“ এই, এই রিকশা যাবে?”
দুপুরের নির্জনতা খুন কোরে খুনী তুমি নীল শাড়িতে দাঁড়িয়ে।
হয়ত ওখানেই থেমে যেতো সবটুকুন।
তুমি হয়তো জানতেই না,
মনে আছে, মনে আছে তোমার?
হয়তো ওখানেই শেষ হতো, শেষ হতো আমাদের।হয়ত ওখানেই থেমে যেতো সবটুকুন।
তুমি হয়তো জানতেই না,
তোমার পথ চলতি পথে নিরীহ সম্বোধনে
থেমে গ্যাছে প্রেমিক এক।
হয়তো এভাবেই পৌঁছে যেতে তুমি তোমার গন্তব্যে,
হয়তোবা জানতেই না পৌঁছে যাওয়া মানেই বুকের ভেতর নিঃস্ব নালিশ।
থেমে গ্যাছে প্রেমিক এক।
হয়তো এভাবেই পৌঁছে যেতে তুমি তোমার গন্তব্যে,
হয়তোবা জানতেই না পৌঁছে যাওয়া মানেই বুকের ভেতর নিঃস্ব নালিশ।
ঠিক তখনই তোমার কল্পনার অধিক বাস্তবতায় হঠাৎ বৃষ্টি।
ভেজা চুলে তুমি এসে দাঁড়ালে পাশে আমার।
আমি থেমে যাই,
নির্বাক মুগ্ধতায় নিতে থাকি তোমার সোঁদা গন্ধ।
ভেজা চুলে তুমি এসে দাঁড়ালে পাশে আমার।
আমি থেমে যাই,
নির্বাক মুগ্ধতায় নিতে থাকি তোমার সোঁদা গন্ধ।
আমি দেখতে পাচ্ছিলাম,
দেখতে পাচ্ছিলাম তোমার গাল বেয়ে ভালোবাসার রেলিঙে বৃষ্টির ফোঁটা।
আমি ডুঁবে যাচ্ছিলাম মাদকতায়।
তোমার চুল, চোখে, নাকে , ঠোঁটে।
আমি লিখে দিচ্ছিলাম বুকেতে “ ঘর, বাড়ি যাচ্ছে।”
হঠাৎ সম্বিত ফিরতেই দ্যাখি নেই তুমি।
এদিক ওদিক কোথাও নেই?
অদৃশ্য তুমি ছায়ালোকে।
দেখতে পাচ্ছিলাম তোমার গাল বেয়ে ভালোবাসার রেলিঙে বৃষ্টির ফোঁটা।
আমি ডুঁবে যাচ্ছিলাম মাদকতায়।
তোমার চুল, চোখে, নাকে , ঠোঁটে।
আমি লিখে দিচ্ছিলাম বুকেতে “ ঘর, বাড়ি যাচ্ছে।”
হঠাৎ সম্বিত ফিরতেই দ্যাখি নেই তুমি।
এদিক ওদিক কোথাও নেই?
অদৃশ্য তুমি ছায়ালোকে।
না পেয়ে তোমায়, আমি দাঁড়াতে থাকলাম।
দাঁড়াতে থাকলাম সেখানে,
দাঁড়াতে থাকলাম সেখানে,
যেখানে আজ থেকে ঠিক একশত দিন আগে
“ এই, এই রিকশা যাবে?”
ডাকটায় এক ছিপছিপে নৌকোর নাম দিয়েছিলাম নন্দিনী!
No comments:
Post a Comment