্ঘতর চুমু একে।
কখনও মেঘেরবাড়ি কতদুর? প্রশ্নে,
হবে কোনও এক নিষিদ্ধ করিডোরে! উত্তরে।
বাম বুকপকেটের দাসত্বে রাজত্ব করা ভালোবাসায় যা কিছু হারিয়েছে,
তা ফিরে আসার ঈংগিতবাহী সম্ভাবনা
নিয়েই হারিয়েছে।
আর যা হারায়নি ইচ্ছের কোলে তা খুজে পাচ্ছিনা কোথাও?
এ এক অদ্ভুত দুপুরে হ্যালুশিনেশন আমার!
লু-হাওয়া বইতে থাকা অপেক্ষায় উদভ্রান্ত
শহরে,সমুদ্র হঠাৎ হঠাৎ কিছু "আত্মহত্যা"
পাঠায়।
এক তরুন সযত্নে রি-ফর্ম করে তা কাঠগোলাপে ধরে রাখে।
নষ্ট হয়না,পচে যায়না।
শহরের বিগতদিনের গল্পে উকি দেয়া
বিকেলের একচিলতে সোনা রোদে
প্রেমিকার খোঁপায় নীল বর্নের ইচ্ছে হয়ে কেবলই ঊড়ে।
ঠোটের চলতি ধারাবিবরণীতে সুখ হয়ে ভাসে আদরের রিকশায়।
আর ছন্দপতনের বর্তমানে,
সম্ভাবনাময় সংসারে কথা ছিনতাই হয়ে যায়।
অথর্ব ষড়যন্ত্রের ভোতা ছুরিতে ছুরিকাহত প্রেমিক বেপোরোয়া ঈশ্বর হয়,
হয় অবাঞ্চিত নাগরিক নিজ শহরে।
পেপে গাছটার সবুজ পাতার ব্যাকসিটে কালোধোয়ার খেলায়।
শহর সীমান্তের বাইরে একদিন শেষরাতের পানশালায় মশালের আলো দ্যাখা যায়,
নিভে যাওয়া সিগারেট হাতে কেউ দুর থেকে দ্যাখে শহরজুড়ে লাল পিপড়ের মচ্ছব,
মিছিলে মিছিলে অপাংক্তেয় শ্লোগান,
ব্যানারে সাঁটানো নতুন পাঠ্যসূচী।
খেয়ে নিয়ে সুর্যোদয়ের প্রহর।
নতুন সামাজিক চক্রান্তে উদ্ধ্যত শকুন আশাবাদী দেয়ালে লিখে দিতে চায়
"কেউ কথা রাখেনি" অথচ এটা ইতিহাসের নোংরা মিথ্যা!
এইতো,ছাদে বৃষ্টি ভেজা বৃদ্ধ চারপেয়ে চেয়ার কথা রেখে এখনও দাড়িয়ে ঠায়।
কথা রাখতে এখন মনখারাপের দিন রাতে বৃষ্টিতে ডুবে যায় পাপের জনপদ!
এভাবেই হয়ত শেষ হতো,কিন্তু পান্ডুলিপির রচয়িতা তো "মহান ঈশ্বর".....
ক্লান্তির শেষসময়ে অবশেষে দ্যাখা মিললো,
দ্যাখা হলো শেষমেশ,শব্দটার সাথে।
ভালোবাসার বিছানায় অত্যধিক কম সংখ্যক গ্রামের বিশ্বাস পাশ কাটিয়ে,
শহর বোঝাই "আন-ইথিকাল" কামের ঘামে
নেশাতুর গনিতের ১+১=৩ ভুল ব্যাখ্যার জবুথুবু ডাষ্টবিনের উপরে সোডিয়াম হয়ে ঝুলছে,দ্যাখো যে শব্দের জন্য এত রক্তক্ষয়। সেই "পরাস্ত....!"
No comments:
Post a Comment