রুপন্তী,
কাকটা উড়ছে ক্যানো,আমিতো
যাবোনা কোথাও?
আমিতো তিলে তিলে ডুবে যাচ্ছি এক মাল্টিস্টোরেড অন্ধকারে।
সন্ধ্যের গাঢ়তে তোমার আংগুল ছুয়ে
অপরাজিতা না দ্যাখতে পারার
ব্যর্থতায়, নিদারুন অক্ষমতায়!
ডুবে যাই বীষে,নীলকন্ঠ হই প্রতিরাতে।
রুপন্তী,
আমি বোকা ছিলাম,প্রচন্ড বোকা।
তাই শুধু তোমাতেই নিমগ্নতা আমার, নিঃশব্দতার চিৎকার বুকে
চেপে চেপে হেটে যাওয়া আমাদের
পদচিহ্ন প'ড়া জনপদের ঠোটে।
রুপন্তী,
আমি আমাদের সময়টাকে আটকে
রেখেছি ২৯শে জুন,১৩ তেই।
পাশ দিয়ে বয়ে গ্যাছে কতগুলো দিন।
ছুইনি,স্পর্শ করিনি,হেটে গ্যাছি জীবিত থাকার প্রয়োজনে।
মাঝে মাঝে দ্যাখে এসেছি তোমার অফিস,তোমার ফিল্ড,বাড়ির পাশে তোমার সেই ৩০০ ফিটের রাস্তা।
সংস্কার কাজ চালানোর পর কাদা জমেনা আর,তাইনা!
তোমার ছাদটাকে মাঝেমধ্যে অনেক দুরের এক ছাদ হয়ে দ্যাখি।
রুপন্তী,
বিষন্ন হবোনা আমি,
এ এক ভুল প্রতিশ্রুতি।
ভালোবাসা তো ইচ্ছাধীন স্বৈরতন্ত্র ছিলোনা,কোনোদিন।
ভালোবাসা সে'তো ৩১ নং রোডে থেমে,
পা'য়ের পাতা থেকে স্পর্শ এলিভেটর এক;কপাল পর্যন্ত।
রুপন্তী,
হারানো প্রাপ্তিতে আঁজলা ভরা জল
আর আকাশের ডানপিটে নীলটাই
চিরন্তন। তুমিহীন অন্ধকারে নাবালক
একাকীত্বের ছায়া বড় হচ্ছে, বুক থেকে
বের হওয়া "হা হ" শব্দতে উড়ে গিয়ে তুচ্ছ হচ্ছে পৃথিবী।
রুপন্তী,
ও'রে বা'পস!
দ্যাখো,চেয়ে দ্যাখো!
ক্লান্ত শব্দ শরীর মিলে মিলে একাকী কবিতা হয়ে উঠেছে, শিরোনামহীন!
ঢাকা-১২১৯.....
No comments:
Post a Comment