সান্ধ্যকালীন ট্রেনে গোপন যাতায়াতে আমি কান পেতে নেই। কানাগলি জুড়ে শীতকারে গবেষক একদল তরুন আবিস্কার করলো রোদ এসে ছায়া হয়ে যায়। রেললাইনের ব্রীজে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার কিংবা মৃতপ্রায় কলোনিতে ফিসফিসিয়ে জোনাকিপোকা বলে সম্পর্ক অথবা মেঘ বালিকার কথা। আনন্দের আড়ালে মৃতকবির চেহারা দেখার চেষ্টা করি,খুব। হাতমুখ ধুয়ে মায়ের চিঠি খুলি, আমার মুখোশ ফুঁটো হয়ে যাচ্ছে।ফুঁটো দিয়ে বিবেক ঢুকে পড়ে।আমাকে জ্বালায়,খুব জ্বালায়। নতুন মুখোশের প্রয়োজনে আমি জীবিত হতে চাই আবার।
লিখতে চাই নতুন কবিতা।
টেরাকাটা শীত চাদরমুড়িতে বেরিয়ে যাচ্ছে।
বুকের গ্রাম জুড়ে হলুদ উৎসব আজ। ট্রেনের আওয়াজে ভর
করে ভালোবাসা শব্দটা বড় হচ্ছে। আলো দেখা মানচিত্রে
একটা ষ্টেশন একা.. একা.. তাকিয়ে থাকে শহরের দক্ষিণ
প্রান্তের এক ব্যতিক্রম আড়াইতলায়........
দুইঃ
মেয়ে, এবার আসো... খুলে রেখেছি দরজা জানলা।
এবার ছুঁয়ে দাও আমার হৃদয়; তোমার আংগুলে।
এসো এবার
মাথাটাকে একটা বালিশ দেই,
কপালটাকে বিশ্রাম,
দুই'পা কে সিঁড়ি,
অলস ঠোঁটটাকে কর্মব্যস্ত করি,
দেহটাকে ঢাকি চাদরে,
যে ভালোবাসা ঘুরছিলো একাকী অপেক্ষায়;
এসো, এসো তাকে মিছিল শেখাই।
No comments:
Post a Comment